ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

ষাটগম্বুজ মসজিদ নির্মাণে লেগেছিল ১২ বছর, নামকরণের ইতিহাস নিয়ে মতভেদ



ষাটগম্বুজ মসজিদ নির্মাণে লেগেছিল ১২ বছর, নামকরণের ইতিহাস নিয়ে মতভেদ
ষাট গম্বুজ মসজিদ

বাংলাদেশের মুসলিম স্থাপত্যের অন্যতম নিদর্শন বাগেরহাটের ঐতিহাসিক ষাটগম্বুজ মসজিদ। প্রাচীন স্থাপত্যশৈলী, বিশাল আয়তন ও ঐতিহাসিক গুরুত্বের কারণে দেশ-বিদেশের পর্যটকদের কাছে মসজিদটি আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু।

ঐতিহাসিক এই মসজিদ নির্মাণে প্রায় ১০ থেকে ১২ বছর সময় লেগেছিল বলে জানা যায়। তবে মসজিদটির নামকরণের ইতিহাস নিয়ে ইতিহাসবিদদের মধ্যে রয়েছে মতভেদ।

বাগেরহাটের ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলোর মধ্যে ষাটগম্বুজ মসজিদ অন্যতম। ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো বাগেরহাটের ঐতিহাসিক মসজিদ নগরীকে বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে। মসজিদটি নির্মাণের সঙ্গে খান জাহান আলী (রহ.)-এর নাম জড়িয়ে রয়েছে। তিনি এই অঞ্চলে ইসলামের প্রচার ও জনকল্যাণমূলক বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

মসজিদটির নাম ষাটগম্বুজ হলেও এর ছাদে রয়েছে ৭৭টি গম্বুজ। চার কোণের চারটি বুরুজসহ মোট সংখ্যা দাঁড়ায় ৮১টি। মসজিদের অভ্যন্তরে রয়েছে সারিবদ্ধ স্তম্ভ ও অসংখ্য খিলান, যা এর অনন্য স্থাপত্যশৈলীর পরিচয় বহন করে।

মসজিদটির নামকরণ নিয়ে বিভিন্ন মত প্রচলিত রয়েছে। কোনো কোনো ইতিহাসবিদের মতে, মসজিদের ছাদে থাকা গম্বুজের সংখ্যা ও স্থাপত্য বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে নামটির সম্পর্ক রয়েছে। আবার অন্যদের মতে, নামটি স্থানীয় উচ্চারণ ও ঐতিহাসিক বিবর্তনের মাধ্যমে প্রচলিত হয়েছে। তবে নামকরণের সঠিক ইতিহাস নিয়ে এখনো মতভেদ রয়েছে।

ঐতিহাসিক এই মসজিদ দেখতে প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পর্যটক ও দর্শনার্থীরা বাগেরহাটে আসেন। বিশেষ করে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের আগমনে মসজিদ প্রাঙ্গণে তৈরি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ। দর্শনার্থীরা মসজিদের স্থাপত্য, অভ্যন্তরের কারুকার্য ও ঐতিহাসিক নিদর্শন ঘুরে দেখেন।

আপনার মতামত লিখুন

ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬


ষাটগম্বুজ মসজিদ নির্মাণে লেগেছিল ১২ বছর, নামকরণের ইতিহাস নিয়ে মতভেদ

প্রকাশের তারিখ : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

বাংলাদেশের মুসলিম স্থাপত্যের অন্যতম নিদর্শন বাগেরহাটের ঐতিহাসিক ষাটগম্বুজ মসজিদ। প্রাচীন স্থাপত্যশৈলী, বিশাল আয়তন ও ঐতিহাসিক গুরুত্বের কারণে দেশ-বিদেশের পর্যটকদের কাছে মসজিদটি আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু।

ঐতিহাসিক এই মসজিদ নির্মাণে প্রায় ১০ থেকে ১২ বছর সময় লেগেছিল বলে জানা যায়। তবে মসজিদটির নামকরণের ইতিহাস নিয়ে ইতিহাসবিদদের মধ্যে রয়েছে মতভেদ।

বাগেরহাটের ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলোর মধ্যে ষাটগম্বুজ মসজিদ অন্যতম। ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো বাগেরহাটের ঐতিহাসিক মসজিদ নগরীকে বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে। মসজিদটি নির্মাণের সঙ্গে খান জাহান আলী (রহ.)-এর নাম জড়িয়ে রয়েছে। তিনি এই অঞ্চলে ইসলামের প্রচার ও জনকল্যাণমূলক বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

মসজিদটির নাম ষাটগম্বুজ হলেও এর ছাদে রয়েছে ৭৭টি গম্বুজ। চার কোণের চারটি বুরুজসহ মোট সংখ্যা দাঁড়ায় ৮১টি। মসজিদের অভ্যন্তরে রয়েছে সারিবদ্ধ স্তম্ভ ও অসংখ্য খিলান, যা এর অনন্য স্থাপত্যশৈলীর পরিচয় বহন করে।

মসজিদটির নামকরণ নিয়ে বিভিন্ন মত প্রচলিত রয়েছে। কোনো কোনো ইতিহাসবিদের মতে, মসজিদের ছাদে থাকা গম্বুজের সংখ্যা ও স্থাপত্য বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে নামটির সম্পর্ক রয়েছে। আবার অন্যদের মতে, নামটি স্থানীয় উচ্চারণ ও ঐতিহাসিক বিবর্তনের মাধ্যমে প্রচলিত হয়েছে। তবে নামকরণের সঠিক ইতিহাস নিয়ে এখনো মতভেদ রয়েছে।

ঐতিহাসিক এই মসজিদ দেখতে প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পর্যটক ও দর্শনার্থীরা বাগেরহাটে আসেন। বিশেষ করে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের আগমনে মসজিদ প্রাঙ্গণে তৈরি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ। দর্শনার্থীরা মসজিদের স্থাপত্য, অভ্যন্তরের কারুকার্য ও ঐতিহাসিক নিদর্শন ঘুরে দেখেন।


ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

“তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম”

কপিরাইট © ২০২৬ ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত