ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

সৌদি আরব লোক পাঠানোর নামে টাকা নিয়ে উধাও ভোলার তজুমদ্দিনের মনির


রিমন হোসেন
রিমন হোসেন
প্রকাশ : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

সৌদি আরব লোক পাঠানোর নামে টাকা নিয়ে উধাও ভোলার তজুমদ্দিনের মনির

ভোলার তজুমদ্দিনে বিদেশে পাঠানোর কথা বলে এক নারীর কাছ থেকে ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা নেওয়ার পর ভিসা না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে। পাওনা টাকা ফেরত চাইলে ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ারও অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী নারী।


এ ঘটনায় উপজেলার দক্ষিণ চাপাপড়ি এলাকার জিয়া উদ্দিনের স্ত্রী নাহিমা বেগম (২৬) বাদী হয়ে তজুমদ্দিনের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করেছেন। মামলাটি সি.আর-১৭৯/২০২৬ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে কমলা বেগম ও হাফেজ মনিরকে আসামি করা হয়েছে। মামলায় দণ্ডবিধির ৪২০/৪০৬/৫০৬(২) ধারার অভিযোগ আনা হয়েছে।


আদালতে দেওয়া অভিযোগপত্রে নাহিমা বেগম উল্লেখ করেন, আসামিরা বিদেশে লোক পাঠানোর কাজ করেন বলে তাকে জানান। একপর্যায়ে তার স্বামীকে বিদেশে পাঠানোর জন্য ভিসা প্রসেসিং বাবদ ৪ লাখ টাকা প্রয়োজন বলে জানানো হয়। আসামিদের কথায় বিশ্বাস করে তিনি গত ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪ কুঞ্জের হাট বাজারে অবস্থিত ইসলামী ব্যাংক এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে আসামি কমলা বেগমের নামে থাকা একটি ব্যাংক হিসাবে দুটি জমা রশিদের মাধ্যমে মোট ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা দেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করেন।


অভিযোগে আরও বলা হয়, টাকা নেওয়ার পর আসামিরা তার স্বামীকে কোনো ভিসা না দিয়ে ‘আজ দেব, কাল দেব’ বলে সময়ক্ষেপণ করতে থাকেন। পরবর্তীতে ভিসার জন্য চাপ দিলে কোনো ভিসা না দিয়ে টাকা ফেরত দিতেও অস্বীকৃতি জানান বলে অভিযোগ করেন বাদী।


অভিযোগপত্রে নাহিমা বেগম আরও বলেন, বিষয়টি নিয়ে তিনি গত ১১ জুন ২০২৬ আইনজীবীর মাধ্যমে আসামিদের আইনি নোটিশ পাঠান। তবে ওই নোটিশের কোনো জবাব দেওয়া হয়নি বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।


এরপর গত ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সকাল ১০টার দিকে তজুমদ্দিনের লালমোহন শম্ভুপুর এলাকায় আসামি কমলা বেগমের বাড়ির সামনে গিয়ে পাওনা টাকা ফেরত চান বাদী। অভিযোগ অনুযায়ী, এ সময় কমলা বেগম টাকা ফেরত দিতে অস্বীকৃতি জানান। পরে হাফেজ মনিরকে ফোন করা হলে তিনিও টাকা ফেরত দেবেন না বলে জানান এবং প্রাণনাশের হুমকি দেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।


এ ঘটনায় আসামিদের বিরুদ্ধে প্রতারণা, বিশ্বাসভঙ্গ ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ এনে আদালতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন করেন নাহিমা বেগম। অভিযোগপত্রে আদালতের কাছে আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে আইনানুগ শাস্তির আবেদন করা হয়েছে।


তবে মামলার অভিযোগগুলো আদালতে প্রমাণিত হয়নি। আসামিদের বক্তব্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনে তা যুক্ত করা যাবে।

আপনার মতামত লিখুন

ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬


সৌদি আরব লোক পাঠানোর নামে টাকা নিয়ে উধাও ভোলার তজুমদ্দিনের মনির

প্রকাশের তারিখ : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

ভোলার তজুমদ্দিনে বিদেশে পাঠানোর কথা বলে এক নারীর কাছ থেকে ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা নেওয়ার পর ভিসা না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে। পাওনা টাকা ফেরত চাইলে ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ারও অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী নারী।


এ ঘটনায় উপজেলার দক্ষিণ চাপাপড়ি এলাকার জিয়া উদ্দিনের স্ত্রী নাহিমা বেগম (২৬) বাদী হয়ে তজুমদ্দিনের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করেছেন। মামলাটি সি.আর-১৭৯/২০২৬ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে কমলা বেগম ও হাফেজ মনিরকে আসামি করা হয়েছে। মামলায় দণ্ডবিধির ৪২০/৪০৬/৫০৬(২) ধারার অভিযোগ আনা হয়েছে।


আদালতে দেওয়া অভিযোগপত্রে নাহিমা বেগম উল্লেখ করেন, আসামিরা বিদেশে লোক পাঠানোর কাজ করেন বলে তাকে জানান। একপর্যায়ে তার স্বামীকে বিদেশে পাঠানোর জন্য ভিসা প্রসেসিং বাবদ ৪ লাখ টাকা প্রয়োজন বলে জানানো হয়। আসামিদের কথায় বিশ্বাস করে তিনি গত ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪ কুঞ্জের হাট বাজারে অবস্থিত ইসলামী ব্যাংক এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে আসামি কমলা বেগমের নামে থাকা একটি ব্যাংক হিসাবে দুটি জমা রশিদের মাধ্যমে মোট ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা দেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করেন।


অভিযোগে আরও বলা হয়, টাকা নেওয়ার পর আসামিরা তার স্বামীকে কোনো ভিসা না দিয়ে ‘আজ দেব, কাল দেব’ বলে সময়ক্ষেপণ করতে থাকেন। পরবর্তীতে ভিসার জন্য চাপ দিলে কোনো ভিসা না দিয়ে টাকা ফেরত দিতেও অস্বীকৃতি জানান বলে অভিযোগ করেন বাদী।


অভিযোগপত্রে নাহিমা বেগম আরও বলেন, বিষয়টি নিয়ে তিনি গত ১১ জুন ২০২৬ আইনজীবীর মাধ্যমে আসামিদের আইনি নোটিশ পাঠান। তবে ওই নোটিশের কোনো জবাব দেওয়া হয়নি বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।


এরপর গত ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সকাল ১০টার দিকে তজুমদ্দিনের লালমোহন শম্ভুপুর এলাকায় আসামি কমলা বেগমের বাড়ির সামনে গিয়ে পাওনা টাকা ফেরত চান বাদী। অভিযোগ অনুযায়ী, এ সময় কমলা বেগম টাকা ফেরত দিতে অস্বীকৃতি জানান। পরে হাফেজ মনিরকে ফোন করা হলে তিনিও টাকা ফেরত দেবেন না বলে জানান এবং প্রাণনাশের হুমকি দেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।


এ ঘটনায় আসামিদের বিরুদ্ধে প্রতারণা, বিশ্বাসভঙ্গ ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ এনে আদালতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন করেন নাহিমা বেগম। অভিযোগপত্রে আদালতের কাছে আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে আইনানুগ শাস্তির আবেদন করা হয়েছে।


তবে মামলার অভিযোগগুলো আদালতে প্রমাণিত হয়নি। আসামিদের বক্তব্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনে তা যুক্ত করা যাবে।


ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

“তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম”

কপিরাইট © ২০২৬ ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত