ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

অন্ধ বৃদ্ধও রক্ষা পাননি নারী ইউপি সদস্য মিনারা বেগমের হাত থেকে



অন্ধ বৃদ্ধও রক্ষা পাননি নারী ইউপি সদস্য মিনারা বেগমের হাত থেকে

পটুয়াখালীর মহিপুর ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত ১, ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের নারী সদস্য মিনারা বেগমের বিরুদ্ধে সরকারি সুবিধা দেওয়ার নামে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা এবং সরকারি পানির ট্যাংক পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে তিনি অসহায় মানুষের কাছ থেকে দুই থেকে সাত হাজার টাকা পর্যন্ত আদায় করেছেন বলে জানা গেছে।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, নিজামপুর গ্রামের আশি বছর বয়সী অন্ধ বৃদ্ধ আঃ গনি খাঁ ভাতার কার্ডের জন্য টাকা দিয়েও মাসের পর মাস অপেক্ষা করছেন। তার স্ত্রীর দাবি, কার্ডের জন্য দেড় হাজার টাকা দাবি করা হলেও এক হাজার টাকা দেওয়ার পর মিনারা বেগম আর কোনো যোগাযোগ করেননি। একই গ্রামের আকিমুন বেগম ও এখলাস ফকিরের কাছ থেকেও ভাতার কথা বলে মোটা অংকের টাকা নেওয়া হয়েছে। এমনকি টাকা দিতে না পারায় বিধবা ভাতার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়া হয়েছে অসহায় জাহেদা খাতুনের।

স্থানীয়দের দাবি, শুধু ভাতা নয়, সরকারি ত্রাণ সামগ্রী যেমনটিউবওয়েল ও পাকা টয়লেট দেওয়ার নামেও ৫ থেকে ৭ হাজার টাকা করে হাতিয়ে নিয়েছেন অভিযুক্ত এই সদস্য। এ বিষয়ে মিনারা বেগম সকল অভিযোগ অস্বীকার করে একে 'উদ্দেশ্যপ্রণোদিত' বললেও এলাকার মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে।

মহিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাজী মো. ফজলু গাজী জানিয়েছেন, সাংবাদিকদের মাধ্যমে বিষয়টি তিনি অবগত হয়েছেন। সুনির্দিষ্ট লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। বর্তমানে স্থানীয়রা এই দুর্নীতির সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছেন।

এএমএন/ধ্রুবকন্ঠ 

বিষয় : পটুয়াখালী

আপনার মতামত লিখুন

ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬


অন্ধ বৃদ্ধও রক্ষা পাননি নারী ইউপি সদস্য মিনারা বেগমের হাত থেকে

প্রকাশের তারিখ : ২৮ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

পটুয়াখালীর মহিপুর ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত ১, ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের নারী সদস্য মিনারা বেগমের বিরুদ্ধে সরকারি সুবিধা দেওয়ার নামে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা এবং সরকারি পানির ট্যাংক পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে তিনি অসহায় মানুষের কাছ থেকে দুই থেকে সাত হাজার টাকা পর্যন্ত আদায় করেছেন বলে জানা গেছে।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, নিজামপুর গ্রামের আশি বছর বয়সী অন্ধ বৃদ্ধ আঃ গনি খাঁ ভাতার কার্ডের জন্য টাকা দিয়েও মাসের পর মাস অপেক্ষা করছেন। তার স্ত্রীর দাবি, কার্ডের জন্য দেড় হাজার টাকা দাবি করা হলেও এক হাজার টাকা দেওয়ার পর মিনারা বেগম আর কোনো যোগাযোগ করেননি। একই গ্রামের আকিমুন বেগম ও এখলাস ফকিরের কাছ থেকেও ভাতার কথা বলে মোটা অংকের টাকা নেওয়া হয়েছে। এমনকি টাকা দিতে না পারায় বিধবা ভাতার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়া হয়েছে অসহায় জাহেদা খাতুনের।

স্থানীয়দের দাবি, শুধু ভাতা নয়, সরকারি ত্রাণ সামগ্রী যেমনটিউবওয়েল ও পাকা টয়লেট দেওয়ার নামেও ৫ থেকে ৭ হাজার টাকা করে হাতিয়ে নিয়েছেন অভিযুক্ত এই সদস্য। এ বিষয়ে মিনারা বেগম সকল অভিযোগ অস্বীকার করে একে 'উদ্দেশ্যপ্রণোদিত' বললেও এলাকার মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে।

মহিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাজী মো. ফজলু গাজী জানিয়েছেন, সাংবাদিকদের মাধ্যমে বিষয়টি তিনি অবগত হয়েছেন। সুনির্দিষ্ট লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। বর্তমানে স্থানীয়রা এই দুর্নীতির সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছেন।

এএমএন/ধ্রুবকন্ঠ 


ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

“তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম”

কপিরাইট © ২০২৬ ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত