ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho - Current & Breaking News Bangladesh & World

সর্বশেষ
অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরি হচ্ছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাফেটেরিয়ার খাবার

অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরি হচ্ছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাফেটেরিয়ার খাবার

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) একমাত্র ক্যাফেটেরিয়ায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার প্রস্তুতের অভিযোগ উঠেছে। ক্যাফেটেরিয়ার রান্নাঘরের একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ছবিতে দেখা যায়, ক্যাফেটেরিয়ার রান্নাঘরের মেঝেতে বড় পাত্রে খাবার প্রস্তুত করা হচ্ছে। একই স্থানে কর্মীদের খাবার প্রস্তুতের কাজে ব্যবহৃত বাসনের ওপর পা রাখা এবং বসে থাকতে দেখা যায়। এছাড়াও রান্নার কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন খাদ্যসামগ্রীও মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখা গেছে।এমন পরিবেশে খাবার প্রস্তুতের ছবি ছড়িয়ে পড়ায় ক্যাফেটেরিয়ার খাবারের পরিচ্ছন্নতা ও স্বাস্থ্যমান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন শিক্ষার্থীরা। এদিকে বিষয়টি নিয়ে ক্যাফেটেরিয়ার পরিচালক মাসুদ বলেন, “ঘটনাটি অত্যন্ত বিব্রতকর। আমার কর্মচারীরা এভাবে খাবার প্রস্তুত করছে—এ ধরনের ঘটনা আগে কখনো দেখিনি। হঠাৎ কীভাবে এমন ঘটনা ঘটল, সেটিও আমার বোধগম্য নয়। বিষয়টি আমরা গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি। পরবর্তীতে যেন এ ধরনের ঘটনা আর না ঘটে, সে বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি খাবারের মান ও অন্যান্য সমস্যাগুলোও সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে।” জকসুর স্বাস্থ্য ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক নূর মোহাম্মদ বলেন, “বিষয়টি দেখার পর আমরা ক্যাফেটেরিয়ার পরিচালক মাসুদ ভাইয়ের সঙ্গে কথা বলেছি। তিনি ঘটনাটিকে অত্যন্ত বিব্রতকর হিসেবে উল্লেখ করেছেন এবং জানিয়েছেন, আগামীকাল থেকে এ ধরনের বিষয় আর দেখা যাবে না। খাবারের মান ও অন্যান্য সমস্যাগুলো সমাধানের বিষয়েও তিনি আমাদের আশ্বস্ত করেছেন। খাবারের মান আরও উন্নত করার জন্য আমরা ক্রমাগত চেষ্টা করছি। তবে শিক্ষার্থীদের জন্য খাবার সাশ্রয়ী রাখতে গিয়ে বিষয়টি দিন দিন কঠিন হয়ে উঠছে। তারপরও আমাদের পক্ষ থেকে চেষ্টা অব্যাহত থাকবে। আজকের ঘটনার যেন পুনরাবৃত্তি না ঘটে, সে বিষয়ে আমাদের সজাগ দৃষ্টি থাকবে।” এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রকল্যাণ পরিচালক অধ্যাপক রিফাত হাসান বলেন, “আমরা আসলে ছবিটা দেখেছি। তবে ছবিটি এআই জেনারেটেড কি না, নাকি সত্যিকার ছবি এবং ঘটনাটি বাস্তবে ঘটেছে কি না—এগুলো আমরা আগে তদন্ত করে দেখব। যদি ঘটনাটি সত্যি হয়ে থাকে, তাহলে অবশ্যই প্রচলিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ বিষয়ে আমাদের একটি খাদ্যের মান ও উন্নয়ন কমিটি রয়েছে। ওই কমিটির মাধ্যমেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ঘটনাটি খুবই দুঃখজনক। যেভাবে খাবার প্রস্তুত করা হচ্ছে, তা খুবই অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ।” এ বিষয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী হাসনাত হাবিব বলেন, “আসলে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কপালে যেন দুঃখ ছাড়া আর কিছুই নেই। আমরা প্রতিদিন যে খাবার খাচ্ছি, সেটার মান ও প্রস্তুতপ্রক্রিয়া নিয়ে যদি এমন প্রশ্ন ওঠে, তাহলে বিষয়টি অত্যন্ত হতাশাজনক। বিশ্ববিদ্যালয়ের একমাত্র ক্যাফেটেরিয়ায় শিক্ষার্থীদের জন্য স্বাস্থ্যসম্মত ও নিরাপদ খাবার নিশ্চিত করা প্রশাসনের দায়িত্ব। আমরা চাই, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হোক।” এ বিষয়ে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী মাহাবুবুর রহমান ক্যাফেটেরিয়ার পরিবেশ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে একটি পোস্ট দেন। তিনি পোস্টে লেখেন, “দেখেই বমি আসতেছে! কী খাচ্ছি দৈনিক আমরা জবিয়ানরা?? খাবারের উপর এমনে পা রাখছে ছিহ ছিহ!” একইসঙ্গে শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যের অবনতি হলে এর দায়ভার কে নেবে—এমন প্রশ্ন তুলে ক্যাফেটেরিয়ার খাবার বয়কটের আহ্বানও জানান তিনি। এ বিষয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। শিক্ষার্থীরা বলেন, পুরান ঢাকার ঘনবসতিপূর্ণ ও ব্যস্ত এলাকার প্রতিকূল পরিবেশের মধ্যে তারা নিয়মিত পড়াশোনা করেন। এর মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের একমাত্র ক্যাফেটেরিয়ায় খাবার প্রস্তুতের পরিবেশও যদি অস্বাস্থ্যকর হয়, তাহলে তা শিক্ষার্থীদের জন্য আরও উদ্বেগের বিষয়। প্রতিদিনের খাবার নিয়ে এমন পরিস্থিতি কোনোভাবেই কাম্য নয়।শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তার কথা বিবেচনায় নিয়ে ক্যাফেটেরিয়ার খাবার প্রস্তুত ও পরিবেশনের পরিবেশ দ্রুত স্বাস্থ্যসম্মত করা, নিয়মিত তদারকি নিশ্চিত করা এবং এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।
২১ ঘন্টা আগে

সরকারি চাকরিতে ভাইভার নম্বর বৃদ্ধির প্রতিবাদে কুবিতে মানববন্ধন

সরকারি চাকরিতে ভাইভার নম্বর বৃদ্ধির প্রতিবাদে কুবিতে মানববন্ধন

জবি ক্যান্টিনে সত্তরেরও বেশি ফ্রি খাদক, শিক্ষার্থীদের পাতে কমছে খাবারের মান-পরিমাণ

জবি ক্যান্টিনে সত্তরেরও বেশি ফ্রি খাদক, শিক্ষার্থীদের পাতে কমছে খাবারের মান-পরিমাণ

কুবিতে শিক্ষার্থীদের ক্যারিয়ার গড়তে ‘ক্যারিয়ার মাস্টারক্লাস’

কুবিতে শিক্ষার্থীদের ক্যারিয়ার গড়তে ‘ক্যারিয়ার মাস্টারক্লাস’

অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরি হচ্ছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাফেটেরিয়ার খাবার

অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরি হচ্ছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাফেটেরিয়ার খাবার

জবির দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের পুকুরে গোসল করতে নেমে দুই নারীর মৃত্যু

জবির দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের পুকুরে গোসল করতে নেমে দুই নারীর মৃত্যু

এবার ঢাকায় মাদরাসা শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগ

এবার ঢাকায় মাদরাসা শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগ

কুবিতে র‍্যাগিং ইস্যুতে দুই পক্ষের আপস, অভিযোগ প্রত্যাহারের আবেদন

কুবিতে র‍্যাগিং ইস্যুতে দুই পক্ষের আপস, অভিযোগ প্রত্যাহারের আবেদন

নতুন ধারণা পৃথিবীকে বদলে দিতে পারে: মাভাবিপ্রবি উপ-উপাচার্য

নতুন ধারণা পৃথিবীকে বদলে দিতে পারে: মাভাবিপ্রবি উপ-উপাচার্য

কুবি ছাত্রশক্তির প্রথম আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা

কুবি ছাত্রশক্তির প্রথম আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা

কুবিতে শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উদযাপিত

কুবিতে শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উদযাপিত

সরকারি চাকরিতে ভাইভার নম্বর বৃদ্ধির প্রতিবাদে কুবিতে মানববন্ধন

সরকারি চাকরিতে মৌখিক পরীক্ষার (ভাইভা) নম্বর বৃদ্ধির প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) শিক্ষার্থীরা। মানববন্ধনে তারা বাংলাদেশ সরকারের এই সিদ্ধান্তকে পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানান। যদি ভাইভার নম্বর বৃদ্ধির এই সিদ্ধান্ত বহাল থাকে তারা কঠিন আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের গোল চত্ত্বরে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন। মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা 'কোটা গেছে যেই পথে– ভাইভা যাবে সেই পথে', 'ভাইভার নামে দলীয়করণ– বন্ধ কর, করতে হবে', ভাইভা না মেধা– মেধা মেধা', ‘দোয়েল, কোয়েল, ময়না, টিয়া– ভাইভায় এসো ঘুষ নিয়া'  ইত্যাদি স্লোগান দেন।এ সময় শিক্ষার্থীরা প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমানকে উদ্দেশ্য করে 'ছি ছি ধিক্কার– জাহেদ তুই চাটুকার' বলেও স্লোগান দিতে দেখা গেছে।মানববন্ধনে আইন বিভাগের শিক্ষার্থী বায়েজিদ হোসেন বলেন, 'আমরা জুলাই আন্দোলনের কথা না ভুললেও আমাদের সরকার হয়তো ভুলে গেছে। মানুষ ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেয় কিন্তু আমরা দেখতে পারছি বর্তমান সরকার ইতিহাস ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ঘটাচ্ছে। যে জুলাই অভ্যুত্থান শুরু হয়েছিল কোটা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে, আবার তা ফিরিয়ে আনার উদ্দেশ্যে সরকারি চাকরিতে বৈষম্য, সরকারি প্রতিষ্ঠানে দলীয়করণ এবং ভাইবার নামে আবার কোটাকে ফেরানোর চেষ্টা করছে সরকার। তিনি বলেন, 'বিএনপির ১৯৯০–৯৬ এর ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখা যায়, সরাসরি প্রতিষ্ঠান দলীয়করণ ও সরকারি চাকরিতে হস্তক্ষেপ করার প্রথম প্রচেষ্টা চালায় তারা। আমি সরকারের উদ্দেশ্যে বলছি এসব বন্ধ করুন তা না হলে পালানোর জায়গা পাবেন না।'জাতীয় ছাত্রশক্তি কুবি শাখার সদস্য সচিব সৈয়দা নাজিফা নাফিল বলেন, 'আমরা সব সময় বলে থাকি যে কোটা না মেধা–মেধা মেধা। কিন্তু এখন আমরা দেখছি যে কোটা আবার নতুনভাবে ফিরে আসছে। আজকে আমরা কারো নিজের সুবিধার জন্য এখানে আসি নাই। সরকারের এই সিদ্ধান্ত এভাবে বাড়তে দিলে এক পর্যায়ে এই সরকার ফ্যাসিবাদের দিকে এগিয়ে যাবে।'তিনি আরও বলেন, 'আমরা যারা চব্বিশের আন্দোলন দেখেছি এরপরও যদি আমরা না শুধরাই আমাদের জন্য যা অপেক্ষা করতেছে, তা হবে আরও ভয়ংকর। তাই এই ব্যবস্থা প্রতিহত করা আমাদের দায়িত্ব এবং সেই দায়িত্ব থেকেই আজকে আমি এখানে দাঁড়িয়েছি। আমাদের একটা ইচ্ছা থাকে যে পড়াশোনা করে দেশের জন্য কাজ করব কিন্তু এখন দেশের জন্য কাজ করার সেই পথটাই বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। তাই এখন আমাদের এই ব্যবস্থা নিয়ে কথা বলা দরকার, প্রতিবাদ করা দরকার এবং যার যার জায়গা থেকে প্রতিরোধ গড়ে তুলা প্রয়োজন।'ফার্মেসি বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী নাঈম ভূঁইয়া বলেন, 'আমাদের বারবার যে কোন বিষয় নিয়ে রাজপথে নামা লাগে, অথচ এই সরকার হওয়ার কথা ছিল জনগণের। কিন্তু সরকার হয়ে যায় তার নিজের দলের। এর থেকে লজ্জার আর কিছু হতে পারে না।'তিনি আরও বলেন, 'একটা সরকার কিভাবে সবকিছুতে দলীয়করণ করে তা আশপাশে তাকালেই দেখতে পাবেন। এমন কোন প্রতিষ্ঠান নাই যেখানে দলীয়করণ করা হয়নি। আমরা তারেক সরকারকে জানিয়ে দিতে চাই, ১৪০০ শহীদের রক্তের বিনিময়ে নতুন বাংলাদেশের যদি আবার ফ্যাসিবাদী কায়দা প্রতিষ্ঠা করতে চায়, সেটা আর কখনো হবে না। বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা তা কখনোই মেনে নিবে না।'কুবি শাখা ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি সাইফুল ইসলাম বলেন, 'সরকারি চাকরিতে ভাইভা পরীক্ষার নম্বর বাড়ানোর মাধ্যমে মেধার অবমূল্যায়ন এবং দলীয় লোকদের সরকারি সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, তার প্রতিবাদেই আজকের এই মানববন্ধন। আপনারা লক্ষ্য করেছেন ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে আমাদের প্রায় ১ হাজার ৪০০ ভাই শহীদ হয়েছেন। বৈষম্যের বিরুদ্ধে আন্দোলনে প্রায় ২০ হাজার শিক্ষার্থী আহত হয়ে পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন, যাদের অনেকে এখনো হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। অথচ তাদের সুস্থ হওয়ার আগেই তাদের রক্তের ওপর দিয়ে ক্ষমতায় এসে সরকার আবারও বৈষম্যের পথ বেছে নিয়েছে।'তিনি বলেন, 'কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আমরা সরকারকে স্পষ্টভাবে জানাতে চায় এই আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত থেকে সরে না এলে আমাদের এই প্রতিবাদ সারা বাংলাদেশে দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়বে। আমরা আরও লক্ষ্য করছি, সরকার দেশের গণতান্ত্রিক ও প্রশাসনিক কাঠামোকে দুর্বল করার মতো নানা সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। ভাইভা পরীক্ষার নম্বর বাড়ানো হলে এমন একটি পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে, যেখানে মেধাবী শিক্ষার্থীদের চাকরি পাওয়ার জন্য রাজনৈতিক প্রভাবশালী ব্যক্তিদের দ্বারস্থ হতে হবে। আমরা মনে করছি, সরকারি প্রতিষ্ঠান ও প্রশাসনে দলীয় ব্যক্তিদের পুনর্বাসনের যে অপচেষ্টা চলছে, সরকারকে সেখান থেকেও ফিরে আসতে হবে। ভাইভা নম্বর বাড়ানোর প্রস্তাব প্রত্যাহার করে মেধার যথাযথ মূল্যায়ন নিশ্চিত করতে হবে।'প্রসঙ্গত, সম্প্রতি সরকারি চাকরিতে ১১ থেকে ২০ তম গ্রেডে মৌখিক পরীক্ষার (ভাইভা)নম্বর বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এক্ষেত্রে ১১ থেকে ১২তম গ্রেডের সরকারি চাকরিতে বর্তমানে ভাইভার নম্বর ১০। নতুন প্রস্তাবে তা বাড়িয়ে ৫০ নম্বর করার কথা বলা হয়েছে। ১৩ থেকে ১৬তম গ্রেডের সরকারি চাকরিতে বর্তমানে ভাইভার নম্বর ১০। প্রস্তাবিত বিধিমালায় তা বাড়িয়ে ৪০ নম্বর করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, ১৭ থেকে ২০তম গ্রেডের সরকারি চাকরিতে বর্তমানে ভাইভার নম্বর ১০। নতুন প্রস্তাবে তা বাড়িয়ে ২৫ নম্বর করার কথা বলা হয়েছে।

সরকারি চাকরিতে ভাইভার নম্বর বৃদ্ধির প্রতিবাদে কুবিতে মানববন্ধন
২৭ জানুয়ারি ২০২৬, ০৯:১৮ পিএম
ভোট হয়ে যাক! মাঠের লড়াইয়ের আগে অনলাইনের লড়াইয়ে কে এগিয়ে?

ভোট হয়ে যাক! মাঠের লড়াইয়ের আগে অনলাইনের লড়াইয়ে কে এগিয়ে?

  বিএনপি
  জামাতে ইসলামী
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন