ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

কুবির বিজয়-২৪ হলের আবাসিক শিক্ষার্থীদের সঙ্গে উপাচার্যের মতবিনিময়



কুবির বিজয়-২৪ হলের আবাসিক শিক্ষার্থীদের সঙ্গে উপাচার্যের মতবিনিময়
কুবির বিজয়-২৪ হলের আবাসিক শিক্ষার্থীদের সঙ্গে উপাচার্যের মতবিনিময়



কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বিজয়-২৪ হলের আবাসিক শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সমস্যা ও দাবির কথা শুনতে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম। সভায় শিক্ষার্থীরা ডাইনিংয়ের খাবারের মান, বাথরুম ও পরিচ্ছন্নতা, বিদ্যুৎ, সিট বণ্টন, রিডিং রুমসহ হলের বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরেন।


সোমবার (১০ আগস্ট) রাত ১০টায় বিজয়-২৪ হলের টিভি রুমে এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।


সভায় প্রধান বিজয়-২৪ হলের প্রভোস্ট ড. মোহাম্মদ মাহমুদুল হাছান খানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকার ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বেলাল উদ্দিন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন হলের বিভিন্ন শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা। 


মতবিনিময় সভায় আবাসিক শিক্ষার্থীরা হলের ডাইনিং, খাবারের মান, বাথরুম, বিদ্যুৎ, সিট বণ্টন, রিডিং রুমসহ বিভিন্ন সমস্যা ও দাবি তুলে ধরেন। এ সময় শিক্ষার্থীরা হলের গণরুম, র‍্যাগিং ও মাদকসংক্রান্ত বিষয়েও আলোচনা করেন। সভায় হলের আবাসিক শিক্ষার্থীরা তাদের বিভিন্ন সমস্যা ও দাবির কথা তুলে ধরার পাশাপাশি হলের পরিবেশ ও আবাসিক সুযোগ-সুবিধার উন্নয়নে প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেন।


শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন দাবির বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম বলেন, “যে সমস্যাগুলো তুলে ধরা হয়েছে, সেগুলো সব একদিনে সমাধান করা সম্ভব নয়। তবে আমরা ডাইনিং, বাথরুম ও হলের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার বিষয়গুলো নিয়ে আগে কাজ করব। এরপর পর্যায়ক্রমে বাকি কাজগুলো করা হবে। আর গণরুম, হলের সিট বণ্টন, র‍্যাগিং ও মাদকসংক্রান্ত বিষয়গুলো হল প্রশাসনের ওপরই থাকবে।”


ডাইনিংয়ের খাবারের বিষয়ে বিজয়-২৪ হলের প্রভোস্ট ড. মোহাম্মদ মাহমুদুল হাছান খান বলেন, “আমাদের এখানে সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে ডাইনিং। একসময় প্রায় ৪০০ শিক্ষার্থী একই ডাইনিংয়ে খাবার খেত। অল্প কিছুদিন আগেও প্রায় ৩০০ শিক্ষার্থী খাবার খেত। কিন্তু এখন প্রায় ১০০ থেকে ১৫০ জনের মতো খাবার খায়। হঠাৎ করে এত কমে যাওয়ার কারণটিও একটি বিষয়।”


তিনি আরও বলেন, ডাইনিং ব্যবস্থাপনার উন্নয়নে একটি পরীক্ষামূলক উদ্যোগ নেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে বাজার করা, রান্না, ফ্রিজে সংরক্ষণ ও বাজারজাতকরণসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোকে সমন্বিতভাবে পরিচালনার বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন

ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬


কুবির বিজয়-২৪ হলের আবাসিক শিক্ষার্থীদের সঙ্গে উপাচার্যের মতবিনিময়

প্রকাশের তারিখ : ১১ আগস্ট ২০২৬

featured Image



কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বিজয়-২৪ হলের আবাসিক শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সমস্যা ও দাবির কথা শুনতে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম। সভায় শিক্ষার্থীরা ডাইনিংয়ের খাবারের মান, বাথরুম ও পরিচ্ছন্নতা, বিদ্যুৎ, সিট বণ্টন, রিডিং রুমসহ হলের বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরেন।


সোমবার (১০ আগস্ট) রাত ১০টায় বিজয়-২৪ হলের টিভি রুমে এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।


সভায় প্রধান বিজয়-২৪ হলের প্রভোস্ট ড. মোহাম্মদ মাহমুদুল হাছান খানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকার ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বেলাল উদ্দিন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন হলের বিভিন্ন শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা। 


মতবিনিময় সভায় আবাসিক শিক্ষার্থীরা হলের ডাইনিং, খাবারের মান, বাথরুম, বিদ্যুৎ, সিট বণ্টন, রিডিং রুমসহ বিভিন্ন সমস্যা ও দাবি তুলে ধরেন। এ সময় শিক্ষার্থীরা হলের গণরুম, র‍্যাগিং ও মাদকসংক্রান্ত বিষয়েও আলোচনা করেন। সভায় হলের আবাসিক শিক্ষার্থীরা তাদের বিভিন্ন সমস্যা ও দাবির কথা তুলে ধরার পাশাপাশি হলের পরিবেশ ও আবাসিক সুযোগ-সুবিধার উন্নয়নে প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেন।


শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন দাবির বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম বলেন, “যে সমস্যাগুলো তুলে ধরা হয়েছে, সেগুলো সব একদিনে সমাধান করা সম্ভব নয়। তবে আমরা ডাইনিং, বাথরুম ও হলের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার বিষয়গুলো নিয়ে আগে কাজ করব। এরপর পর্যায়ক্রমে বাকি কাজগুলো করা হবে। আর গণরুম, হলের সিট বণ্টন, র‍্যাগিং ও মাদকসংক্রান্ত বিষয়গুলো হল প্রশাসনের ওপরই থাকবে।”


ডাইনিংয়ের খাবারের বিষয়ে বিজয়-২৪ হলের প্রভোস্ট ড. মোহাম্মদ মাহমুদুল হাছান খান বলেন, “আমাদের এখানে সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে ডাইনিং। একসময় প্রায় ৪০০ শিক্ষার্থী একই ডাইনিংয়ে খাবার খেত। অল্প কিছুদিন আগেও প্রায় ৩০০ শিক্ষার্থী খাবার খেত। কিন্তু এখন প্রায় ১০০ থেকে ১৫০ জনের মতো খাবার খায়। হঠাৎ করে এত কমে যাওয়ার কারণটিও একটি বিষয়।”


তিনি আরও বলেন, ডাইনিং ব্যবস্থাপনার উন্নয়নে একটি পরীক্ষামূলক উদ্যোগ নেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে বাজার করা, রান্না, ফ্রিজে সংরক্ষণ ও বাজারজাতকরণসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোকে সমন্বিতভাবে পরিচালনার বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে।


ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

“তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম”

কপিরাইট © ২০২৬ ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত