ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho - Current & Breaking News Bangladesh & World

সর্বশেষ
বাকৃবিতে নেক্সকো ২০২৬, একত্রিত ছয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ইয়াস প্রতিনিধিরা

বাকৃবিতে নেক্সকো ২০২৬, একত্রিত ছয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ইয়াস প্রতিনিধিরা

কৃষি শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক এক্সচেঞ্জ কার্যক্রম সম্প্রসারণ, নতুন এক্সচেঞ্জ সাইট খুঁজে বের করা এবং উদ্যোক্তা ও গবেষণাবিষয়ক অভিজ্ঞতা বিনিময়ের লক্ষ্যে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) অনুষ্ঠিত হয়েছে জাতীয় ‘এক্সচেঞ্জ কো-অর্ডিনেটরস মিটিং (নেক্সকো) ২০২৬’। আন্তর্জাতিক কৃষি শিক্ষার্থী সংগঠন ইন্টারন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অব স্টুডেন্টস ইন এগ্রিকালচারাল অ্যান্ড রিলেটেড সায়েন্সেস (ইয়াস) এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের চাষি কমিউনিটি সেন্টারে দিনব্যাপী এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।আয়োজক সূত্রে জানা যায়, দেশে প্রথমবারের মতো বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইয়াসের স্থানীয় কমিটির প্রতিনিধিদের নিয়ে নেক্সকো আয়োজন করা হয়েছে। এর মূল লক্ষ্য ছিল অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে এক্সচেঞ্জ কার্যক্রম সম্পর্কে জ্ঞান, অভিজ্ঞতা ও ধারণা বিনিময়ের পাশাপাশি নতুন এক্সচেঞ্জ সাইট চিহ্নিত করা। এ ছাড়া জাতীয় ও স্থানীয় কমিটির মধ্যে যোগাযোগ ও সমন্বয় জোরদার এবং এক্সচেঞ্জ কার্যক্রমকে আরও কার্যকর করতে বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা প্রণয়নের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।অনুষ্ঠানে ইয়াসের স্থানীয় কমিটিগুলোকে নিজ নিজ অঞ্চলের গবেষণাগার, কৃষি খামার, উদ্ভাবনী উদ্যোগ ও সম্ভাবনাময় স্থান চিহ্নিত করে সেগুলোকে আন্তর্জাতিক এক্সচেঞ্জ কার্যক্রমের উপযোগী করে গড়ে তোলার বিষয়ে আলোচনা করা হয়।অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইয়াস-বিএইউয়ের লোকাল ডিরেক্টর কে এম আসিফ আল-রেহমান সাম্য, জাতীয় এক্সচেঞ্জ সমন্বয়ক নাফিস উদ্দিন এবং কোফ্রুট লাইফের প্রতিষ্ঠাতা খালিদ আহসান নাবিদ। এ ছাড়া দেশের ছয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইয়াসের স্থানীয় কমিটির প্রায় ৭০ জন প্রতিনিধি ও সমন্বয়ক এতে অংশ নেন।অংশগ্রহণকারী বিশ্ববিদ্যালয়গুলো হলো বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, তিস্তা ইউনিভার্সিটি এবং ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস, এগ্রিকালচার অ্যান্ড টেকনোলজি।দিনব্যাপী আয়োজনটি দুই পর্বে অনুষ্ঠিত হয়। সকালে প্রথম পর্বে এক্সচেঞ্জ বুটক্যাম্প, এক্সচেঞ্জ কার্যক্রমের মৌলিক বিষয় নিয়ে আলোচনা এবং অংশগ্রহণকারী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে হোস্ট পিচ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীরা এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রামের উদ্দেশ্য, বাস্তবায়ন পরিকল্পনা ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে নিজেদের পরিকল্পনা তুলে ধরেন। এ সময় স্থানীয় পর্যায়ে এক্সচেঞ্জ কার্যক্রম সম্প্রসারণের বিভিন্ন সম্ভাবনাও আলোচনায় উঠে আসে।বিকেল ৩টায় শুরু হয় দ্বিতীয় পর্ব। এতে ‘নো ইচ আদার’ শীর্ষক পরিচিতিমূলক পর্বের পর অংশগ্রহণকারীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি জাদুঘর পরিদর্শন করেন। পরে হোস্ট পিচ প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার ও সনদ তুলে দেওয়া হয়। সবশেষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে আয়োজনের সমাপ্তি ঘটে।আয়োজনের বিষয়ে ইয়াস-বিএইউয়ের লোকাল ডিরেক্টর কে এম আসিফ আল-রেহমান সাম্য বলেন, এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য ইয়াস বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানীয় কমিটির এক্সচেঞ্জ সমন্বয়ক ও প্রতিনিধিদের একত্র করা এবং আন্তর্জাতিক এক্সচেঞ্জ কার্যক্রম সম্পর্কে জ্ঞান, অভিজ্ঞতা ও ধারণা বিনিময়ের সুযোগ তৈরি করা।   এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
১৭ ঘন্টা আগে

৭৫ বছরেও অচিহ্নিত তৎকালীন জগন্নাথ কলেজের ভাষাশহীদ রফিকের কবর

৭৫ বছরেও অচিহ্নিত তৎকালীন জগন্নাথ কলেজের ভাষাশহীদ রফিকের কবর

বাকৃবিতে নেক্সকো ২০২৬, একত্রিত ছয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ইয়াস প্রতিনিধিরা

বাকৃবিতে নেক্সকো ২০২৬, একত্রিত ছয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ইয়াস প্রতিনিধিরা

ইজরাইলের নির্বাচনী সমীকরণ: নেতানিয়াহুর পতনের ঘণ্টা, আরবদের উত্থান ও গাজার রাজনৈতিক মূল্য

ইজরাইলের নির্বাচনী সমীকরণ: নেতানিয়াহুর পতনের ঘণ্টা, আরবদের উত্থান ও গাজার রাজনৈতিক মূল্য

বাবার স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিয়ে জাতীয় ব্যাডমিন্টনে শিরোপা জিতলেন যবিপ্রবির লিকা পোদ্দার

বাবার স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিয়ে জাতীয় ব্যাডমিন্টনে শিরোপা জিতলেন যবিপ্রবির লিকা পোদ্দার

বিহারি জনগোষ্ঠী: দেশভাগ থেকে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব

বিহারি জনগোষ্ঠী: দেশভাগ থেকে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব

গণঅধিকার পরিষদ ঢাকা দক্ষিণের সভাপতি জাহের, সেক্রেটারি ইউনূস

গণঅধিকার পরিষদ ঢাকা দক্ষিণের সভাপতি জাহের, সেক্রেটারি ইউনূস

জলঢাকায় বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস-২০২৬ পালিত

জলঢাকায় বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস-২০২৬ পালিত

থানচিতে আইনশৃঙ্খলা ও উন্নয়ন সমন্বয় সভায় জোরদার পদক্ষেপ

থানচিতে আইনশৃঙ্খলা ও উন্নয়ন সমন্বয় সভায় জোরদার পদক্ষেপ

সাইবার বুলিং ও অবমাননাকর স্ট্যাটাস না দেওয়ার আহ্বান কুবি প্রশাসনের

সাইবার বুলিং ও অবমাননাকর স্ট্যাটাস না দেওয়ার আহ্বান কুবি প্রশাসনের

জবির বিতর্ক সংগঠনের নির্বাচন নিয়ে তিন দফা দাবি

জবির বিতর্ক সংগঠনের নির্বাচন নিয়ে তিন দফা দাবি

৭৫ বছরেও অচিহ্নিত তৎকালীন জগন্নাথ কলেজের ভাষাশহীদ রফিকের কবর

মাতৃভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠায় বায়ান্নর একুশে ফেব্রুয়ারিতে প্রথম বুকের রক্ত ঢেলে দিয়েছিলেন তৎকালীন জগন্নাথ কলেজের (আজকের জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়) শিক্ষার্থী রফিক উদ্দিন আহমেদ। পুলিশের গুলিতে মাত্র ২৫ বছর বয়সে প্রাণ হারানো এই ভাষাসৈনিকের জন্মের এক শতাব্দী পূর্ণ হলো গতকাল শুক্রবার (৩০ অক্টোবর)। অথচ ভাষার জন্য সর্বোচ্চ আত্মত্যাগের প্রায় ৭৫ বছর পরও শনাক্ত করা যায়নি তার কবরের সুনির্দিষ্ট অবস্থান। ঢাকার আজিমপুর কবরস্থানে সমাহিত ভাষা আন্দোলনের প্রথম শহীদের সমাধি আজও রয়ে গেছে অচিহ্নিত।১৯২৬ সালের ৩০ অক্টোবর মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার পারিল বলধারা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন রফিক উদ্দিন আহমেদ। শৈশব ও কৈশোর কাটে নিজ গ্রামেই। ১৯৪৯ সালে স্থানীয় বায়রা উচ্চবিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ভর্তি হন মানিকগঞ্জের দেবেন্দ্র কলেজে। তবে পারিবারিক প্রয়োজনে সেখানে পড়াশোনা শেষ করতে পারেননি। পরবর্তী সময়ে ঢাকায় এসে বাবার মুদ্রণ ব্যবসায় যুক্ত হন। পাশাপাশি পড়াশোনা চালিয়ে যেতে ভর্তি হন তৎকালীন জগন্নাথ কলেজের (আজকের জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়) হিসাববিজ্ঞান বিভাগে।তখন পূর্ব বাংলাজুড়ে রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে আন্দোলন ক্রমেই তীব্র হয়ে উঠছিল। মাতৃভাষার স্বীকৃতির দাবিতে ছাত্রসমাজের প্রতিবাদ ও আন্দোলনে উত্তাল হয়ে ওঠে ঢাকার রাজপথ। সেই আন্দোলনের সঙ্গে একাত্ম হন জগন্নাথ কলেজের তরুণ শিক্ষার্থী রফিকও।১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে পাকিস্তান সরকারের জারি করা ১৪৪ ধারা অমান্য করে রাজপথে নামেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ কলেজসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। আন্দোলনকারীদের মিছিল ঢাকা মেডিকেল কলেজের ছাত্রাবাসসংলগ্ন এলাকায় পৌঁছালে পুলিশ গুলিবর্ষণ করে। এ সময় একটি গুলি সরাসরি রফিকের মাথায় বিদ্ধ হয়। মাথার খুলি চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান তিনি।সেদিন ঢাকা মেডিকেল কলেজের ছাত্রাবাসের ১৭ নম্বর কক্ষের পূর্ব পাশে পড়ে ছিল রফিকের নিথর দেহ। গুলির আঘাতে তার মাথার খুলি ভেঙে মস্তিষ্কের অংশ ছড়িয়ে পড়ে আশপাশে। পরে আন্দোলনকারীরা মরদেহ উদ্ধার করে মেডিকেল কলেজের অ্যানাটমি হলের পেছনের বারান্দায় নিয়ে যান। সেখান থেকে মরদেহ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয় পুলিশ।ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসে রফিকের মরদেহের আলোকচিত্রও বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। তৎকালীন ঢাকা মেডিকেল কলেজের আলোকচিত্রী আমানুল হক পুলিশের কঠোর নজরদারি এড়িয়ে হাসপাতালের পেছনের একটি কক্ষে গিয়ে তার মরদেহের ছবি ধারণ করেন। পরবর্তী সময়ে ছবিটি দৈনিক আজাদ পত্রিকায় প্রকাশের উদ্যোগ নেওয়া হলেও পুলিশের বাধায় তা সম্ভব হয়নি। পত্রিকার মুদ্রিত কপি বাজেয়াপ্ত করা হয়। পরে ছবিটি প্রকাশ্যে এলে তা ভাষা আন্দোলনে পুলিশের গুলিবর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের অন্যতম ঐতিহাসিক সাক্ষ্য হয়ে ওঠে।তবে রফিকের আত্মত্যাগের ইতিহাস স্পষ্ট হলেও তার শেষ ঠিকানার অবস্থান ততটাই অনিশ্চিত। ২১ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত আনুমানিক তিনটার দিকে কঠোর সামরিক পাহারায় ঢাকার আজিমপুর কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। সে সময় কবরের কোনো স্থায়ী চিহ্ন রাখা হয়নি। ফলে পরবর্তী সময়ে তার সমাধির সুনির্দিষ্ট অবস্থান শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।যার রক্তে রচিত হয়েছিল মাতৃভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামের এক গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়, তার সমাধিস্থল আজও নির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করা যায়নি। ভাষা আন্দোলনের প্রথম শহীদ হিসেবে ইতিহাসে অমর হয়ে থাকলেও আজিমপুর কবরস্থানের কোথায় তিনি চিরনিদ্রায় শায়িত, তা রয়ে গেছে অজানা।ভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠায় অসামান্য আত্মত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০০০ সালে রফিক উদ্দিন আহমেদকে মরণোত্তর একুশে পদকে ভূষিত করা হয়। তার স্মৃতি সংরক্ষণে জন্মস্থান পারিল গ্রামের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় রফিকনগর। তবে জন্মের এক শতাব্দী পূর্ণ হলেও তার সমাধির সুনির্দিষ্ট অবস্থান আজও অশনাক্ত রয়ে গেছে।এদিকে ভাষাশহীদ রফিকের স্মৃতি জড়িয়ে আছে পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে। তৎকালীন জগন্নাথ কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন তিনি। ২০০৫ সালে কলেজটি বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরিত হওয়ার পরও প্রতিষ্ঠানটির ইতিহাসে বিশেষ মর্যাদায় উচ্চারিত হয়ে আসছে তার নাম।ভাষা আন্দোলনে এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সাবেক শিক্ষার্থীর আত্মত্যাগকে স্মরণীয় করে রাখতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের একটি একাডেমিক ভবনের নামকরণ করা হয়েছে ‘ভাষাশহীদ রফিক ভবন’। বর্তমানে ভবনটিতে বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পাঠদান কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। প্রতিদিন অসংখ্য শিক্ষার্থীর পদচারণায় মুখরিত এই ভবন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে ভাষা আন্দোলনের ঐতিহাসিক সম্পর্কের স্মারক হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষার সংগ্রামে জীবন উৎসর্গ করেছিলেন রফিক উদ্দিন আহমেদ। তার আত্মত্যাগ ভাষা আন্দোলনকে নতুন মাত্রা দেয় এবং বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিকে আরও জোরালো করে তোলে। সেই আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ১৯৫৬ সালে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে সাংবিধানিক স্বীকৃতি পায় বাংলা।শতবর্ষ পেরিয়ে গেলেও ভাষাশহীদ রফিকের আত্মত্যাগ বাঙালির ইতিহাসে অমলিন। অথচ যে তরুণ মাতৃভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠায় নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন তার কবরের সুনির্দিষ্ট অবস্থান আজও অজানা। ইতিহাসের পাতায় অমর হয়ে থাকলেও শেষ ঠিকানায় কোনো চিহ্ন নেই ভাষা আন্দোলনের প্রথম শহীদ রফিক উদ্দিন আহমেদের।

৭৫ বছরেও অচিহ্নিত তৎকালীন জগন্নাথ কলেজের ভাষাশহীদ রফিকের কবর
২৭ জানুয়ারি ২০২৬, ০৯:১৮ পিএম
ভোট হয়ে যাক! মাঠের লড়াইয়ের আগে অনলাইনের লড়াইয়ে কে এগিয়ে?

ভোট হয়ে যাক! মাঠের লড়াইয়ের আগে অনলাইনের লড়াইয়ে কে এগিয়ে?

  বিএনপি
  জামাতে ইসলামী
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ ৩ জন