জীবাণুর জিনোমিক্স, ব্যাকটেরিয়ার বিবর্তন ও অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স নিয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও গভীর শিক্ষণপ্রযুক্তির প্রয়োগে গবেষণা করতে যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি (ডি.ফিল) করতে যাচ্ছেন বাংলাদেশের তরুণ বিজ্ঞানী মোহাম্মদ উজ্জ্বল হোসেন। গবেষণাটি একটি বৃহৎ আন্তর্জাতিক প্রকল্পের অংশ, যেখানে তিনটি মহাদেশের গবেষকেরা যৌথভাবে কাজ করবেন।
উজ্জ্বল মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (মাভাবিপ্রবি) বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী। বর্তমানে তিনি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অধীন ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বায়োটেকনোলজির (এনআইবি) বায়োইনফরমেটিক্স বিভাগের প্রধান হিসেবে কর্মরত।
পিএইচডির জন্য উজ্জ্বল অক্সফোর্ডের পাশাপাশি কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় এবং যুক্তরাষ্ট্রের একটি আইভি লিগ বিশ্ববিদ্যালয় থেকেও প্রস্তাব পেয়েছিলেন। তবে গবেষণার বিষয় ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা বিবেচনায় অক্সফোর্ডকে বেছে নেন তিনি।
পিএইচডির আগে নোবেলজয়ী বিজ্ঞানী অধ্যাপক স্যার পিটার জে. র্যাটক্লিফের গবেষণাগার থেকেও গবেষণার সুযোগ পেয়েছিলেন উজ্জ্বল। ২০১৯ সালে চিকিৎসাশাস্ত্রে নোবেল পুরস্কার পাওয়া র্যাটক্লিফের ল্যাবে কাজের সুযোগ থাকলেও জীববিজ্ঞানে এআই ও মেশিন লার্নিংয়ের প্রয়োগ নিয়ে নিজের আগ্রহকে অগ্রাধিকার দেন তিনি।
উজ্জ্বল ২০২২ সালে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। তাঁর থিসিস গবেষণা ছিল বিশ্ববিদ্যালয়টির ওয়েলকাম সেন্টার ফর হিউম্যান জেনেটিকসে। দেশে বায়োইনফরমেটিক্স গবেষণার বিকাশেও তিনি কাজ করছেন। ২০২০ সালে তাঁর ‘গবেষণায় বায়োইনফরমেটিক্স’ বই প্রকাশিত হয়।
পিএইচডি শেষে দেশে ফিরে জাতীয় পর্যায়ে জিনোমিক তথ্য-অবকাঠামো গড়ে তোলা এবং নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে এআইভিত্তিক বায়োইনফরমেটিক্সের ব্যবহার প্রতিষ্ঠা করতে চান উজ্জ্বল হোসেন।
.png)
বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জীবাণুর জিনোমিক্স, ব্যাকটেরিয়ার বিবর্তন ও অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স নিয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও গভীর শিক্ষণপ্রযুক্তির প্রয়োগে গবেষণা করতে যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি (ডি.ফিল) করতে যাচ্ছেন বাংলাদেশের তরুণ বিজ্ঞানী মোহাম্মদ উজ্জ্বল হোসেন। গবেষণাটি একটি বৃহৎ আন্তর্জাতিক প্রকল্পের অংশ, যেখানে তিনটি মহাদেশের গবেষকেরা যৌথভাবে কাজ করবেন।
উজ্জ্বল মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (মাভাবিপ্রবি) বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী। বর্তমানে তিনি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অধীন ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বায়োটেকনোলজির (এনআইবি) বায়োইনফরমেটিক্স বিভাগের প্রধান হিসেবে কর্মরত।
পিএইচডির জন্য উজ্জ্বল অক্সফোর্ডের পাশাপাশি কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় এবং যুক্তরাষ্ট্রের একটি আইভি লিগ বিশ্ববিদ্যালয় থেকেও প্রস্তাব পেয়েছিলেন। তবে গবেষণার বিষয় ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা বিবেচনায় অক্সফোর্ডকে বেছে নেন তিনি।
পিএইচডির আগে নোবেলজয়ী বিজ্ঞানী অধ্যাপক স্যার পিটার জে. র্যাটক্লিফের গবেষণাগার থেকেও গবেষণার সুযোগ পেয়েছিলেন উজ্জ্বল। ২০১৯ সালে চিকিৎসাশাস্ত্রে নোবেল পুরস্কার পাওয়া র্যাটক্লিফের ল্যাবে কাজের সুযোগ থাকলেও জীববিজ্ঞানে এআই ও মেশিন লার্নিংয়ের প্রয়োগ নিয়ে নিজের আগ্রহকে অগ্রাধিকার দেন তিনি।
উজ্জ্বল ২০২২ সালে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। তাঁর থিসিস গবেষণা ছিল বিশ্ববিদ্যালয়টির ওয়েলকাম সেন্টার ফর হিউম্যান জেনেটিকসে। দেশে বায়োইনফরমেটিক্স গবেষণার বিকাশেও তিনি কাজ করছেন। ২০২০ সালে তাঁর ‘গবেষণায় বায়োইনফরমেটিক্স’ বই প্রকাশিত হয়।
পিএইচডি শেষে দেশে ফিরে জাতীয় পর্যায়ে জিনোমিক তথ্য-অবকাঠামো গড়ে তোলা এবং নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে এআইভিত্তিক বায়োইনফরমেটিক্সের ব্যবহার প্রতিষ্ঠা করতে চান উজ্জ্বল হোসেন।
.png)
আপনার মতামত লিখুন