চট্টগ্রাম নগরীর উন্নয়ন কোনো
নির্দিষ্ট এলাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের
(চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি বলেন, উন্নয়নের সুফল নগরীর প্রতিটি ওয়ার্ডে সমানভাবে
পৌঁছে দিতে পরিকল্পিতভাবে কাজ করছে চসিক।
আজ বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) নগরীর টাইগারপাস থেকে অক্সিজেন হয়ে ১ নম্বর দক্ষিণ পাহাড়তলী ওয়ার্ড থেকে ৪১ নম্বর পতেঙ্গা ওয়ার্ড পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও চলমান উন্নয়নকাজ সরেজমিন পরিদর্শনকালে এসব কথা বলেন তিনি।
মেয়র বলেন, পরিচ্ছন্নতা, সড়ক উন্নয়ন, সবুজায়ন, সৌন্দর্যবর্ধন ও নাগরিক সেবার মানোন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একটি পরিচ্ছন্ন, সবুজ, স্বাস্থ্যকর, নিরাপদ ও স্মার্ট চট্টগ্রাম গড়ে তোলাই চসিকের লক্ষ্য।
পরিদর্শনকালে মেয়র চলমান সৌন্দর্যবর্ধন, বৃক্ষরোপণ, সড়ক সংস্কার, মিডিয়ান উন্নয়ন, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম ও বিভিন্ন অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি এবং কাজের গুণগত মান পর্যবেক্ষণ করেন।
এ সময় তিনি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উন্নয়নকাজ শেষ করার পাশাপাশি
কাজের মান নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও প্রকৌশলীদের নির্দেশ দেন।
অক্সিজেন মোড়ে নির্মাণাধীন গোলচত্বরের কাজ পরিদর্শন করে মেয়র দ্রুত
নির্মাণকাজ শেষ করার জন্য নির্বাহী প্রকৌশলীকে নির্দেশনা দেন। একই সঙ্গে সাম্প্রতিক
ভারি বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত নগরীর বিভিন্ন সড়ক দ্রুত সংস্কারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে
প্রধান প্রকৌশলীকে নির্দেশ দেন।
নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোর মিডিয়ান ও আইল্যান্ডে জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা
দ্রুত অপসারণের জন্য প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেন মেয়র। পাশাপাশি মিডিয়ানগুলোতে
পরিকল্পিত বৃক্ষরোপণ ও সৌন্দর্যবর্ধন কার্যক্রম জোরদার এবং নিয়মিত তদারকির নির্দেশনা
দেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের।
ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘চট্টগ্রামকে শুধু অবকাঠামোগতভাবে নয়,
পরিবেশগতভাবেও আধুনিক ও বাসযোগ্য নগরীতে পরিণত করতে কাজ করা হচ্ছে। ব্যাপক বৃক্ষরোপণ
ও সৌন্দর্যবর্ধনের মাধ্যমে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব
মোকাবেলা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সবুজ নগর গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।‘
তিনি আরও বলেন, সাম্প্রতিক অতিবৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত সড়কগুলো দ্রুত
সংস্কারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নাগরিকদের দুর্ভোগ কমিয়ে স্বাভাবিক যোগাযোগব্যবস্থা
নিশ্চিত করাই অগ্রাধিকার।
মেয়র বলেন, ‘উন্নয়নকাজে কোনো ধরনের গাফিলতি বা নিম্নমানের কাজ বরদাশত করা হবে না। প্রতিটি প্রকল্প নির্ধারিত মান বজায় রেখে দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে, যাতে নগরবাসী দ্রুত উন্নয়নের সুফল পান। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়মিত মাঠপর্যায়ে উপস্থিত থেকে উন্নয়ন কার্যক্রম তদারক এবং নাগরিকবান্ধব সেবা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।‘
পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মো. আশরাফুল আমিন, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
শুক্রবার, ০৭ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ আগস্ট ২০২৬
চট্টগ্রাম নগরীর উন্নয়ন কোনো
নির্দিষ্ট এলাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের
(চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি বলেন, উন্নয়নের সুফল নগরীর প্রতিটি ওয়ার্ডে সমানভাবে
পৌঁছে দিতে পরিকল্পিতভাবে কাজ করছে চসিক।
আজ বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) নগরীর টাইগারপাস থেকে অক্সিজেন হয়ে ১ নম্বর দক্ষিণ পাহাড়তলী ওয়ার্ড থেকে ৪১ নম্বর পতেঙ্গা ওয়ার্ড পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও চলমান উন্নয়নকাজ সরেজমিন পরিদর্শনকালে এসব কথা বলেন তিনি।
মেয়র বলেন, পরিচ্ছন্নতা, সড়ক উন্নয়ন, সবুজায়ন, সৌন্দর্যবর্ধন ও নাগরিক সেবার মানোন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একটি পরিচ্ছন্ন, সবুজ, স্বাস্থ্যকর, নিরাপদ ও স্মার্ট চট্টগ্রাম গড়ে তোলাই চসিকের লক্ষ্য।
পরিদর্শনকালে মেয়র চলমান সৌন্দর্যবর্ধন, বৃক্ষরোপণ, সড়ক সংস্কার, মিডিয়ান উন্নয়ন, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম ও বিভিন্ন অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি এবং কাজের গুণগত মান পর্যবেক্ষণ করেন।
এ সময় তিনি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উন্নয়নকাজ শেষ করার পাশাপাশি
কাজের মান নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও প্রকৌশলীদের নির্দেশ দেন।
অক্সিজেন মোড়ে নির্মাণাধীন গোলচত্বরের কাজ পরিদর্শন করে মেয়র দ্রুত
নির্মাণকাজ শেষ করার জন্য নির্বাহী প্রকৌশলীকে নির্দেশনা দেন। একই সঙ্গে সাম্প্রতিক
ভারি বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত নগরীর বিভিন্ন সড়ক দ্রুত সংস্কারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে
প্রধান প্রকৌশলীকে নির্দেশ দেন।
নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোর মিডিয়ান ও আইল্যান্ডে জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা
দ্রুত অপসারণের জন্য প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেন মেয়র। পাশাপাশি মিডিয়ানগুলোতে
পরিকল্পিত বৃক্ষরোপণ ও সৌন্দর্যবর্ধন কার্যক্রম জোরদার এবং নিয়মিত তদারকির নির্দেশনা
দেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের।
ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘চট্টগ্রামকে শুধু অবকাঠামোগতভাবে নয়,
পরিবেশগতভাবেও আধুনিক ও বাসযোগ্য নগরীতে পরিণত করতে কাজ করা হচ্ছে। ব্যাপক বৃক্ষরোপণ
ও সৌন্দর্যবর্ধনের মাধ্যমে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব
মোকাবেলা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সবুজ নগর গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।‘
তিনি আরও বলেন, সাম্প্রতিক অতিবৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত সড়কগুলো দ্রুত
সংস্কারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নাগরিকদের দুর্ভোগ কমিয়ে স্বাভাবিক যোগাযোগব্যবস্থা
নিশ্চিত করাই অগ্রাধিকার।
মেয়র বলেন, ‘উন্নয়নকাজে কোনো ধরনের গাফিলতি বা নিম্নমানের কাজ বরদাশত করা হবে না। প্রতিটি প্রকল্প নির্ধারিত মান বজায় রেখে দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে, যাতে নগরবাসী দ্রুত উন্নয়নের সুফল পান। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়মিত মাঠপর্যায়ে উপস্থিত থেকে উন্নয়ন কার্যক্রম তদারক এবং নাগরিকবান্ধব সেবা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।‘
পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মো. আশরাফুল আমিন, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
আপনার মতামত লিখুন