অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রেসসচিব শফিকুল আলম বলেন,
‘যারা নির্বাচন নিয়ে সংশয় প্রকাশ করছেন,
তাদের অনেকের পেছনের ইতিহাস আমরা জানি। তারা গত সাড়ে ১৫ বছরে কী পরিমাণ দালালি করেছেন,
সেটা আমাদের অজানা নয়। তাই এ ধরনের বক্তব্যে আমরা অবাক হচ্ছি না।’
আজ মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম এই কথা বলেন। এ সময় তিনি প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির (নিকার) ১১৯তম সভার সিদ্ধান্তও তুলে ধরেন।
মঙ্গলবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির (নিকার) ১১৯তম সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের আগেই লুট হওয়া অস্ত্র যেকোনোভাবে এবং যত দ্রুত সম্ভব উদ্ধার করার ওপর জোর দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেছেন, ‘লুট হওয়া অস্ত্র যেভাবেই হোক নির্বাচনের আগেই উদ্ধার করতে হবে।’
সভা শেষে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে প্রেসসচিব শফিকুল আলম বলেন,
‘মত প্রকাশের স্বাধীনতা সবার আছে, সবাই
কথা বলতেই পারেন।
তবে নির্বাচন নিয়ে
সরকারের অবস্থান একেবারে পরিষ্কার। আগামী ফেব্রুয়ারি মাসের
১২ তারিখেই নির্বাচন হবে। নির্বাচন এর
একদিন আগেও হবে
না, একদিন পরেও
হবে না। নির্ধারিত দিনেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং তা
খুব সুন্দরভাবে সম্পন্ন হবে বলে সরকার
দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে।‘
ব্রিফিংয়ে প্রধান
উপদেষ্টার উপ-প্রেস
সচিব আবুল কালাম
আজাদ মজুমদার বলেন,
‘নির্বাচন হবে
না— এমন বক্তব্য যারা দিচ্ছেন, তাদের
কাছে এর পেছনের
যুক্তি জানতে চাওয়া
উচিত।‘
তিনি বলেন, ‘কেউ
যদি নির্বাচন হবে
না—এ দাবির
পেছনে কোনো যৌক্তিক বা বাস্তব কারণ
দেখাতে না পারেন,
তাহলে সেটিকে গণতন্ত্রবিরোধী ও নির্বাচনবিরোধী প্রোপাগান্ডা হিসেবে
ধরে নিতে হবে।’
তিনি আরও বলেন,
নির্ধারিত সময়েই
নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং সে
লক্ষ্যেই প্রশাসনিক ও আইন-শৃঙ্খলাসংক্রান্ত প্রস্তুতি জোরদার
করা হচ্ছে।
সামাজিক মাধ্যমে নির্বাচন নিয়ে
ছড়ানো গুজব দেশের
মানুষ বিশ্বাস করে
না বলে ব্রিফিংয়ে উল্লেখ করেন প্রেসসচিব শফিকুল আলম।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
বিষয় : নির্বাচন প্রেসসচিব প্রধান উপদেষ্টা
.png)
রোববার, ১২ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ জানুয়ারি ২০২৬
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রেসসচিব শফিকুল আলম বলেন,
‘যারা নির্বাচন নিয়ে সংশয় প্রকাশ করছেন,
তাদের অনেকের পেছনের ইতিহাস আমরা জানি। তারা গত সাড়ে ১৫ বছরে কী পরিমাণ দালালি করেছেন,
সেটা আমাদের অজানা নয়। তাই এ ধরনের বক্তব্যে আমরা অবাক হচ্ছি না।’
আজ মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম এই কথা বলেন। এ সময় তিনি প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির (নিকার) ১১৯তম সভার সিদ্ধান্তও তুলে ধরেন।
মঙ্গলবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির (নিকার) ১১৯তম সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের আগেই লুট হওয়া অস্ত্র যেকোনোভাবে এবং যত দ্রুত সম্ভব উদ্ধার করার ওপর জোর দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেছেন, ‘লুট হওয়া অস্ত্র যেভাবেই হোক নির্বাচনের আগেই উদ্ধার করতে হবে।’
সভা শেষে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে প্রেসসচিব শফিকুল আলম বলেন,
‘মত প্রকাশের স্বাধীনতা সবার আছে, সবাই
কথা বলতেই পারেন।
তবে নির্বাচন নিয়ে
সরকারের অবস্থান একেবারে পরিষ্কার। আগামী ফেব্রুয়ারি মাসের
১২ তারিখেই নির্বাচন হবে। নির্বাচন এর
একদিন আগেও হবে
না, একদিন পরেও
হবে না। নির্ধারিত দিনেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং তা
খুব সুন্দরভাবে সম্পন্ন হবে বলে সরকার
দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে।‘
ব্রিফিংয়ে প্রধান
উপদেষ্টার উপ-প্রেস
সচিব আবুল কালাম
আজাদ মজুমদার বলেন,
‘নির্বাচন হবে
না— এমন বক্তব্য যারা দিচ্ছেন, তাদের
কাছে এর পেছনের
যুক্তি জানতে চাওয়া
উচিত।‘
তিনি বলেন, ‘কেউ
যদি নির্বাচন হবে
না—এ দাবির
পেছনে কোনো যৌক্তিক বা বাস্তব কারণ
দেখাতে না পারেন,
তাহলে সেটিকে গণতন্ত্রবিরোধী ও নির্বাচনবিরোধী প্রোপাগান্ডা হিসেবে
ধরে নিতে হবে।’
তিনি আরও বলেন,
নির্ধারিত সময়েই
নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং সে
লক্ষ্যেই প্রশাসনিক ও আইন-শৃঙ্খলাসংক্রান্ত প্রস্তুতি জোরদার
করা হচ্ছে।
সামাজিক মাধ্যমে নির্বাচন নিয়ে
ছড়ানো গুজব দেশের
মানুষ বিশ্বাস করে
না বলে ব্রিফিংয়ে উল্লেখ করেন প্রেসসচিব শফিকুল আলম।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
আপনার মতামত লিখুন