রাজশাহীর রেলষ্টেশন এলাকার পাশে দেখা গেল বেশকিছু অসহায় মানুষের। সারি বদ্ধ ভাবে বসে আছে । খুব উৎসাহ, নিয়ে এগিয়ে গেলাম বিষয়টা কি জানার জন্য। এই অসহায়, ছিন্নমূল মানুষের কোন আশ্রয় নেয় । সারাদিন রাজশাহী শহরের বিভিন্ন এলাকায় সাহায্য তুলে চলে তাদের জীবন । রাত্রি হলে রেলষ্টেশন এলাকায় ঘুমিয়ে পড়ে । কথা হলো একজন বৃদ্ধার সাথে । সারিবদ্ধ ভাবে বসে আছেন , কি কারণ ???
বৃদ্ধ উত্তর
দিলো, এখন খাবার আসবে । মাত্র ১ টাকার বিনিময়ে আমারা খাবার খেতে আসি এখানে । তখন ঘড়ির
কাটা ২ টা বাজে ।
কিছুসময় পর
দুপুরের খাবার চলে আসলো । কথা হলো একজন সেচ্ছাসেবকের সাথে । বিদ্যানন্দ নামে একটা সেচ্ছাসেবী
প্রতিষ্ঠান এই অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে । শনিবার থেকে বৃহস্পতিবার প্রতিদিন
দুপুর বেলা এই অসহায় মানুষের খাবারের ব্যবস্থা করছে , মাত্র ১ টাকার বিনিময়ে ।
সমাজের অবহেলিত
মানুষের আশার আলো দেখাতে ‘বিদ্যানন্দ' নামে একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন প্রবাসী বাঙালি
কিশোর কুমার দাশ৷ নিজে সুবিধাবঞ্চিত ছিলেন বলেই হয়তো জীবনের সব সঞ্চয় দিয়ে শুরু করেছিলেন
এই প্রতিষ্ঠানটি৷ তবে এখন সমাজের সব স্তরের মানুষ অংশ নিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটিকে এগিয়ে
নিতে৷
একজন অসহায়
মানুষের মুখে ১ টাকার বিনিময়ে খাবার তুলে দেয়া , এরচেয়ে মহত কাজ , আর পৃথিতে হতে পারে না।
এএমএন/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ এপ্রিল ২০২৬
রাজশাহীর রেলষ্টেশন এলাকার পাশে দেখা গেল বেশকিছু অসহায় মানুষের। সারি বদ্ধ ভাবে বসে আছে । খুব উৎসাহ, নিয়ে এগিয়ে গেলাম বিষয়টা কি জানার জন্য। এই অসহায়, ছিন্নমূল মানুষের কোন আশ্রয় নেয় । সারাদিন রাজশাহী শহরের বিভিন্ন এলাকায় সাহায্য তুলে চলে তাদের জীবন । রাত্রি হলে রেলষ্টেশন এলাকায় ঘুমিয়ে পড়ে । কথা হলো একজন বৃদ্ধার সাথে । সারিবদ্ধ ভাবে বসে আছেন , কি কারণ ???
বৃদ্ধ উত্তর
দিলো, এখন খাবার আসবে । মাত্র ১ টাকার বিনিময়ে আমারা খাবার খেতে আসি এখানে । তখন ঘড়ির
কাটা ২ টা বাজে ।
কিছুসময় পর
দুপুরের খাবার চলে আসলো । কথা হলো একজন সেচ্ছাসেবকের সাথে । বিদ্যানন্দ নামে একটা সেচ্ছাসেবী
প্রতিষ্ঠান এই অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে । শনিবার থেকে বৃহস্পতিবার প্রতিদিন
দুপুর বেলা এই অসহায় মানুষের খাবারের ব্যবস্থা করছে , মাত্র ১ টাকার বিনিময়ে ।
সমাজের অবহেলিত
মানুষের আশার আলো দেখাতে ‘বিদ্যানন্দ' নামে একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন প্রবাসী বাঙালি
কিশোর কুমার দাশ৷ নিজে সুবিধাবঞ্চিত ছিলেন বলেই হয়তো জীবনের সব সঞ্চয় দিয়ে শুরু করেছিলেন
এই প্রতিষ্ঠানটি৷ তবে এখন সমাজের সব স্তরের মানুষ অংশ নিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটিকে এগিয়ে
নিতে৷
একজন অসহায়
মানুষের মুখে ১ টাকার বিনিময়ে খাবার তুলে দেয়া , এরচেয়ে মহত কাজ , আর পৃথিতে হতে পারে না।
এএমএন/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
আপনার মতামত লিখুন