জানুয়ারি মাসে সারাদেশে চার থেকে পাঁচটি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এর মধ্যে ২-৩টি মৃদু (৮-১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস) থেকে মাঝারি (৬-৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস) এবং ১-২টি মাঝারি থেকে তীব্র (৪-৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস) শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এই সময়ে আছে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা।
আবহাওয়া অধিদফতরের পরিচালক মো. মমিনুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক মাসের দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে আরও বলা হয়েছে, মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত নদী অববাহিকাসহ দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং অন্যত্র হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা পড়তে পারে।
কখনো কখনো কুয়াশা
দুপুর পর্যন্ত স্থায়ী
হতে পারে। ঘন
কুয়াশার কারণে
দিন ও রাতের
তাপমাত্রার পার্থক্য কমে শীতের অনুভূতি বৃদ্ধি পেতে পারে।
পূর্বাভাসে নদ-নদীর
অবস্থায় বলা
হয়েছে, জানুয়ারিতে দেশের
প্রধান নদ-নদীগুলোতে স্বাভাবিক পানি
প্রবাহ বিরাজমান থাকতে
পারে।
কৃষি আবহাওয়ায় বলা
হয়েছে, দেশের দৈনিক
গড় বাষ্পীভবন ১.৫০-৩.৫০
মিলিমিটার এবং
গড় সূর্য কিরণকাল ৩ ঘণ্টা ৫০
মিনিট থেকে ৫
ঘণ্টা ৫০ মিনিট
থাকতে পারে।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ জানুয়ারি ২০২৬
জানুয়ারি মাসে সারাদেশে চার থেকে পাঁচটি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এর মধ্যে ২-৩টি মৃদু (৮-১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস) থেকে মাঝারি (৬-৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস) এবং ১-২টি মাঝারি থেকে তীব্র (৪-৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস) শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এই সময়ে আছে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা।
আবহাওয়া অধিদফতরের পরিচালক মো. মমিনুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক মাসের দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে আরও বলা হয়েছে, মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত নদী অববাহিকাসহ দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং অন্যত্র হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা পড়তে পারে।
কখনো কখনো কুয়াশা
দুপুর পর্যন্ত স্থায়ী
হতে পারে। ঘন
কুয়াশার কারণে
দিন ও রাতের
তাপমাত্রার পার্থক্য কমে শীতের অনুভূতি বৃদ্ধি পেতে পারে।
পূর্বাভাসে নদ-নদীর
অবস্থায় বলা
হয়েছে, জানুয়ারিতে দেশের
প্রধান নদ-নদীগুলোতে স্বাভাবিক পানি
প্রবাহ বিরাজমান থাকতে
পারে।
কৃষি আবহাওয়ায় বলা
হয়েছে, দেশের দৈনিক
গড় বাষ্পীভবন ১.৫০-৩.৫০
মিলিমিটার এবং
গড় সূর্য কিরণকাল ৩ ঘণ্টা ৫০
মিনিট থেকে ৫
ঘণ্টা ৫০ মিনিট
থাকতে পারে।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
আপনার মতামত লিখুন