ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho - Current & Breaking News Bangladesh & World

সর্বশেষ
নোয়াখালীতে জলবায়ু ও জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতার ঝুঁকি মোকাবিলায় ৪৫০ নারীকে টিওটি প্রশিক্ষণ দিচ্ছে প্রান

নোয়াখালীতে জলবায়ু ও জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতার ঝুঁকি মোকাবিলায় ৪৫০ নারীকে টিওটি প্রশিক্ষণ দিচ্ছে প্রান

নোয়াখালীর উপকূলীয় এলাকায় ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, নদীভাঙন, বন্যা, লবণাক্ততা ও অতিরিক্ত তাপ মানুষের জীবন ও জীবিকায় নিয়মিত প্রভাব ফেলছে। দুর্যোগের এই প্রভাব নারী ও কিশোরীদের জন্য আরও কিছু বিশেষ ঝুঁকি তৈরি করে। নিরাপদ আশ্রয়, ব্যক্তিগত গোপনীয়তা, মাসিক ও প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা, মানসিক সুস্থতা এবং সহিংসতা থেকে সুরক্ষার মতো বিষয়গুলো সংকটের সময় আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।দুর্যোগের পর পরিবারের আয় ও জীবিকার সুযোগ কমে যাওয়া, বাস্তুচ্যুতি কিংবা পরিবারের সদস্যদের অন্যত্র চলে যাওয়ার মতো পরিস্থিতিতে নারীদের দায়িত্বও বাড়তে পারে। অনেক ক্ষেত্রে এর সঙ্গে যুক্ত হয় বাল্যবিবাহ, মেয়েদের পড়াশোনা থেকে ঝরে পড়া, পারিবারিক সহিংসতা এবং সামাজিক নিরাপত্তাহীনতার ঝুঁকি।এই প্রেক্ষাপটে নোয়াখালীর উপকূলীয় এলাকার নারীদের দুর্যোগ প্রস্তুতি, নিরাপত্তা এবং জলবায়ু পরিবর্তনজনিত জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতার ঝুঁকি মোকাবিলায় সক্ষমতা বাড়াতে টিওটি বা প্রশিক্ষক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি পরিচালনা করছে পার্টিসিপেটরি রিসার্চ অ্যান্ড অ্যাকশন নেটওয়ার্ক - প্রান।জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিলের সহায়তায় গত ২৪ আগস্ট থেকে নোয়াখালী সদর, হাতিয়া ও সুবর্ণচর উপজেলার সমাজসেবা অধিদপ্তর পরিচালিত পল্লী মাতৃকেন্দ্রগুলোতে এ কার্যক্রম চলছে। চলতি প্রান্তিকে ১৫টি পল্লী মাতৃকেন্দ্রে ১৫টি দিনব্যাপী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে প্রতিটিতে ৩০ জন করে মোট ৪৫০ নারীকে এ কর্মসূচির আওতায় আনা হচ্ছে।প্রশিক্ষণের মূল বিষয় জলবায়ু পরিবর্তনজনিত জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা, ঝুঁকি প্রশমন, সহনশীলতা ও পুনরুদ্ধার। দুর্যোগের সময় নারী ও কিশোরীরা কী ধরনের ঝুঁকির মুখোমুখি হতে পারেন, কীভাবে আগাম প্রস্তুতি নেওয়া যায় এবং প্রয়োজনের সময় কোথায় সহায়তা পাওয়া সম্ভব, এসব বিষয় বাস্তব পরিস্থিতির আলোকে তুলে ধরা হচ্ছে।দুর্যোগ প্রস্তুতি ও ঝুঁকি হ্রাসের পাশাপাশি নারীর নিরাপত্তা ও মর্যাদা, প্রজনন স্বাস্থ্য, জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধ ও প্রতিক্রিয়া, মানসিক স্বাস্থ্য ও মনোসামাজিক সহায়তা, যৌন শোষণ ও নির্যাতন প্রতিরোধ, প্রয়োজনীয় সেবার সঙ্গে সংযোগ এবং স্থানীয় পর্যায়ে নারীর নেতৃত্ব ও অংশগ্রহণের বিষয়গুলোও প্রশিক্ষণে গুরুত্ব পাচ্ছে।প্রশিক্ষণটি অংশগ্রহণমূলক পদ্ধতিতে পরিচালিত হচ্ছে। দলীয় আলোচনা, প্রশ্নোত্তর, বাস্তব পরিস্থিতির অনুশীলন, দৃশ্যচিত্র প্রদর্শন, অভিজ্ঞতা বিনিময়, অভিনয়ভিত্তিক কার্যক্রম এবং ঝুঁকি মানচিত্র তৈরির মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা নিজেদের এলাকার বাস্তব পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করছেন। এর অংশ হিসেবে নারীরা নিজ নিজ গ্রামের নিরাপদ ও ঝুঁকিপূর্ণ স্থান চিহ্নিত করছেন। দুর্যোগের সময় কোথায় আশ্রয় নেওয়া নিরাপদ, কোন জায়গাগুলো নারী ও কিশোরীদের জন্য বাড়তি ঝুঁকি তৈরি করতে পারে এবং জরুরি পরিস্থিতিতে কোথা থেকে সহায়তা পাওয়া যাবে, সেসব বিষয় নিয়ে তাঁরা দলীয়ভাবে কাজ করছেন।আশ্রয়কেন্দ্রে নারীর ব্যক্তিগত গোপনীয়তা, আলাদা ও নিরাপদ শৌচাগার, মাসিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা এবং প্রজনন স্বাস্থ্যসেবার বিষয়ও আলোচনায় থাকছে। একই সঙ্গে প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, বয়স্ক মানুষ এবং অন্যান্য প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর বিশেষ প্রয়োজন বিবেচনায় রেখে দুর্যোগ প্রস্তুতি নেওয়ার বিষয়টিও গুরুত্ব পাচ্ছে।প্রশিক্ষণে দুর্যোগ প্রস্তুতিকে শুধু খাবার, পানি ও আশ্রয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে নিরাপত্তা, মর্যাদা ও সুরক্ষার সঙ্গে যুক্ত করে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে নারী ও কিশোরীদের প্রয়োজনগুলো স্থানীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি ও সাড়াদানের পরিকল্পনায় কীভাবে অন্তর্ভুক্ত করা যায়, সে বিষয়ে অংশগ্রহণকারীদের সঙ্গে কাজ করা হচ্ছে।দুর্যোগ-পরবর্তী পুনরুদ্ধারের বিষয়টিও প্রশিক্ষণের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। জীবিকা হারানো, আয় কমে যাওয়া, খাদ্যসংকট কিংবা বাস্তুচ্যুতি পরিবারের ওপর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলতে পারে। এসব পরিস্থিতিতে নারীর কাজের চাপ, মানসিক উদ্বেগ এবং সামাজিক ঝুঁকিও বাড়তে পারে।এ কারণে জলবায়ু সহনশীল কৃষি, পারিবারিক পুষ্টিবাগান, হাঁস-মুরগি ও মাছ চাষ, দক্ষতা উন্নয়ন, আয়বর্ধক উদ্যোগ, তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর সেবায় প্রবেশাধিকার, নিরাপদ জ্বালানি এবং বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের মতো বিষয়ও প্রশিক্ষণে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।অংশগ্রহণকারীরা নিজেদের এলাকার জন্য মৌসুমভিত্তিক সহনশীলতা পরিকল্পনা তৈরির অনুশীলন করছেন। এতে বছরের কোন সময়ে কোন ঝুঁকি বেশি থাকে, দুর্যোগের আগে কী প্রস্তুতি প্রয়োজন, জরুরি পরিস্থিতিতে কী করণীয় এবং সরকারি ও স্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছ থেকে কীভাবে সহায়তা পাওয়া যেতে পারে, সেসব বিষয় চিহ্নিত করা হচ্ছে।প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়া নারীরা জানিয়েছেন, দুর্যোগের সময় নারীদের বিশেষ প্রয়োজন, নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে আলোচনা তাঁদের জন্য কার্যকর হয়েছে। শেখা বিষয়গুলো নিজেদের পাশাপাশি পরিবার ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর অন্য সদস্যদের জরুরি পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত করতেও কাজে লাগবে বলে তাঁরা মনে করছেন। টিওটি কর্মসূচির লক্ষ্য হলো প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত নারীরা যেন অর্জিত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা নিজেদের পরিবার, প্রতিবেশী এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর অন্য সদস্যদের সঙ্গে ভাগ করে নিতে পারেন। এর মধ্য দিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে দুর্যোগ প্রস্তুতিতে নারীর অংশগ্রহণ, নেতৃত্ব এবং সুরক্ষার বিষয়টি আরও শক্তিশালী করার চেষ্টা করা হচ্ছে।প্রশিক্ষণের বিভিন্ন অধিবেশনে প্রশিক্ষক ও বিষয়ভিত্তিক রিসোর্স পারসন হিসেবে যুক্ত আছেন প্রানের ডাব্লিউএলসিসি ম্যানেজার শামীমা আক্তার অর্না, স্কিল বিল্ডিং ট্রেইনার শাহিনুর আক্তার, এমএইচপিএসএস ও জিবিভি কেইস ওয়ার্কার সুমাইয়া আক্তার, সিনথিয়া শর্নীল, মিডওয়াইফ জুঁই আক্তার ও ভলান্টিয়ার আয়েশা আক্তার। নিজ নিজ কাজের ক্ষেত্র থেকে তাঁরা অংশগ্রহণকারীদের সঙ্গে আলোচনা, অনুশীলন ও অভিজ্ঞতা বিনিময় করছেন।
২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কুবিতে ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম ও অপ্রতিমের রুহের মাগফিরাতে দোয়া-মিলাদ অনুষ্ঠিত

কুবিতে ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম ও অপ্রতিমের রুহের মাগফিরাতে দোয়া-মিলাদ অনুষ্ঠিত

অপ্রতিম হত্যার বিচার ও ৪ দফা দাবিতে কুবিতে মৌন মিছিল

অপ্রতিম হত্যার বিচার ও ৪ দফা দাবিতে কুবিতে মৌন মিছিল

রামিসা হত্যার মতো অপ্রতিম হত্যার বিচার দ্রুত শেষ করতে হবে: কুবি ইউট্যাব সভাপতি

রামিসা হত্যার মতো অপ্রতিম হত্যার বিচার দ্রুত শেষ করতে হবে: কুবি ইউট্যাব সভাপতি

রংপুরে যাত্রা শুরু করল আইল্যান্ড একাডেমি

রংপুরে যাত্রা শুরু করল আইল্যান্ড একাডেমি

নোবিপ্রবিতে বিদ্যুৎ উপকেন্দ্রের উদ্বোধন, মিলবে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ

নোবিপ্রবিতে বিদ্যুৎ উপকেন্দ্রের উদ্বোধন, মিলবে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ

নোবিপ্রবিতে বিদ্যুৎ উপকেন্দ্রের উদ্বোধন, মিলবে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ

নোবিপ্রবিতে বিদ্যুৎ উপকেন্দ্রের উদ্বোধন, মিলবে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে দ্বিতীয় সমাবর্তন আগামী ৩০ জানুয়ারি

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে দ্বিতীয় সমাবর্তন আগামী ৩০ জানুয়ারি

অপ্রতিমের নৃশংস হত্যাকাণ্ডে ইউট্যাবের কুবি ইউনিটের শোক ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি

অপ্রতিমের নৃশংস হত্যাকাণ্ডে ইউট্যাবের কুবি ইউনিটের শোক ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি

নোয়াখালীতে জলবায়ু ও জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতার ঝুঁকি মোকাবিলায় ৪৫০ নারীকে টিওটি প্রশিক্ষণ দিচ্ছে প্রান

নোয়াখালীতে জলবায়ু ও জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতার ঝুঁকি মোকাবিলায় ৪৫০ নারীকে টিওটি প্রশিক্ষণ দিচ্ছে প্রান

ভুয়া সাংবাদিকতার আড়ালে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগকে সহায়তায় সাদমান দিশানের

ভুয়া সাংবাদিকতার আড়ালে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগকে সহায়তায় সাদমান দিশানের

কুবিতে ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম ও অপ্রতিমের রুহের মাগফিরাতে দোয়া-মিলাদ অনুষ্ঠিত

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ, বিশ্ববিদ্যালয় শাখার উদ্যোগে পবিত্র ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম উপলক্ষে এবং বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের একমাত্র সন্তান ইশরাত শাহরিয়ার অপ্রতিমের রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বাদ এশা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে এ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। এতে অপ্রতিমের রুহের মাগফিরাত, শোকসন্তপ্ত পরিবারের ধৈর্য এবং দেশ ও জাতির শান্তি ও কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক ছিলেন আমতলী শাহী জামে মসজিদের মুফতি শাহজাদা মুহাম্মদ বাদরুদ্দোজা আল কাদরী। তিনি ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহমের তাৎপর্য, ইসালে সাওয়াব এবং মরহুমের জন্য দোয়া ও মাগফিরাতের গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করেন।গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি সাইদুর রহমান বলেন, “পবিত্র ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম উপলক্ষে আয়োজিত এই দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের মাধ্যমে আমরা মহান আল্লাহর দরবারে ইশরাত শাহরিয়ার অপ্রতিমের রুহের মাগফিরাত কামনা করছি। পাশাপাশি শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি। মহান আল্লাহ যেন মরহুমকে ক্ষমা করে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন এবং তাঁর পরিবারকে এই শোক কাটিয়ে ওঠার শক্তি ও ধৈর্য দান করেন। আমিন।”

কুবিতে ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম ও অপ্রতিমের রুহের মাগফিরাতে দোয়া-মিলাদ অনুষ্ঠিত
২৭ জানুয়ারি ২০২৬, ০৯:১৮ পিএম
ভোট হয়ে যাক! মাঠের লড়াইয়ের আগে অনলাইনের লড়াইয়ে কে এগিয়ে?

ভোট হয়ে যাক! মাঠের লড়াইয়ের আগে অনলাইনের লড়াইয়ে কে এগিয়ে?

  বিএনপি
  জামাতে ইসলামী
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন