বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের তৃণমূলকে সুসংগঠিত করতে শিগগিরই ঘোষিত হতে যাচ্ছে নোয়াখালী সদর উপজেলাধীন ১নং চরমটুয়া ইউনিয়ন শাখা ছাত্রদলের নতুন কমিটি। ইউনিয়ন ছাত্রদলের শীর্ষ দুই পদ নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে থাকলেও সভাপতি পদে প্রার্থী হিসেবে যার নামটি সবচেয়ে বেশি আলোচিত এবং জনপ্রিয়তার শীর্ষে রয়েছে, তিনি হলেন যোগ্য, মেধাবী, ত্যাগী ও পরিচ্ছন্ন ছাত্রনেতা শাহ আলম (সামির)।
বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিএনপির দুঃসময়ে কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় আন্দোলন-সংগ্রামে ধারাবাহিকভাবে সম্মুখসারে থেকে অংশগ্রহণ করেছেন শাহ আলম (সামির)। ২৪ এর জুলাই-আগষ্ট ছাত্রজনতার আন্দোলনে সম্মুখ সারিতে থেকে উদয় সাধুর হাট থেকে মাইজদী পর্যন্ত আন্দোলনের নেতৃত্বে ছিলেন তিনি এবং ২৪ এর ৪ আগস্ট মাইজদী থেকে আন্দোলন শেষে বাড়ি ফেরার পথে মুরগীর ফার্ম নামক জায়গায় ছাত্রলীগের অতর্কীত হামলায় গুরুতর আহত হন তিনি।
জুলাই-আগষ্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনে ছাত্রদল নেতা সামির (৪ আগস্ট, ২৪)৪ আগস্ট, ২৪জুলাই-আগষ্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনে আহত অবস্থায় ছাত্রদল নেতা সামিরপারিবারিকভাবে বিএনপির রাজনীতির আদর্শে বেড়ে ওঠা সামির ছোটবেলা থেকেই ছাত্রদলের রাজনীতির সাথে সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত। বিগত শেখ হাসিনা সরকারের আমলে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনকে বেগবান করতে রাজপথের প্রতিটি লড়াই-সংগ্রামে তিনি সাহসিকতার সাথে দৃঢ় ভূমিকা পালন করেছেন।
তবে রাজপথে তাঁর রাজনৈতিক সক্রিয়তা, ত্যাগ এবং কর্মীদের মাঝে ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতায় ঈর্ষান্বিত হয়ে একটি সুবিধাবাদী পক্ষ তাঁর বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ নানাভাবে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মতে, রাজপথের পরীক্ষিত এই নেতাকে হেয় করতেই একটি চক্রান্তকারী গোষ্ঠী এসব অসত্য ও বানোয়াট তথ্য ছড়াচ্ছে। কিন্তু সাধারণ নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মাঝে সামিরের প্রতি আস্থা ও সমর্থনে এর কোনো প্রভাব পড়েনি, বরং তাঁর জনপ্রিয়তা দিন দিন বেড়েই চলেছে।
ছবি: জুলাই-আগষ্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনে ছাত্রদল নেতা সামির
নিজের রাজনৈতিক লক্ষ্য ও অঙ্গীকার প্রসঙ্গে ১নং চরমটুয়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি পদপ্রার্থী শাহ আলম (সামির) বলেন, “পদ-পদবি কোনো অহংকারের বিষয় নয়, এটি দায়িত্ব। আমাকে যদি ইউনিয়নের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়, তবে আমি ১নং চরমটুয়া ইউনিয়নে একটি আধুনিক, সুশৃঙ্খল ও যুগোপযোগী ছাত্রদল উপহার দেবো। আমাদের প্রাণপ্রিয় সংগঠন ছাত্রদলের তৃণমূলকে আরও শক্তিশালী ও সুসংগঠিত করাই হবে আমার মূল কাজ। ছাত্রদল কোনো সন্ত্রাসী সংগঠন নয়, এটি সাধারণ শিক্ষার্থীদের কল্যাণে কাজ করা ঐতিহ্যবাহী সংগঠন।”
তিনি আরও বলেন, “আমি কথা দিচ্ছি, আমার মূল লক্ষ্য থাকবে মহান স্বাধীনতার ঘোষক, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের বীর উত্তম-এর আদর্শে অবিচল থাকা এবং ছাত্রদলের অভিভাবক প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের নির্দেশ যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করা।”
সামিরের বিষয়ে সদর উপজেলা ও স্থানীয় বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতারা জানান, শাহ আলম (সামির) দলের দুঃসময়ে রাজপথে থেকে নিরলস শ্রম দিয়েছেন। হামলা-মামলা ও জেল-জুলুমের ভয়কে উপেক্ষা করে তিনি সংগঠনকে ধরে রেখেছেন। তিনি নেতৃত্বে এলে চরমটুয়া ইউনিয়ন ছাত্রদল আরও বেশি সুসংগঠিত ও শক্তিশালী হবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
১নং চরমটুয়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ কর্মী ও সমর্থকদের কাছেও সামির অত্যন্ত প্রিয় ও আস্থাভাজন এক নাম। স্থানীয় এক ছাত্রদল কর্মী আবেগপ্লুত হয়ে বলেন, “সামির ভাই হলেন কর্মীদের সুদিনের ও দুর্দিনের সত্যিকারের অভিভাবক। বিগত সরকারের চরম নির্যাতনের মুখেও তিনি যেভাবে সাধারণ কর্মীদের আগলে রেখে আন্দোলন চালিয়েছেন, তা প্রশংসনীয়। তিনি কর্মীদের মনের ভাষা বোঝেন। একটি পক্ষ তাঁর নামে যতই অপপ্রচার চালাক না কেন, চরমটুয়া ইউনিয়নের ছাত্রদল কর্মীরা সামির ভাইয়ের নেতৃত্বেই ঐক্যবদ্ধ।”
.png)
মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ আগস্ট ২০২৬
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের তৃণমূলকে সুসংগঠিত করতে শিগগিরই ঘোষিত হতে যাচ্ছে নোয়াখালী সদর উপজেলাধীন ১নং চরমটুয়া ইউনিয়ন শাখা ছাত্রদলের নতুন কমিটি। ইউনিয়ন ছাত্রদলের শীর্ষ দুই পদ নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে থাকলেও সভাপতি পদে প্রার্থী হিসেবে যার নামটি সবচেয়ে বেশি আলোচিত এবং জনপ্রিয়তার শীর্ষে রয়েছে, তিনি হলেন যোগ্য, মেধাবী, ত্যাগী ও পরিচ্ছন্ন ছাত্রনেতা শাহ আলম (সামির)।
বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিএনপির দুঃসময়ে কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় আন্দোলন-সংগ্রামে ধারাবাহিকভাবে সম্মুখসারে থেকে অংশগ্রহণ করেছেন শাহ আলম (সামির)। ২৪ এর জুলাই-আগষ্ট ছাত্রজনতার আন্দোলনে সম্মুখ সারিতে থেকে উদয় সাধুর হাট থেকে মাইজদী পর্যন্ত আন্দোলনের নেতৃত্বে ছিলেন তিনি এবং ২৪ এর ৪ আগস্ট মাইজদী থেকে আন্দোলন শেষে বাড়ি ফেরার পথে মুরগীর ফার্ম নামক জায়গায় ছাত্রলীগের অতর্কীত হামলায় গুরুতর আহত হন তিনি।
জুলাই-আগষ্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনে ছাত্রদল নেতা সামির (৪ আগস্ট, ২৪)৪ আগস্ট, ২৪জুলাই-আগষ্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনে আহত অবস্থায় ছাত্রদল নেতা সামিরপারিবারিকভাবে বিএনপির রাজনীতির আদর্শে বেড়ে ওঠা সামির ছোটবেলা থেকেই ছাত্রদলের রাজনীতির সাথে সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত। বিগত শেখ হাসিনা সরকারের আমলে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনকে বেগবান করতে রাজপথের প্রতিটি লড়াই-সংগ্রামে তিনি সাহসিকতার সাথে দৃঢ় ভূমিকা পালন করেছেন।
তবে রাজপথে তাঁর রাজনৈতিক সক্রিয়তা, ত্যাগ এবং কর্মীদের মাঝে ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতায় ঈর্ষান্বিত হয়ে একটি সুবিধাবাদী পক্ষ তাঁর বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ নানাভাবে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মতে, রাজপথের পরীক্ষিত এই নেতাকে হেয় করতেই একটি চক্রান্তকারী গোষ্ঠী এসব অসত্য ও বানোয়াট তথ্য ছড়াচ্ছে। কিন্তু সাধারণ নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মাঝে সামিরের প্রতি আস্থা ও সমর্থনে এর কোনো প্রভাব পড়েনি, বরং তাঁর জনপ্রিয়তা দিন দিন বেড়েই চলেছে।
ছবি: জুলাই-আগষ্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনে ছাত্রদল নেতা সামির
নিজের রাজনৈতিক লক্ষ্য ও অঙ্গীকার প্রসঙ্গে ১নং চরমটুয়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি পদপ্রার্থী শাহ আলম (সামির) বলেন, “পদ-পদবি কোনো অহংকারের বিষয় নয়, এটি দায়িত্ব। আমাকে যদি ইউনিয়নের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়, তবে আমি ১নং চরমটুয়া ইউনিয়নে একটি আধুনিক, সুশৃঙ্খল ও যুগোপযোগী ছাত্রদল উপহার দেবো। আমাদের প্রাণপ্রিয় সংগঠন ছাত্রদলের তৃণমূলকে আরও শক্তিশালী ও সুসংগঠিত করাই হবে আমার মূল কাজ। ছাত্রদল কোনো সন্ত্রাসী সংগঠন নয়, এটি সাধারণ শিক্ষার্থীদের কল্যাণে কাজ করা ঐতিহ্যবাহী সংগঠন।”
তিনি আরও বলেন, “আমি কথা দিচ্ছি, আমার মূল লক্ষ্য থাকবে মহান স্বাধীনতার ঘোষক, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের বীর উত্তম-এর আদর্শে অবিচল থাকা এবং ছাত্রদলের অভিভাবক প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের নির্দেশ যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করা।”
সামিরের বিষয়ে সদর উপজেলা ও স্থানীয় বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতারা জানান, শাহ আলম (সামির) দলের দুঃসময়ে রাজপথে থেকে নিরলস শ্রম দিয়েছেন। হামলা-মামলা ও জেল-জুলুমের ভয়কে উপেক্ষা করে তিনি সংগঠনকে ধরে রেখেছেন। তিনি নেতৃত্বে এলে চরমটুয়া ইউনিয়ন ছাত্রদল আরও বেশি সুসংগঠিত ও শক্তিশালী হবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
১নং চরমটুয়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ কর্মী ও সমর্থকদের কাছেও সামির অত্যন্ত প্রিয় ও আস্থাভাজন এক নাম। স্থানীয় এক ছাত্রদল কর্মী আবেগপ্লুত হয়ে বলেন, “সামির ভাই হলেন কর্মীদের সুদিনের ও দুর্দিনের সত্যিকারের অভিভাবক। বিগত সরকারের চরম নির্যাতনের মুখেও তিনি যেভাবে সাধারণ কর্মীদের আগলে রেখে আন্দোলন চালিয়েছেন, তা প্রশংসনীয়। তিনি কর্মীদের মনের ভাষা বোঝেন। একটি পক্ষ তাঁর নামে যতই অপপ্রচার চালাক না কেন, চরমটুয়া ইউনিয়নের ছাত্রদল কর্মীরা সামির ভাইয়ের নেতৃত্বেই ঐক্যবদ্ধ।”
.png)
আপনার মতামত লিখুন