ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

রামপালে আহাদ হত্যা মামলায় মাসুম বিল্লাহসহ ৩ আসামি গ্রেপ্তার



রামপালে আহাদ হত্যা মামলায় মাসুম বিল্লাহসহ ৩ আসামি গ্রেপ্তার

বাগেরহাটের রামপালে আহাদ আহমেদ ইতু হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত তিন আসামিকে ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। গ্রেপ্তারদের মধ্যে রয়েছেন মাসুম বিল্লাহ, তাঁর ভাই বাকি বিল্লাহ ও মাসুম বিল্লাহর স্ত্রী মনিরা বেগম। 

পুলিশ জানায়, রামপাল উপজেলার ইসলামাবাদ গ্রামে জমির পানি নিষ্কাশনকে কেন্দ্র করে আহাদ আহমেদের পরিবারের সঙ্গে আসামিদের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। গত ২১ সেপ্টেম্বর সকালে বিরোধপূর্ণ জমি থেকে পানি সরানোকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে আহাদ আহমেদকে মারধর করা হলে তিনি গুরুতর আহত হন। তাঁকে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় তাঁর বাবা শেখ ফরিদুজ্জামানও গুরুতর আহত হন এবং তাঁকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। 

ঘটনার পর নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে রামপাল থানায় হত্যা মামলা করা হয়। এরপর পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করে। সোমবার সন্ধ্যায় মনিরা বেগমকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় খুলনার ফুলতলা এলাকার লারিপাড়া থেকে মাসুম বিল্লাহ ও বাকি বিল্লাহকে গ্রেপ্তার করা হয়। 

পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারদের আদালতে পাঠিয়ে অধিকতর তদন্তের জন্য রিমান্ডের আবেদন করা হবে। মামলার তদন্ত ও ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের বিষয়ে আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬


রামপালে আহাদ হত্যা মামলায় মাসুম বিল্লাহসহ ৩ আসামি গ্রেপ্তার

প্রকাশের তারিখ : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

বাগেরহাটের রামপালে আহাদ আহমেদ ইতু হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত তিন আসামিকে ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। গ্রেপ্তারদের মধ্যে রয়েছেন মাসুম বিল্লাহ, তাঁর ভাই বাকি বিল্লাহ ও মাসুম বিল্লাহর স্ত্রী মনিরা বেগম। 

পুলিশ জানায়, রামপাল উপজেলার ইসলামাবাদ গ্রামে জমির পানি নিষ্কাশনকে কেন্দ্র করে আহাদ আহমেদের পরিবারের সঙ্গে আসামিদের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। গত ২১ সেপ্টেম্বর সকালে বিরোধপূর্ণ জমি থেকে পানি সরানোকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে আহাদ আহমেদকে মারধর করা হলে তিনি গুরুতর আহত হন। তাঁকে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় তাঁর বাবা শেখ ফরিদুজ্জামানও গুরুতর আহত হন এবং তাঁকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। 

ঘটনার পর নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে রামপাল থানায় হত্যা মামলা করা হয়। এরপর পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করে। সোমবার সন্ধ্যায় মনিরা বেগমকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় খুলনার ফুলতলা এলাকার লারিপাড়া থেকে মাসুম বিল্লাহ ও বাকি বিল্লাহকে গ্রেপ্তার করা হয়। 

পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারদের আদালতে পাঠিয়ে অধিকতর তদন্তের জন্য রিমান্ডের আবেদন করা হবে। মামলার তদন্ত ও ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের বিষয়ে আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।


ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

“তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম”

কপিরাইট © ২০২৬ ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত