রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) ফিঙ্গারপ্রিন্টের মাধ্যমে উপস্থিতি নিশ্চিত করার উদ্যোগের বিরোধিতা করছেন কর্মকর্তাদের একটি অংশ। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্মকর্তাদের একটি গ্রুপে ফিঙ্গারপ্রিন্টে হাজিরা না দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বার্তা দেওয়া হয়েছে।
গত বুধবার (২৪ জুন) বিশ্ববিদ্যালয় অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের একটি গ্রুপে কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে ওই বার্তাটি পাঠানো হয়। সেখানে ফিঙ্গারপ্রিন্ট ব্যবস্থার বিষয়ে সবাইকে একই অবস্থানে থাকার আহ্বান জানান কর্মকর্তা ড. মো. রোকনুজ্জান।
বার্তায় বলা হয়, ফিঙ্গার, কেউ দিবে কেউ দিবে না, তা হবে না। দিলে এ টু জেড, সকলেই দিবে নয়তো কেউ নয়। পদোন্নতি সকলের অধিকার, নিয়মিত পদোন্নতি বোর্ড করতে হবে। রেজিস্ট্রার/সমমান পদে ইউজিসির নির্দেশনা মোতাবেক অফিসারদের মধ্য থেকে ফুলটাইম দায়িত্ব দিতে হবে।
এছাড়া কর্মকর্তাদের অধিকার-সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে আলোচনার জন্য বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বিকেল ৩টায় অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত থাকার আহ্বান জানানো হয়।
সূত্র জানায়, প্রথমে পাঠানো বার্তায় এটিকে অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সভা হিসেবে উল্লেখ করা হলেও পরবর্তীতে সেই বার্তাটি মুছে ফেলা হয়। পরে সংগঠনের নাম ও ‘সাধারণ সভা’ শব্দটি বাদ দিয়ে সংশোধিত বার্তা পুনরায় গ্রুপে পাঠানো হয়।
এদিকে অফিস চলাকালে এ ধরনের সভা আহ্বান এবং ফিঙ্গারপ্রিন্ট উপস্থিতি ব্যবস্থা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের আলোচনা-সমালোচনা চলছে।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ড. মো. রোকনুজ্জামানকে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।
তবে সংস্থাপন শাখা অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার ড. জিয়াউর হকের কাছে সভা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা কর্মকর্তারা আজকে একটু বসবো। অনেকে পদোন্নতি হচ্ছে না। এছাড়া বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আমরা আলোচনা করা হবে।
.png)
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জুন ২০২৬
রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) ফিঙ্গারপ্রিন্টের মাধ্যমে উপস্থিতি নিশ্চিত করার উদ্যোগের বিরোধিতা করছেন কর্মকর্তাদের একটি অংশ। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্মকর্তাদের একটি গ্রুপে ফিঙ্গারপ্রিন্টে হাজিরা না দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বার্তা দেওয়া হয়েছে।
গত বুধবার (২৪ জুন) বিশ্ববিদ্যালয় অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের একটি গ্রুপে কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে ওই বার্তাটি পাঠানো হয়। সেখানে ফিঙ্গারপ্রিন্ট ব্যবস্থার বিষয়ে সবাইকে একই অবস্থানে থাকার আহ্বান জানান কর্মকর্তা ড. মো. রোকনুজ্জান।
বার্তায় বলা হয়, ফিঙ্গার, কেউ দিবে কেউ দিবে না, তা হবে না। দিলে এ টু জেড, সকলেই দিবে নয়তো কেউ নয়। পদোন্নতি সকলের অধিকার, নিয়মিত পদোন্নতি বোর্ড করতে হবে। রেজিস্ট্রার/সমমান পদে ইউজিসির নির্দেশনা মোতাবেক অফিসারদের মধ্য থেকে ফুলটাইম দায়িত্ব দিতে হবে।
এছাড়া কর্মকর্তাদের অধিকার-সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে আলোচনার জন্য বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বিকেল ৩টায় অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত থাকার আহ্বান জানানো হয়।
সূত্র জানায়, প্রথমে পাঠানো বার্তায় এটিকে অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সভা হিসেবে উল্লেখ করা হলেও পরবর্তীতে সেই বার্তাটি মুছে ফেলা হয়। পরে সংগঠনের নাম ও ‘সাধারণ সভা’ শব্দটি বাদ দিয়ে সংশোধিত বার্তা পুনরায় গ্রুপে পাঠানো হয়।
এদিকে অফিস চলাকালে এ ধরনের সভা আহ্বান এবং ফিঙ্গারপ্রিন্ট উপস্থিতি ব্যবস্থা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের আলোচনা-সমালোচনা চলছে।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ড. মো. রোকনুজ্জামানকে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।
তবে সংস্থাপন শাখা অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার ড. জিয়াউর হকের কাছে সভা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা কর্মকর্তারা আজকে একটু বসবো। অনেকে পদোন্নতি হচ্ছে না। এছাড়া বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আমরা আলোচনা করা হবে।
.png)
আপনার মতামত লিখুন