র্যাব জানায়, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মঙ্গলবার রাত আনুমানিক ৯টা ১০ মিনিটে ঢাকার আশুলিয়া থানাধীন বলিভদ্র বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে আলমগীর ফকিরকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি টাঙ্গাইল জেলার বাসিন্দা এবং মামলার প্রধান আসামি।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী নারী ও ঘটনার সঙ্গে জড়িত আসামিরা পূর্বপরিচিত ছিলেন। গত ১ আগস্ট সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টার দিকে আলমগীর ফকিরের কথায় তার বাড়িতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হন ওই নারী। পথে একটি নির্জন এলাকায় পূর্বপরিকল্পিতভাবে অবস্থান নেওয়া আসামিরা তাকে জোরপূর্বক দলবদ্ধ ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এ সময় তার সঙ্গে থাকা স্বর্ণালংকার ও মোবাইল ফোনও নিয়ে নেওয়া হয়।
ঘটনার পর ভুক্তভোগী নিজে বাদী হয়ে নাগরপুর থানায় মামলা করেন। মামলাটি ২ আগস্ট দায়ের করা হয়। এতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(৩) ধারা এবং দণ্ডবিধির ৩৭৯ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। মামলা নম্বর-০৩।
র্যাব আরও জানায়, মামলা দায়েরের পর থেকেই প্রধান আসামি আলমগীর ফকির আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজর এড়িয়ে বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপনে ছিলেন। ঘটনার পর থেকেই তাকে ও অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে গোয়েন্দা নজরদারি চালিয়ে আসছিল র্যাব।
গ্রেপ্তার আলমগীর ফকিরকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। মামলায় জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারেও র্যাবের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
.png)
বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ আগস্ট ২০২৬
র্যাব জানায়, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মঙ্গলবার রাত আনুমানিক ৯টা ১০ মিনিটে ঢাকার আশুলিয়া থানাধীন বলিভদ্র বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে আলমগীর ফকিরকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি টাঙ্গাইল জেলার বাসিন্দা এবং মামলার প্রধান আসামি।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী নারী ও ঘটনার সঙ্গে জড়িত আসামিরা পূর্বপরিচিত ছিলেন। গত ১ আগস্ট সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টার দিকে আলমগীর ফকিরের কথায় তার বাড়িতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হন ওই নারী। পথে একটি নির্জন এলাকায় পূর্বপরিকল্পিতভাবে অবস্থান নেওয়া আসামিরা তাকে জোরপূর্বক দলবদ্ধ ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এ সময় তার সঙ্গে থাকা স্বর্ণালংকার ও মোবাইল ফোনও নিয়ে নেওয়া হয়।
ঘটনার পর ভুক্তভোগী নিজে বাদী হয়ে নাগরপুর থানায় মামলা করেন। মামলাটি ২ আগস্ট দায়ের করা হয়। এতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(৩) ধারা এবং দণ্ডবিধির ৩৭৯ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। মামলা নম্বর-০৩।
র্যাব আরও জানায়, মামলা দায়েরের পর থেকেই প্রধান আসামি আলমগীর ফকির আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজর এড়িয়ে বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপনে ছিলেন। ঘটনার পর থেকেই তাকে ও অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে গোয়েন্দা নজরদারি চালিয়ে আসছিল র্যাব।
গ্রেপ্তার আলমগীর ফকিরকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। মামলায় জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারেও র্যাবের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
.png)
আপনার মতামত লিখুন