ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

কর্দমাক্ত মাঠ ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে চলছে পাঠদান, দুর্ভোগে ভট্ট প্রতাপ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা



কর্দমাক্ত মাঠ ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে চলছে পাঠদান, দুর্ভোগে ভট্ট প্রতাপ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা

বাগেরহাট সদর উপজেলার ভট্ট প্রতাপ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন ধরে কর্দমাক্ত মাঠ ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে শিক্ষা কার্যক্রম চলছে। জরাজীর্ণ ভবন পরিত্যক্ত ঘোষণার পর নতুন ভবন নির্মাণ না হওয়ায় টিনশেডের মাত্র তিনটি কক্ষে বাধ্য হয়ে পাঠদান করতে হচ্ছে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ১৯৬২ সালে প্রতিষ্ঠিত বিদ্যালয়টির পুরোনো ভবনটি ২০২২ সালে পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়। এরপর থেকে নতুন ভবন নির্মাণ না হওয়ায় টিনশেডের তিন কক্ষের একটি ঘরে পাঠদান কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে চলা এই সংকটে বিদ্যালয়ের স্বাভাবিক শিক্ষা পরিবেশ ব্যাহত হচ্ছে।

বিদ্যালয়ের মাঠের অবস্থা আরও নাজুক। সামান্য বৃষ্টি হলেই মাঠে পানি জমে যায়। অনেক সময় সেই পানি বিদ্যালয়ের ভেতরেও ঢুকে পড়ে। ফলে শিক্ষার্থীদের চলাচল ও পাঠদানে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়। কর্দমাক্ত মাঠ ও জলাবদ্ধতার কারণে বিদ্যালয়ের পরিবেশ হয়ে উঠেছে অস্বাস্থ্যকর।

এদিকে, বিদ্যালয়ে বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকায় গরমের সময় টিনশেডের কক্ষে ক্লাস করা শিক্ষার্থীদের জন্য অত্যন্ত কষ্টকর হয়ে পড়ে। প্রচণ্ড গরমে শিশুদের পাঠগ্রহণে মনোযোগ ধরে রাখা কঠিন হয়ে যায়। প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও বিদ্যুৎ সুবিধার অভাবে শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।

অভিভাবকরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত সমস্যার সমাধান না হওয়ায় তারা উদ্বিগ্ন। কোমলমতি শিশুদের নিরাপদ ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশে পাঠদানের জন্য দ্রুত নতুন ভবন নির্মাণ, মাঠের জলাবদ্ধতা নিরসন এবং বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

আপনার মতামত লিখুন

ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬


কর্দমাক্ত মাঠ ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে চলছে পাঠদান, দুর্ভোগে ভট্ট প্রতাপ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা

প্রকাশের তারিখ : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

বাগেরহাট সদর উপজেলার ভট্ট প্রতাপ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন ধরে কর্দমাক্ত মাঠ ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে শিক্ষা কার্যক্রম চলছে। জরাজীর্ণ ভবন পরিত্যক্ত ঘোষণার পর নতুন ভবন নির্মাণ না হওয়ায় টিনশেডের মাত্র তিনটি কক্ষে বাধ্য হয়ে পাঠদান করতে হচ্ছে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ১৯৬২ সালে প্রতিষ্ঠিত বিদ্যালয়টির পুরোনো ভবনটি ২০২২ সালে পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়। এরপর থেকে নতুন ভবন নির্মাণ না হওয়ায় টিনশেডের তিন কক্ষের একটি ঘরে পাঠদান কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে চলা এই সংকটে বিদ্যালয়ের স্বাভাবিক শিক্ষা পরিবেশ ব্যাহত হচ্ছে।

বিদ্যালয়ের মাঠের অবস্থা আরও নাজুক। সামান্য বৃষ্টি হলেই মাঠে পানি জমে যায়। অনেক সময় সেই পানি বিদ্যালয়ের ভেতরেও ঢুকে পড়ে। ফলে শিক্ষার্থীদের চলাচল ও পাঠদানে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়। কর্দমাক্ত মাঠ ও জলাবদ্ধতার কারণে বিদ্যালয়ের পরিবেশ হয়ে উঠেছে অস্বাস্থ্যকর।

এদিকে, বিদ্যালয়ে বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকায় গরমের সময় টিনশেডের কক্ষে ক্লাস করা শিক্ষার্থীদের জন্য অত্যন্ত কষ্টকর হয়ে পড়ে। প্রচণ্ড গরমে শিশুদের পাঠগ্রহণে মনোযোগ ধরে রাখা কঠিন হয়ে যায়। প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও বিদ্যুৎ সুবিধার অভাবে শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।

অভিভাবকরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত সমস্যার সমাধান না হওয়ায় তারা উদ্বিগ্ন। কোমলমতি শিশুদের নিরাপদ ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশে পাঠদানের জন্য দ্রুত নতুন ভবন নির্মাণ, মাঠের জলাবদ্ধতা নিরসন এবং বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।


ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

“তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম”

কপিরাইট © ২০২৬ ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত