প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
দৈনিক প্রায় ১৮-১৯ ঘণ্টা কাজ করছেন বলে জানিয়েছেন গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া
তাহের। তিনি বলেন, ‘তলাবিহীন ঝুড়ি থেকে দেশকে উঠিয়ে আনতে প্রধানমন্ত্রী দিন নেই, রাত
নেই, দৈনিক প্রায় ১৭, ১৮, ১৯ ঘণ্টা কাজ করছেন।’
আজ শনিবার (৮ আগস্ট) কুমিল্লায় জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদদের স্মরণে
আয়োজিত আলোচনাসভা এবং শহীদ পরিবারের সদস্যদের সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন
তিনি।
তিনি বলেন, ‘জুলাইযোদ্ধারা জীবন দিয়ে আমাদের আজকে আরেকবার স্বাধীন
করে দিয়ে গেল, এটা যেন শুধু মুখেই না থাকে। এটা যেন কাজেও আমরা প্রমাণ করতে পারি।
সুন্দর একটা বাংলাদেশ গড়ে যেন আমরা তাদের আশাটা পূরণ করতে পারি।’
মন্ত্রী আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী দিন নেই, রাত
নেই, দৈনিক প্রায় ১৭, ১৮, ১৯ ঘণ্টা কাজ করছেন। কারণ ১৫ বছরের দুঃশাসনে এই দেশ জর্জরিত
হয়েছিল, তলাবিহীন ঝুড়ি হয়ে গিয়েছিল। সেটাকে উঠিয়ে আনতে একটু সময় লাগবে। তবে আপনারা
যদি পাশে থাকেন, যে যার জায়গা থেকে যদি সহায়তা করেন, ইনশাআল্লাহ এই দেশ ঘুরে দাঁড়াবে।’
তিনি উল্লেখ করেন, ‘পাঁচটা বছর যদি আমরা ঠিকমতো কাজ করতে পারি,
ইনশাআল্লাহ এই দেশের চেহারা বদলাবে।’
জাকারিয়া তাহের বলেন, ‘কুমিল্লার যেসব জুলাইযোদ্ধা শহীদ হয়েছেন,
তাদের পরিবারকে আশ্বস্ত করতে চাই, দেশের অন্যান্য শহীদ পরিবারের মতো সমানভাবেই মূল্যায়িত
হবেন এবং সরকারি সব সুবিধা পাবেন।’
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
বিষয় : প্রধানমন্ত্রী গণপূর্তমন্ত্রী
.png)
রোববার, ০৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ আগস্ট ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
দৈনিক প্রায় ১৮-১৯ ঘণ্টা কাজ করছেন বলে জানিয়েছেন গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া
তাহের। তিনি বলেন, ‘তলাবিহীন ঝুড়ি থেকে দেশকে উঠিয়ে আনতে প্রধানমন্ত্রী দিন নেই, রাত
নেই, দৈনিক প্রায় ১৭, ১৮, ১৯ ঘণ্টা কাজ করছেন।’
আজ শনিবার (৮ আগস্ট) কুমিল্লায় জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদদের স্মরণে
আয়োজিত আলোচনাসভা এবং শহীদ পরিবারের সদস্যদের সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন
তিনি।
তিনি বলেন, ‘জুলাইযোদ্ধারা জীবন দিয়ে আমাদের আজকে আরেকবার স্বাধীন
করে দিয়ে গেল, এটা যেন শুধু মুখেই না থাকে। এটা যেন কাজেও আমরা প্রমাণ করতে পারি।
সুন্দর একটা বাংলাদেশ গড়ে যেন আমরা তাদের আশাটা পূরণ করতে পারি।’
মন্ত্রী আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী দিন নেই, রাত
নেই, দৈনিক প্রায় ১৭, ১৮, ১৯ ঘণ্টা কাজ করছেন। কারণ ১৫ বছরের দুঃশাসনে এই দেশ জর্জরিত
হয়েছিল, তলাবিহীন ঝুড়ি হয়ে গিয়েছিল। সেটাকে উঠিয়ে আনতে একটু সময় লাগবে। তবে আপনারা
যদি পাশে থাকেন, যে যার জায়গা থেকে যদি সহায়তা করেন, ইনশাআল্লাহ এই দেশ ঘুরে দাঁড়াবে।’
তিনি উল্লেখ করেন, ‘পাঁচটা বছর যদি আমরা ঠিকমতো কাজ করতে পারি,
ইনশাআল্লাহ এই দেশের চেহারা বদলাবে।’
জাকারিয়া তাহের বলেন, ‘কুমিল্লার যেসব জুলাইযোদ্ধা শহীদ হয়েছেন,
তাদের পরিবারকে আশ্বস্ত করতে চাই, দেশের অন্যান্য শহীদ পরিবারের মতো সমানভাবেই মূল্যায়িত
হবেন এবং সরকারি সব সুবিধা পাবেন।’
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
আপনার মতামত লিখুন