ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

অবৈধ কারেন্ট জাল ও চায়না দুয়ারির বিরুদ্ধে কুড়িগ্রামে অভিযান



অবৈধ কারেন্ট জাল ও চায়না দুয়ারির বিরুদ্ধে কুড়িগ্রামে অভিযান
ছবি: সংগৃহীত

কুড়িগ্রামের সব উপজেলায় এক যোগে অবৈধ কারেন্ট জাল ও চায়না দুয়ারি (রিং) জালের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করেছে জেলা প্রশাসন।

গতকাল মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দিনব্যাপী পরিচালিত এ অভিযানে জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে ১৭৪টি চায়না দুয়ারি (রিং) জাল ও ৫২টি কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়। যা পরে জব্দ করা জালগুলো জনসম্মুখে আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয়। এ ছাড়া কারেন্ট জাল ব্যবহার করে মাছ ধরার অপরাধে জড়িতদের ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অর্থদণ্ড করা হয়েছে।

জেলা প্রশাসন সূত্র হতে জানা যায়, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে গঠিত ভ্রাম্যমাণ আদালত স্থানীয় থানা পুলিশের সহযোগিতায় নিজ নিজ উপজেলায় অভিযান পরিচালনা করেন।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা জহিরুল ইসলাম আকন্দ বলেন, ‘বর্তমানে মাছের প্রজনন মৌসুম চলছে। এ সময়ে অসাধু ব্যক্তিরা চায়না দুয়ারি জাল ও বৈদ্যুতিক শক ব্যবহার করে রেণুসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ নিধন করছে। এতে দেশীয় মাছের উৎপাদন কমে যাওয়ার পাশাপাশি জলজ জীববৈচিত্র্যও হুমকির মুখে পড়ছে। এসব অবৈধ কর্মকাণ্ড বন্ধে স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতায় নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।’

কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ বলেন, ‘কারেন্ট জাল ও চায়না দুয়ারির মতো ধ্বংসাত্মক জাল নদ-নদীর রেণু ও প্রজননক্ষম মাছ ধ্বংস করছে। মৎস্যসম্পদ রক্ষা করা সবার দায়িত্ব। অবৈধ জালের ব্যবহার, সংরক্ষণ ও বেচাকেনার বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসনের অভিযান নিয়মিতভাবে চলবে।’

 

 

 

এনএম/ধ্রুবকন্ঠ

বিষয় : অবৈধ কারেন্ট চায়না দুয়ারি

আপনার মতামত লিখুন

ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬


অবৈধ কারেন্ট জাল ও চায়না দুয়ারির বিরুদ্ধে কুড়িগ্রামে অভিযান

প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুলাই ২০২৬

featured Image

কুড়িগ্রামের সব উপজেলায় এক যোগে অবৈধ কারেন্ট জাল ও চায়না দুয়ারি (রিং) জালের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করেছে জেলা প্রশাসন।

গতকাল মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দিনব্যাপী পরিচালিত এ অভিযানে জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে ১৭৪টি চায়না দুয়ারি (রিং) জাল ও ৫২টি কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়। যা পরে জব্দ করা জালগুলো জনসম্মুখে আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয়। এ ছাড়া কারেন্ট জাল ব্যবহার করে মাছ ধরার অপরাধে জড়িতদের ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অর্থদণ্ড করা হয়েছে।

জেলা প্রশাসন সূত্র হতে জানা যায়, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে গঠিত ভ্রাম্যমাণ আদালত স্থানীয় থানা পুলিশের সহযোগিতায় নিজ নিজ উপজেলায় অভিযান পরিচালনা করেন।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা জহিরুল ইসলাম আকন্দ বলেন, ‘বর্তমানে মাছের প্রজনন মৌসুম চলছে। এ সময়ে অসাধু ব্যক্তিরা চায়না দুয়ারি জাল ও বৈদ্যুতিক শক ব্যবহার করে রেণুসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ নিধন করছে। এতে দেশীয় মাছের উৎপাদন কমে যাওয়ার পাশাপাশি জলজ জীববৈচিত্র্যও হুমকির মুখে পড়ছে। এসব অবৈধ কর্মকাণ্ড বন্ধে স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতায় নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।’

কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ বলেন, ‘কারেন্ট জাল ও চায়না দুয়ারির মতো ধ্বংসাত্মক জাল নদ-নদীর রেণু ও প্রজননক্ষম মাছ ধ্বংস করছে। মৎস্যসম্পদ রক্ষা করা সবার দায়িত্ব। অবৈধ জালের ব্যবহার, সংরক্ষণ ও বেচাকেনার বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসনের অভিযান নিয়মিতভাবে চলবে।’

 

 

 

এনএম/ধ্রুবকন্ঠ


ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

“তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম”

কপিরাইট © ২০২৬ ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত