ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

১২ পরীক্ষার্থীর জন্য ২০ শিক্ষক, তবু পাস করেনি কেউ



১২ পরীক্ষার্থীর জন্য ২০ শিক্ষক, তবু পাস করেনি কেউ
ছবি: সংগৃহীত

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার বৈরাটি সিনিয়র আলিম মাদরাসায় ২০ জন শিক্ষকের বিপরীতে দাখিল পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ১২ জন শিক্ষার্থীর কেউই পাস করতে পারেনি।

আজ সোমবার (১০ আগস্ট) উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে প্রকাশিত ফলাফল বিবরণী থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর এমন অনুপাতের পরও শতভাগ অকৃতকার্য হওয়ায় প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষা কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

সোমবার ফলাফল প্রকাশের পর স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন মহলের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। তাঁদের প্রশ্ন, যেখানে শিক্ষার্থীর চেয়ে শিক্ষকের সংখ্যা বেশি, সেখানে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ১২ জন শিক্ষার্থীর কেউই কেন পাস করতে পারল না।

এ বিষয়ে ওই মাদরাসার অধ্যক্ষ মো. শাহজাহানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি শিক্ষার্থীদের অনিয়মিত উপস্থিতিকে ফলাফল বিপর্যয়ের অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা নিয়মিত মাদরাসায় আসেনি। আমরা চেষ্টা করেছি।’

অধ্যক্ষ আরো জানান, প্রতিষ্ঠানটিতে আগে শিক্ষক সংকট ও অবকাঠামোগত সমস্যা ছিল। সম্প্রতি নতুন শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। আগামী বছর ভালো ফল করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

তবে ফলাফল বিপর্যয়ের ঘটনায় শিক্ষকদের পাঠদান ও নিয়মিত উপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন ব্যক্তিরা। তাঁদের দাবি, শিক্ষার্থীর তুলনায় শিক্ষক সংখ্যা বেশি হওয়ার পরও এমন ফলাফল কেন হলো, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। শিক্ষকেরা নিয়মিত পাঠদান করেছেন কি না, তা তদন্তের আওতায় আনারও দাবি জানান তাঁরা।

স্থানীয়দের মতে, একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক-শিক্ষার্থীর এমন অনুপাত থাকা সত্ত্বেও কোনো শিক্ষার্থী পাস না করার বিষয়টি উদ্বেগজনক। এ ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দায় নির্ধারণ এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

ঘটনার বিষয়ে বক্তব্য জানতে ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আশরাফুল ইসলামের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়।

 

 

এনএম/ধ্রুবকন্ঠ

বিষয় : শিক্ষক পরীক্ষার্থী পাস

আপনার মতামত লিখুন

ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬


১২ পরীক্ষার্থীর জন্য ২০ শিক্ষক, তবু পাস করেনি কেউ

প্রকাশের তারিখ : ১০ আগস্ট ২০২৬

featured Image

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার বৈরাটি সিনিয়র আলিম মাদরাসায় ২০ জন শিক্ষকের বিপরীতে দাখিল পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ১২ জন শিক্ষার্থীর কেউই পাস করতে পারেনি।

আজ সোমবার (১০ আগস্ট) উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে প্রকাশিত ফলাফল বিবরণী থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর এমন অনুপাতের পরও শতভাগ অকৃতকার্য হওয়ায় প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষা কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

সোমবার ফলাফল প্রকাশের পর স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন মহলের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। তাঁদের প্রশ্ন, যেখানে শিক্ষার্থীর চেয়ে শিক্ষকের সংখ্যা বেশি, সেখানে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ১২ জন শিক্ষার্থীর কেউই কেন পাস করতে পারল না।

এ বিষয়ে ওই মাদরাসার অধ্যক্ষ মো. শাহজাহানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি শিক্ষার্থীদের অনিয়মিত উপস্থিতিকে ফলাফল বিপর্যয়ের অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা নিয়মিত মাদরাসায় আসেনি। আমরা চেষ্টা করেছি।’

অধ্যক্ষ আরো জানান, প্রতিষ্ঠানটিতে আগে শিক্ষক সংকট ও অবকাঠামোগত সমস্যা ছিল। সম্প্রতি নতুন শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। আগামী বছর ভালো ফল করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

তবে ফলাফল বিপর্যয়ের ঘটনায় শিক্ষকদের পাঠদান ও নিয়মিত উপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন ব্যক্তিরা। তাঁদের দাবি, শিক্ষার্থীর তুলনায় শিক্ষক সংখ্যা বেশি হওয়ার পরও এমন ফলাফল কেন হলো, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। শিক্ষকেরা নিয়মিত পাঠদান করেছেন কি না, তা তদন্তের আওতায় আনারও দাবি জানান তাঁরা।

স্থানীয়দের মতে, একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক-শিক্ষার্থীর এমন অনুপাত থাকা সত্ত্বেও কোনো শিক্ষার্থী পাস না করার বিষয়টি উদ্বেগজনক। এ ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দায় নির্ধারণ এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

ঘটনার বিষয়ে বক্তব্য জানতে ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আশরাফুল ইসলামের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়।

 

 

এনএম/ধ্রুবকন্ঠ


ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

“তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম”

কপিরাইট © ২০২৬ ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত