জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ১৮ হাজার শিক্ষার্থীকে কোনো রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে ব্যবহারের বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছে জাতীয় ছাত্রশক্তি, জবি শাখা। সংগঠনটির অভিযোগ, মেয়র নির্বাচনে নির্দিষ্ট প্রার্থীর পক্ষে শিক্ষার্থীদের ব্যবহারের কথা বলেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন।
রোববার (৫ অক্টোবর) জাতীয় ছাত্রশক্তি, জবি শাখার সাধারণ সম্পাদক ফেরদৌস শেখ স্বাক্ষরিত এক প্রতিবাদলিপিতে এ নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়।
প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৮ হাজার শিক্ষার্থী কোনো ব্যক্তি বা রাজনৈতিক দলের সম্পদ নয়। নির্বাচনে কোনো রাজনৈতিক দলের মতাদর্শ, পছন্দ কিংবা প্রার্থীর পক্ষে শিক্ষার্থীদের সমর্থন বা নির্বাচনী কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার এখতিয়ার কারও নেই।
সংগঠনটি আরও জানায়, বিশ্ববিদ্যালয় জ্ঞানচর্চা, গবেষণা ও মুক্তবুদ্ধির বিকাশের স্থান। কোনো দলীয় বা ব্যক্তিগত রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়নে শিক্ষার্থীদের ব্যবহার করা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
প্রতিবাদলিপিতে শিক্ষার্থীদের রাজনৈতিক পরিচয় ও স্বাধীন মতামতের প্রতি সম্মান দেখানোর পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়কে দলীয় রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখার আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে আবাসন সংকটসহ শিক্ষার্থীদের মৌলিক সমস্যাগুলো সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানায় সংগঠনটি।
জাতীয় ছাত্রশক্তির পক্ষ থেকে বলা হয়, ১৮ হাজার শিক্ষার্থীর রাজনৈতিক মতামত ও স্বাধীনতার প্রতিনিধিত্ব করার অধিকার কোনো একক ব্যক্তি বা প্রশাসনের নেই।
প্রসঙ্গত, গত ৪ অক্টোবর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়াম উদ্বোধন অনুষ্ঠানে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম মেয়র প্রার্থী হলে ১৮ হাজার জবি শিক্ষার্থীকে নিয়ে তাঁর পাশে থাকার কথা বলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন। ওই বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতেই প্রতিবাদ জানায় জাতীয় ছাত্রশক্তি, জবি শাখা।
.png)
মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ অক্টোবর ২০২৬
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ১৮ হাজার শিক্ষার্থীকে কোনো রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে ব্যবহারের বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছে জাতীয় ছাত্রশক্তি, জবি শাখা। সংগঠনটির অভিযোগ, মেয়র নির্বাচনে নির্দিষ্ট প্রার্থীর পক্ষে শিক্ষার্থীদের ব্যবহারের কথা বলেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন।
রোববার (৫ অক্টোবর) জাতীয় ছাত্রশক্তি, জবি শাখার সাধারণ সম্পাদক ফেরদৌস শেখ স্বাক্ষরিত এক প্রতিবাদলিপিতে এ নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়।
প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৮ হাজার শিক্ষার্থী কোনো ব্যক্তি বা রাজনৈতিক দলের সম্পদ নয়। নির্বাচনে কোনো রাজনৈতিক দলের মতাদর্শ, পছন্দ কিংবা প্রার্থীর পক্ষে শিক্ষার্থীদের সমর্থন বা নির্বাচনী কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার এখতিয়ার কারও নেই।
সংগঠনটি আরও জানায়, বিশ্ববিদ্যালয় জ্ঞানচর্চা, গবেষণা ও মুক্তবুদ্ধির বিকাশের স্থান। কোনো দলীয় বা ব্যক্তিগত রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়নে শিক্ষার্থীদের ব্যবহার করা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
প্রতিবাদলিপিতে শিক্ষার্থীদের রাজনৈতিক পরিচয় ও স্বাধীন মতামতের প্রতি সম্মান দেখানোর পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়কে দলীয় রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখার আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে আবাসন সংকটসহ শিক্ষার্থীদের মৌলিক সমস্যাগুলো সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানায় সংগঠনটি।
জাতীয় ছাত্রশক্তির পক্ষ থেকে বলা হয়, ১৮ হাজার শিক্ষার্থীর রাজনৈতিক মতামত ও স্বাধীনতার প্রতিনিধিত্ব করার অধিকার কোনো একক ব্যক্তি বা প্রশাসনের নেই।
প্রসঙ্গত, গত ৪ অক্টোবর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়াম উদ্বোধন অনুষ্ঠানে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম মেয়র প্রার্থী হলে ১৮ হাজার জবি শিক্ষার্থীকে নিয়ে তাঁর পাশে থাকার কথা বলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন। ওই বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতেই প্রতিবাদ জানায় জাতীয় ছাত্রশক্তি, জবি শাখা।
.png)
আপনার মতামত লিখুন