জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্যদের প্রশংসা করে বলেছেন, তারা অত্যন্ত ভদ্র। তিনি বলেন, জামায়াত একটি সুশৃঙ্খল দল, যারা বিরোধী দল হিসেবে আমাদেরকে সহযোগিতা করছেন। তারা সংসদে শৃঙ্খলা বজায় রাখছেন এবং সংসদীয় রীতিনীতি মনে চলছেন।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিকেলে লালমোহন উপজেলা অডিটোরিয়ামে নাগরিক ফোরাম আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, আমি সংবর্ধনা নিতে আসিনি। আসলে আমি লালমোহন-তজুমদ্দিনের মানুষের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে এসেছি।
তিনি আরও বলেন, আপনারা আমাকে ভোট দিয়ে বিজয়ী করেছেন। তাই আপনাদের সঙ্গে দেখা করতে, ধন্যবাদ জানাতে এবং কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতেই আমি এখানে এসেছি।
তিনি জানান, স্পিকার হওয়ার কারণে আমার ব্যস্ততা অনেক বেড়ে গেছে। তাই ইচ্ছা থাকলেও সব সময় এলাকায় আসা সম্ভব হয় না। সংসদে রাজনৈতিক দলগুলো আইন প্রণয়ন করে, আর আমি স্পিকার হিসেবে তা পরিচালনা ও নির্দেশনা দিই।
স্পিকার আরো উল্লেখ করেন, ভোলা-বরিশাল সেতু এ অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি। তিনি এই প্রকল্প বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন বলে আশ্বাস দেন। পাশাপাশি ভোলায় একটি মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠার বিষয়েও উদ্যোগ নেয়ার কথাও জানান তিনি।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নাগরিক ফোরামের সভাপতি মওলানা আওয়াল এবং অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম বাবুল পঞ্চায়েত।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন লালমোহন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সিফাত বিন সাদেক, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সার্কেল) সৎজিত কুমার ঘোষ, লালমোহন উপজেলা বিএনপির সভাপতি জাফর ইকবাল, পৌর বিএনপির সভাপতি ছাদেক মিয়া জান্টুসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
.png)
বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ এপ্রিল ২০২৬
জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্যদের প্রশংসা করে বলেছেন, তারা অত্যন্ত ভদ্র। তিনি বলেন, জামায়াত একটি সুশৃঙ্খল দল, যারা বিরোধী দল হিসেবে আমাদেরকে সহযোগিতা করছেন। তারা সংসদে শৃঙ্খলা বজায় রাখছেন এবং সংসদীয় রীতিনীতি মনে চলছেন।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিকেলে লালমোহন উপজেলা অডিটোরিয়ামে নাগরিক ফোরাম আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, আমি সংবর্ধনা নিতে আসিনি। আসলে আমি লালমোহন-তজুমদ্দিনের মানুষের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে এসেছি।
তিনি আরও বলেন, আপনারা আমাকে ভোট দিয়ে বিজয়ী করেছেন। তাই আপনাদের সঙ্গে দেখা করতে, ধন্যবাদ জানাতে এবং কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতেই আমি এখানে এসেছি।
তিনি জানান, স্পিকার হওয়ার কারণে আমার ব্যস্ততা অনেক বেড়ে গেছে। তাই ইচ্ছা থাকলেও সব সময় এলাকায় আসা সম্ভব হয় না। সংসদে রাজনৈতিক দলগুলো আইন প্রণয়ন করে, আর আমি স্পিকার হিসেবে তা পরিচালনা ও নির্দেশনা দিই।
স্পিকার আরো উল্লেখ করেন, ভোলা-বরিশাল সেতু এ অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি। তিনি এই প্রকল্প বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন বলে আশ্বাস দেন। পাশাপাশি ভোলায় একটি মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠার বিষয়েও উদ্যোগ নেয়ার কথাও জানান তিনি।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নাগরিক ফোরামের সভাপতি মওলানা আওয়াল এবং অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম বাবুল পঞ্চায়েত।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন লালমোহন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সিফাত বিন সাদেক, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সার্কেল) সৎজিত কুমার ঘোষ, লালমোহন উপজেলা বিএনপির সভাপতি জাফর ইকবাল, পৌর বিএনপির সভাপতি ছাদেক মিয়া জান্টুসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
.png)
আপনার মতামত লিখুন