ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

বেপরোয়া জবি ছাত্রদল নেতা সুমন সর্দার: সাংবাদিককে মারধর, সাংবাদিক সংগঠন দখলের চেষ্টা



বেপরোয়া জবি ছাত্রদল নেতা সুমন সর্দার: সাংবাদিককে মারধর, সাংবাদিক সংগঠন দখলের চেষ্টা

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সুমন সর্দারের বিরুদ্ধে সাংবাদিক সংগঠনে হস্তক্ষেপ, নিজের অনুসারীদের মাধ্যমে নেতৃত্ব নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা এবং সংবাদ সংগ্রহে যাওয়া এক সাংবাদিককে মারধরের অভিযোগ উঠেছে।

সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ে সংঘর্ষের সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাবের অর্থ সম্পাদক ও দৈনিক আজকালের খবর-এর ক্যাম্পাস প্রতিনিধি কামরুজ্জামান কায়েস হামলার শিকার হন। কায়েসের অভিযোগ, সুমন সর্দার তাঁকে ডেকে নেওয়ার পর ছাত্রদলের কয়েকজন নেতাকর্মী মারধর করেন এবং তাঁর মোবাইল ফোন ও পাওয়ার ব্যাংক নিয়ে যান। তিনি জানান, ঘটনার ভিডিও ফুটেজ ও সিসিটিভি প্রমাণ রয়েছে।

এর আগে সুমন সর্দারের বিরুদ্ধে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার্স ইউনিটির অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপের অভিযোগ ওঠে। জবিরিইউর কার্যকর কমিটি থাকা সত্ত্বেও নিজের অনুসারী ছাত্রদল নেতাকে গুরুত্বপূর্ণ পদে বসিয়ে পৃথক কমিটি ঘোষণার চেষ্টা করা হয়েছে বলে সংগঠনটির সদস্যরা দাবি করেন।

তাঁদের অভিযোগ, সদস্যদের অনুমতি ছাড়া স্বাক্ষর ব্যবহার, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং রাজনৈতিক প্রভাব প্রয়োগের মাধ্যমে সাংবাদিক সংগঠনটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। এসব ঘটনায় একই ছাত্রদল নেতার নাম বারবার সামনে আসায় ক্যাম্পাস সাংবাদিকদের স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ- পরপর দুটি ঘটনায় একই ছাত্রদল নেতার নাম সামনে আসায় ক্যাম্পাসের সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও স্বাধীনভাবে সংবাদ সংগ্রহের পরিবেশ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

সাংবাদিকদের ভাষ্য, কোনো রাজনৈতিক ছাত্রসংগঠনের নেতা একদিকে সাংবাদিক সংগঠনের নেতৃত্ব নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করবেন এবং অন্যদিকে সংবাদ সংগ্রহে যাওয়া সাংবাদিকের ওপর হামলায় তাঁর নাম আসবে—এ ধরনের অভিযোগ বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধীন সাংবাদিকতার জন্য গুরুতর হুমকি।

আপনার মতামত লিখুন

ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

শনিবার, ০৮ আগস্ট ২০২৬


বেপরোয়া জবি ছাত্রদল নেতা সুমন সর্দার: সাংবাদিককে মারধর, সাংবাদিক সংগঠন দখলের চেষ্টা

প্রকাশের তারিখ : ০৭ আগস্ট ২০২৬

featured Image

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সুমন সর্দারের বিরুদ্ধে সাংবাদিক সংগঠনে হস্তক্ষেপ, নিজের অনুসারীদের মাধ্যমে নেতৃত্ব নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা এবং সংবাদ সংগ্রহে যাওয়া এক সাংবাদিককে মারধরের অভিযোগ উঠেছে।

সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ে সংঘর্ষের সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাবের অর্থ সম্পাদক ও দৈনিক আজকালের খবর-এর ক্যাম্পাস প্রতিনিধি কামরুজ্জামান কায়েস হামলার শিকার হন। কায়েসের অভিযোগ, সুমন সর্দার তাঁকে ডেকে নেওয়ার পর ছাত্রদলের কয়েকজন নেতাকর্মী মারধর করেন এবং তাঁর মোবাইল ফোন ও পাওয়ার ব্যাংক নিয়ে যান। তিনি জানান, ঘটনার ভিডিও ফুটেজ ও সিসিটিভি প্রমাণ রয়েছে।

এর আগে সুমন সর্দারের বিরুদ্ধে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার্স ইউনিটির অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপের অভিযোগ ওঠে। জবিরিইউর কার্যকর কমিটি থাকা সত্ত্বেও নিজের অনুসারী ছাত্রদল নেতাকে গুরুত্বপূর্ণ পদে বসিয়ে পৃথক কমিটি ঘোষণার চেষ্টা করা হয়েছে বলে সংগঠনটির সদস্যরা দাবি করেন।

তাঁদের অভিযোগ, সদস্যদের অনুমতি ছাড়া স্বাক্ষর ব্যবহার, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং রাজনৈতিক প্রভাব প্রয়োগের মাধ্যমে সাংবাদিক সংগঠনটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। এসব ঘটনায় একই ছাত্রদল নেতার নাম বারবার সামনে আসায় ক্যাম্পাস সাংবাদিকদের স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ- পরপর দুটি ঘটনায় একই ছাত্রদল নেতার নাম সামনে আসায় ক্যাম্পাসের সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও স্বাধীনভাবে সংবাদ সংগ্রহের পরিবেশ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

সাংবাদিকদের ভাষ্য, কোনো রাজনৈতিক ছাত্রসংগঠনের নেতা একদিকে সাংবাদিক সংগঠনের নেতৃত্ব নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করবেন এবং অন্যদিকে সংবাদ সংগ্রহে যাওয়া সাংবাদিকের ওপর হামলায় তাঁর নাম আসবে—এ ধরনের অভিযোগ বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধীন সাংবাদিকতার জন্য গুরুতর হুমকি।


ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

“তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম”

কপিরাইট © ২০২৬ ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত