‘পবিত্র আশুরা ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও শোকাবহ একটি দিন। ইতিহাসের এই দিনে কারবালার প্রান্তরে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা:) এর প্রিয় দৌহিত্র হযরত ইমাম হোসাইন (রা:) সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে অবিচল থেকে শাহাদাত বরণ করেন। আমরা হযরত ইমাম হোসাইন (রা:)সহ তাঁহার পরিবারের সদস্য এবং কারবালা প্রান্তরে শাহাদতবরণকারী সকল শহিদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করছি। তাঁদের আত্মত্যাগ মানবজাতির জন্য সত্য, ন্যায়, ত্যাগ ও আদর্শের এক অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে আছে।
আসুন, আমরা সবাই পবিত্র আশুরার মহান আদর্শ হৃদয়ে ধারণ করে পারস্পরিক সম্প্রীতি, সহমর্মিতা ও সৌহার্দ্যের মাধ্যমে আমরা ন্যায়ভিত্তিক, শান্তিপূর্ণ ও মানবিক সমাজ গঠনে একযোগে কাজ করি। মহান আল্লাহ তায়ালা পবিত্র আশুরার অসীম তাৎপর্য উপলব্ধি করে আমাদের সবাইকে সত্য ও ন্যায়ের পথে চলার তাওফিক দান করুন। আমিন।
পবিত্র আশুরা হলো ইসলামি বর্ষপঞ্জির প্রথম মাস মহররমের ১০ তারিখ। মুসলিম উম্মাহর জন্য দিনটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও শোকাবহ। কারবালার প্রান্তরে হযরত মুহাম্মদ (সা:)এর দৌহিত্র হযরত ইমাম হুসেইন (রা:) ও তাঁর পরিবারের শাহাদাতের স্মরণে দিনটি পালিত হয়।
আশুরার ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও গুরুত্বশোক ও আত্মত্যাগের স্মরণ: শিয়া সম্প্রদায়ের কাছে দিনটি গভীর শোক ও ত্যাগের। এ উপলক্ষে বিভিন্ন স্থানে তাজিয়া মিছিল বের করা হয়।
ঐতিহাসিক ঘটনা: সুন্নি মুসলমানরা দিনটিকে নফল রোজা, ইবাদত ও শুকরিয়া আদায়ের মাধ্যমে পালন করেন।
ঐতিহাসিক তথ্যমতে, এই দিনে আল্লাহ তাআলা হযরত মুসা (আ:) ও তাঁহার অনুসারীদের ফেরাউনের হাত থেকে মুক্ত করেছিলেন। করণীয় ও সতর্কতানফল রোজা: ১০ মহররমের পাশাপাশি ৯ বা ১১ মহররম মিলিয়ে মোট দুটি রোজা রাখা সুন্নত।
সুরক্ষা নির্দেশনা: তাজিয়া মিছিলে অংশগ্রহণকারীদের সুরক্ষায় নানাবিধ বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। মিছিলে কোনো ধরনের ধারালো অস্ত্র, লাঠি বা দাহ্য পদার্থ বহন করা নিষেধ।
.png)
শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ জুন ২০২৬
‘পবিত্র আশুরা ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও শোকাবহ একটি দিন। ইতিহাসের এই দিনে কারবালার প্রান্তরে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা:) এর প্রিয় দৌহিত্র হযরত ইমাম হোসাইন (রা:) সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে অবিচল থেকে শাহাদাত বরণ করেন। আমরা হযরত ইমাম হোসাইন (রা:)সহ তাঁহার পরিবারের সদস্য এবং কারবালা প্রান্তরে শাহাদতবরণকারী সকল শহিদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করছি। তাঁদের আত্মত্যাগ মানবজাতির জন্য সত্য, ন্যায়, ত্যাগ ও আদর্শের এক অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে আছে।
আসুন, আমরা সবাই পবিত্র আশুরার মহান আদর্শ হৃদয়ে ধারণ করে পারস্পরিক সম্প্রীতি, সহমর্মিতা ও সৌহার্দ্যের মাধ্যমে আমরা ন্যায়ভিত্তিক, শান্তিপূর্ণ ও মানবিক সমাজ গঠনে একযোগে কাজ করি। মহান আল্লাহ তায়ালা পবিত্র আশুরার অসীম তাৎপর্য উপলব্ধি করে আমাদের সবাইকে সত্য ও ন্যায়ের পথে চলার তাওফিক দান করুন। আমিন।
পবিত্র আশুরা হলো ইসলামি বর্ষপঞ্জির প্রথম মাস মহররমের ১০ তারিখ। মুসলিম উম্মাহর জন্য দিনটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও শোকাবহ। কারবালার প্রান্তরে হযরত মুহাম্মদ (সা:)এর দৌহিত্র হযরত ইমাম হুসেইন (রা:) ও তাঁর পরিবারের শাহাদাতের স্মরণে দিনটি পালিত হয়।
আশুরার ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও গুরুত্বশোক ও আত্মত্যাগের স্মরণ: শিয়া সম্প্রদায়ের কাছে দিনটি গভীর শোক ও ত্যাগের। এ উপলক্ষে বিভিন্ন স্থানে তাজিয়া মিছিল বের করা হয়।
ঐতিহাসিক ঘটনা: সুন্নি মুসলমানরা দিনটিকে নফল রোজা, ইবাদত ও শুকরিয়া আদায়ের মাধ্যমে পালন করেন।
ঐতিহাসিক তথ্যমতে, এই দিনে আল্লাহ তাআলা হযরত মুসা (আ:) ও তাঁহার অনুসারীদের ফেরাউনের হাত থেকে মুক্ত করেছিলেন। করণীয় ও সতর্কতানফল রোজা: ১০ মহররমের পাশাপাশি ৯ বা ১১ মহররম মিলিয়ে মোট দুটি রোজা রাখা সুন্নত।
সুরক্ষা নির্দেশনা: তাজিয়া মিছিলে অংশগ্রহণকারীদের সুরক্ষায় নানাবিধ বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। মিছিলে কোনো ধরনের ধারালো অস্ত্র, লাঠি বা দাহ্য পদার্থ বহন করা নিষেধ।
.png)
আপনার মতামত লিখুন