কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) সবুজ-শ্যামল ক্যাম্পাসে পাখিদের বিচরণ ও কলকাকলি ফিরিয়ে আনতে ব্যতিক্রমী পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা। এ উদ্যোগের অংশ হিসেবে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন গাছে বাঁশ দিয়ে তৈরি খাবার ও পানির পাত্র ঝুলিয়ে পাখিদের জন্য নিরাপদ আবাস ও খাদ্যের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
জানা যায়, শব্দ ও আলোকদূষণের কারণে ক্যাম্পাসে পাখির উপস্থিতি আগের তুলনায় কমে যাওয়ায় সেগুলোকে আবার ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রাথমিকভাবে বাঁশ দিয়ে তৈরি ৩০টি খাবার ও পানির পাত্র ক্যাম্পাসের বিভিন্ন গাছে স্থাপন করা হয়েছে। উদ্যোক্তারা জানান, এসব পাত্রে সপ্তাহে একদিন নিয়মিত খাবার ও বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ করা হবে।
এ বিষয়ে ছাত্রদল কর্মী ফাহিমা সুলতানা রাতুয়া বলেন, "আমাদের ক্যাম্পাসে প্রচুর গাছ থাকলেও পাখির আনাগোনা অনেক কমে গেছে। আমরা চাই, আবারও ক্যাম্পাসে পাখির কিচিরমিচির আর মিষ্টি ডাক শোনা যাক। তাই তাদের জন্য খাবার ও পানির ব্যবস্থা করেছি। পাখিরা যখন দেখবে এখানে নিরাপদ খাবারের ব্যবস্থা রয়েছে, তখন তারা আবার এই ক্যাম্পাসে ফিরে আসবে। একসময় ক্যাম্পাসটি পাখিদের অভয়ারণ্যে পরিণত হবে বলে আমরা আশা করি।"
ছাত্রদল কর্মী মো: আসিফ বলেন, "কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় প্রকৃতির এক অপরূপ লীলাভূমি। কিন্তু দূষণের কারণে পাখিরা আজ হারিয়ে যাচ্ছে। আমরা চাই কুবি ক্যাম্পাস আবার পাখিদের কিচিরমিচিরে মুখরিত হয়ে উঠুক। বর্তমানে ৩০টি স্থানে কাজ শুরু হলেও সাধারণ শিক্ষার্থীদের সাথে নিয়ে আমরা পুরো ক্যাম্পাসে শত শত পাখির খাদ্যাধার তৈরি করার পরিকল্পনা করছি।"
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সদস্য সচিব আবুল বাশার বলেন, "লালমাই পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় প্রাকৃতিকভাবে গাছপালায় সমৃদ্ধ। তবে সাম্প্রতিক সময়ে ক্যাম্পাসে পাখিদের বিচরণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। আমাদের ছাত্রদলের সাংগঠনিক অভিভাবক এবং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের পরিবেশ ও প্রাণীবান্ধব চিন্তাভাবনা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে আমরা এই ক্ষুদ্র উদ্যোগ নিয়েছি। সম্পূর্ণ পরিবেশবান্ধব উপায়ে বাঁশ দিয়ে খাবার ও পানির পাত্র তৈরি করে প্রাথমিকভাবে ৩০টি গাছে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। সেখানে সপ্তাহে একদিন নিয়মিত খাবার ও বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ করা হবে।"
.png)
রোববার, ২৬ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জুলাই ২০২৬
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) সবুজ-শ্যামল ক্যাম্পাসে পাখিদের বিচরণ ও কলকাকলি ফিরিয়ে আনতে ব্যতিক্রমী পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা। এ উদ্যোগের অংশ হিসেবে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন গাছে বাঁশ দিয়ে তৈরি খাবার ও পানির পাত্র ঝুলিয়ে পাখিদের জন্য নিরাপদ আবাস ও খাদ্যের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
জানা যায়, শব্দ ও আলোকদূষণের কারণে ক্যাম্পাসে পাখির উপস্থিতি আগের তুলনায় কমে যাওয়ায় সেগুলোকে আবার ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রাথমিকভাবে বাঁশ দিয়ে তৈরি ৩০টি খাবার ও পানির পাত্র ক্যাম্পাসের বিভিন্ন গাছে স্থাপন করা হয়েছে। উদ্যোক্তারা জানান, এসব পাত্রে সপ্তাহে একদিন নিয়মিত খাবার ও বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ করা হবে।
এ বিষয়ে ছাত্রদল কর্মী ফাহিমা সুলতানা রাতুয়া বলেন, "আমাদের ক্যাম্পাসে প্রচুর গাছ থাকলেও পাখির আনাগোনা অনেক কমে গেছে। আমরা চাই, আবারও ক্যাম্পাসে পাখির কিচিরমিচির আর মিষ্টি ডাক শোনা যাক। তাই তাদের জন্য খাবার ও পানির ব্যবস্থা করেছি। পাখিরা যখন দেখবে এখানে নিরাপদ খাবারের ব্যবস্থা রয়েছে, তখন তারা আবার এই ক্যাম্পাসে ফিরে আসবে। একসময় ক্যাম্পাসটি পাখিদের অভয়ারণ্যে পরিণত হবে বলে আমরা আশা করি।"
ছাত্রদল কর্মী মো: আসিফ বলেন, "কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় প্রকৃতির এক অপরূপ লীলাভূমি। কিন্তু দূষণের কারণে পাখিরা আজ হারিয়ে যাচ্ছে। আমরা চাই কুবি ক্যাম্পাস আবার পাখিদের কিচিরমিচিরে মুখরিত হয়ে উঠুক। বর্তমানে ৩০টি স্থানে কাজ শুরু হলেও সাধারণ শিক্ষার্থীদের সাথে নিয়ে আমরা পুরো ক্যাম্পাসে শত শত পাখির খাদ্যাধার তৈরি করার পরিকল্পনা করছি।"
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সদস্য সচিব আবুল বাশার বলেন, "লালমাই পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় প্রাকৃতিকভাবে গাছপালায় সমৃদ্ধ। তবে সাম্প্রতিক সময়ে ক্যাম্পাসে পাখিদের বিচরণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। আমাদের ছাত্রদলের সাংগঠনিক অভিভাবক এবং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের পরিবেশ ও প্রাণীবান্ধব চিন্তাভাবনা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে আমরা এই ক্ষুদ্র উদ্যোগ নিয়েছি। সম্পূর্ণ পরিবেশবান্ধব উপায়ে বাঁশ দিয়ে খাবার ও পানির পাত্র তৈরি করে প্রাথমিকভাবে ৩০টি গাছে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। সেখানে সপ্তাহে একদিন নিয়মিত খাবার ও বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ করা হবে।"
.png)
আপনার মতামত লিখুন