ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

হালনাগাদের অভাবে পিছিয়ে কুবির ওয়েবসাইট



হালনাগাদের অভাবে পিছিয়ে কুবির ওয়েবসাইট
ছবি: কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়

প্রযুক্তির আধুনিকতা তথ্যের সহজলভ্যতার যুগে আমরা কোনো বিষয়ে চিন্তা বা বিড়ম্বনায় পড়লেই সমাধানের জন্য বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ওয়েবসাইটে অনুসন্ধান করি। ঠিক তেমনি, বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থীর জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট তার একাডেমিক জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তথ্যভান্ডার নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। ভর্তি, ক্লাস রুটিন, পরীক্ষার সময়সূচি, ফলাফল, গবেষণা কার্যক্রম, শিক্ষক পরিচিতি থেকে শুরু করে বিভিন্ন প্রশাসনিক একাডেমিক তথ্য সহজে পাওয়ার প্রধান মাধ্যম একটি আধুনিক তথ্যবহুল বিশ্ববিদ্যালয় ওয়েবসাইট।

প্রতিষ্ঠার দুই দশক পেরিয়ে গেলেও এখনো আধুনিক স্বয়ংসম্পূর্ণ একটি ওয়েবসাইটের অভাব কাটিয়ে উঠতে পারেনি কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি) একই সময়ে প্রতিষ্ঠিত দেশের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট যেখানে আধুনিক কার্যকর, সেখানে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) ওয়েবসাইট এখনো তথ্য হালনাগাদের অভাব তথ্যের অপ্রতুলতাসহ নানা সীমাবদ্ধতায় পিছিয়ে রয়েছে। ফলে শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়-সংশ্লিষ্টরা পড়ছেন নানা বিড়ম্বনায়।

বিষয়ে সরেজমিনে ওয়েবসাইট ঘেঁটে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে ধ্রুবকন্ঠের  বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি শারাফাত হোসাইন নাবা। জানা যায়, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে তথ্যের অপ্রতুলতা নিয়মিত হালনাগাদের অভাব দীর্ঘদিনের সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। অধিকাংশ বিভাগে একাডেমিক কারিকুলাম, রুটিন, ফলাফল স্নাতকোত্তর কার্যক্রম সম্পর্কিত প্রয়োজনীয় তথ্য পাওয়া যায় না। গবেষণা প্রকাশনা সংক্রান্ত তথ্যও অধিকাংশ ক্ষেত্রে অনুপস্থিত। এছাড়া অনলাইন সনদ ফলাফল যাচাইয়ের কার্যকর ব্যবস্থা না থাকায় উচ্চশিক্ষা চাকরির ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।

ওয়েবসাইট ঘেঁটে দেখা যায়, ওয়েবসাইটটিতে কিছু কিছু বিভাগের একাডেমিক কারিকুলাম, রুটিন দেওয়া থাকলেও বেশির ভাগ বিভাগে শুধু লক্ষ্য উদ্দেশ্য সম্পর্কিত সংক্ষিপ্ত তথ্য লেখা রয়েছে। এছাড়া, প্রতিটি বিভাগের শিক্ষার্থীদের একাডেমিক ফলাফল প্রকাশের সুযোগ থাকলেও সংশ্লিষ্ট সেকশনগুলোতে কোনো তথ্য হালনাগাদ করা হয়নি। অনেক বিভাগে স্নাতকোত্তরের কোর্স চলমান থাকলেও সে সম্পর্কিত প্রয়োজনীয় তথ্যেরও কোনো উল্লেখ নেই  

জানা যায়, পূর্বে শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে সনদ যাচাই পদ্ধতি শিক্ষার্থীদের তথ্য অনলাইন ডাটাবেইজে সংরক্ষণ করার দাবি জানালেও আশানুরূপ কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তাদের দাবি, নামের মিল থাকায় নামসর্বস্ব একটি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের কারণে সনদ যাচাই করতে গিয়ে উচ্চশিক্ষাসহ বিভিন্ন চাকরির বোর্ডে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের।  

ওয়েবসাইটটিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তাদের পরিচয় বিস্তারিত দেওয়া হয়নি। শুধু নাম, ছবি, -মেইল, ফোন নম্বর পর্যন্ত পরিচয় সীমাবদ্ধ। কিছু বিভাগে শিক্ষকদের গবেষণার বিষয় সংযুক্ত থাকলেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সংক্রান্ত তথ্য অনুপস্থিত। ফলে শিক্ষার্থীরা কোন গবেষণার কাজে কোন শিক্ষকের কাছ থেকে সঠিক দিকনির্দেশনা পেতে পারেন, তা নিয়ে সংশয়ে থাকেন।

বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ্যাংকিং সংস্থা কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত গবেষণাপত্র বা একাডেমিক আর্টিকেলসংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্য না পাওয়ায় বিশ্ব ্যাংকিংয়েও পিছিয়ে পড়ছে। ওয়েবসাইট খুঁজে দেখা যায়, ওয়েবসাইটটিতে রিসার্চের জন্য পৃথক একটি সেকশন থাকলেও সেখানে কোনো তথ্যই হালনাগাদ করা হয়নি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ওয়েবসাইট নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করেন আইন বিভাগের শিক্ষার্থী বায়জিদ হোসেন। তিনি বলেন, “বর্তমানে কোনো তথ্যের প্রয়োজন হলেই মানুষ প্রথমে অনলাইনের দ্বারস্থ হয়। উন্নত বিশ্বের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ক্ষেত্রে অনেক এগিয়ে। আমাদের দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও ধীরে ধীরে তাদের প্রায় সব কার্যক্রম অনলাইনের মাধ্যমে পরিচালনা করছে। তাদের ওয়েবসাইটগুলো তথ্যসমৃদ্ধ, আধুনিক এবং শিক্ষার্থীবান্ধব। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখজনক হলেও সত্য, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে প্রয়োজনীয় তথ্যের বড়ই অভাব।ওয়েবসাইটটি দেখলে মনে হয় আমরা এখনো কয়েক যুগ পিছিয়ে আছি। একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের মান, কার্যক্রম আন্তর্জাতিক পরিচিতির বড় একটি অংশ প্রকাশ পায় তার ওয়েবসাইটের মাধ্যমে। কিন্তু আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট সেই মানদণ্ডে অত্যন্ত দুর্বল। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রতিবছর অনেক শিক্ষার্থী বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য যায়। কিন্তু সার্টিফিকেট একাডেমিক তথ্য যাচাইয়ের জন্য কোনো অনলাইন ব্যবস্থা না থাকায় তাদের নানা ধরনের বিড়ম্বনার শিকার হতে হয়। রেজিস্ট্রেশন নম্বর বা শিক্ষার্থীর তথ্য দিয়ে অনলাইনে ফলাফল বা সার্টিফিকেট যাচাই করা যায় না। ফলে বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করতে হয়, যা অত্যন্ত সময়সাপেক্ষ ঝামেলাপূর্ণ।

তিনি আরও বলেন, “অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে শিক্ষকদের গবেষণা, প্রকাশনা চলমান গবেষণা প্রকল্পের বিস্তারিত তথ্য সহজেই পাওয়া যায়। অথচ আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে অধিকাংশ ক্ষেত্রেইনো ডাটা ফাউন্ডলেখা দেখা যায়। গুটিকয়েক শিক্ষক ছাড়া কারও গবেষণা বা প্রকাশনার তথ্য সেখানে সংযুক্ত নেই। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয় এবং বাইরের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো আমাদের প্রতিষ্ঠানকে তৃতীয় শ্রেণির মনে করতে পারে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সম্পন্ন গবেষণা, চলমান গবেষণা প্রকল্প কিংবা একাডেমিক অর্জন সম্পর্কে কোনো সুনির্দিষ্ট হালনাগাদ তথ্য না থাকায় শিক্ষার্থীরাও নানা সমস্যার সম্মুখীন হয়। এই অচলাবস্থা শুধু প্রযুক্তিগত দুর্বলতাই নয়, বরং বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রিক অগ্রগতির পথেও বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।তাই, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে বিনীত আন্তরিক আবেদন থাকবে-আপনারা একটু সময় গুরুত্ব দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটকে আধুনিক, তথ্যসমৃদ্ধ এবং শিক্ষার্থীবান্ধব করে তুলুন।

গণযোগাযোগ সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী মো: এনামুল হক বলেন, “একটি বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে জানা কিংবা ধারণা নেয়ার সর্বোত্তম উপায় হচ্ছে সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট। দুঃখের বিষয় আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটের যে নাজুক অবস্থা যে কেউ অনুমান করবে, এখানে দীর্ঘদিন যাবত সকল ধরনের কার্যক্রম বন্ধ আছে। নিয়মিত হালনাগাদ না করায় শিক্ষার্থীদের প্রায়সই ভোগান্তিতে পড়তে হয়। শ্রেণী কার্যক্রম,গুরুত্বপূর্ণ নোটিশ, রেজাল্ট কিংবা অন গোয়িং রিসার্চ সম্পর্কিত কোন তথ্যই ওয়েবসাইটটিতে পাওয়া যায় না।

এমনকি দেশের বাইরে পড়তে যাওয়া একাধিক শিক্ষার্থীকে ওয়েবসাইট সংক্রান্ত বিভ্রান্তির কারনে দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। আমি কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থী হিসেবে চাই, ওয়েবসাইটটি যথাযথ ভাবে ডেভেলাপ এবং নিয়মিত হালনাগাদ করা হোক।

এই বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ সাংবাদিকতা বিভাগের প্রভাষক মশিউর রহমান বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট হচ্ছে আমাদের চেহারা। দূরের কোন মানুষ বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে জানতে চাইলে সবার আগে ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, গবেষণা, একাডেমিক কার্যক্রম সামগ্রিক পরিবেশ সম্পর্কে ধারণা নেয়। অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের তুলনায় আমাদের ভালো কার্যক্রম থাকা সত্ত্বেও বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটটিতে অনেক তথ্য পরিপূর্ণভাবে উপস্থাপন না হওয়ার কারণে কুবি আন্তর্জাতিক মূল্যায়নে সেকশন বি ক্যাটাগরিতে রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, “ওয়েবসাইটটি তৈরির সময় বড় বাজেটের একটি প্রকল্প ছিল বলে শুনেছি। এত বড় বাজেটের বিপরীতে যে মানসম্পন্ন আউটপুট প্রত্যাশিত ছিল, বাস্তবে সেই প্রতিফলন এখানে দেখা যাচ্ছে না।ওয়েবসাইটের ল্যান্ডিং পেজে বিশ্ববিদ্যালয়, শহীদ মিনার ইত্যাদি ছবির জায়গায় নিয়মিত সংবাদ, নোটিশ বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম যুক্ত করা প্রয়োজন। বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রশাসনিক পরিবর্তন, আন্তর্জাতিক সভা, গবেষণা কার্যক্রম কিংবা প্রতিদিনের উল্লেখযোগ্য ঘটনাগুলো ওয়েবসাইটে প্রকাশ হওয়া উচিত।

শিক্ষকদের প্রোফাইল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “শিক্ষকদের প্রোফাইলে বর্তমানে শুধুমাত্র মৌলিক কিছু তথ্য, লক্ষ্য কাজের বিবরণ থাকলেও অনেক ক্ষেত্রেই তা অসম্পূর্ণ রয়েছে। ব্যস্ততা কিংবা প্রয়োজনীয়তার অভাবে অনেক শিক্ষক নিজেদের প্রোফাইল হালনাগাদে গুরুত্ব দেন না বলেও মন্তব্য করেন তিনি। সম্প্রতি শিক্ষকরা কে কোন কোর্স পড়ান, সে সম্পর্কিত নতুন একটি অপশন যুক্ত হয়েছে এবং সেটি নিয়মিত তথ্য সংযোজনের মাধ্যমে কার্যকর করা সম্ভব। এতে প্রতিটি শিক্ষকের প্রোফাইল আরও সমৃদ্ধ হবে।

ওয়েবসাইটটিতে শিক্ষার্থীদের গবেষণা সংযুক্ত করা নিয়ে বলেন, “অনার্স মাস্টার্স পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের গবেষণা থিসিসপত্র সংরক্ষণে প্রিন্টেড কপির পাশাপাশি ডিজিটালভাবে সংরক্ষণের ব্যবস্থা গড়ে তোলা প্রয়োজন। ওয়েবসাইটের লাইব্রেরি সেকশনের মধ্যেস্টুডেন্টস ওয়ার্কনামে আলাদা অংশে বিভাগভিত্তিক এসব গবেষণা সংযুক্ত করা হলে শিক্ষার্থীদের গবেষণার আগ্রহ বাড়বে এবং কোন শিক্ষক কোন বিষয়ে গবেষণা পরিচালনা করছেন বা শিক্ষার্থীদের সাহায্য করছেন, সে সম্পর্কেও স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে।

তিনি আরও বলেন, “প্রতিটি বিভাগের নিজস্ব ড্যাশবোর্ড থাকা উচিত, যেখানে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বা সেকশন অফিসার পরীক্ষার রুটিন, ক্লাস রুটিন, নোটিশ ফলাফলসহ প্রয়োজনীয় তথ্য নিয়মিত আপলোড করবেন। এতে প্রচলিত বোর্ডনির্ভর তথ্য প্রকাশের পরিবর্তে শিক্ষার্থীরা সহজেই ওয়েবসাইট থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করতে পারবে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের জন্য আলাদা লগইন সিস্টেম চালু করার মাধ্যমে ফলাফল, ট্রান্সক্রিপ্ট, সনদ যাচাই বিভিন্ন আবেদন প্রক্রিয়া অনলাইনে সম্পন্ন করা সম্ভব হবে।

ওয়েবসাইটে গবেষণার তথ্য উপস্থাপনায়ও বড় ঘাটতির কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষক প্রতিবছর ইউজিসি থেকে বিভিন্ন গবেষণা অনুদান পেলেও চলমান সম্পন্ন হওয়া গবেষণার তথ্য ওয়েবসাইটে যথাযথভাবে প্রকাশ করা হয় না। কোন শিক্ষক কোন বিষয়ে কাজ করছেন, কী পরিমাণ অনুদান পেয়েছেন কিংবা গবেষণার অগ্রগতি কী-এসব তথ্য ওয়েবসাইটে নিয়মিত হালনাগাদ হওয়া উচিত। ওয়েবসাইটের বর্তমান অবস্থা পরিবর্তনের জন্য বড় ধরনের একটা ঝাঁকি দরকার। সেটি করা গেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক ভাবমূর্তি, র‍্যাংকিং ও শিক্ষার্থীদের সেবাপ্রাপ্তি-সবক্ষেত্রেই ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।

ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য . এম এম শরীফুল করীম বলেন, “আমি আইসিটি সেল এবং সংশ্লিষ্ট সকলের সঙ্গে এই বিষয়ে কথা বলবো। পূর্বে সকল সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নিব।

 

 

এনএম/ধ্রুবকন্ঠ

বিষয় : কুবি হালনাগাদ ওয়েবসাইট

আপনার মতামত লিখুন

ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬


হালনাগাদের অভাবে পিছিয়ে কুবির ওয়েবসাইট

প্রকাশের তারিখ : ২১ মে ২০২৬

featured Image

প্রযুক্তির আধুনিকতা তথ্যের সহজলভ্যতার যুগে আমরা কোনো বিষয়ে চিন্তা বা বিড়ম্বনায় পড়লেই সমাধানের জন্য বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ওয়েবসাইটে অনুসন্ধান করি। ঠিক তেমনি, বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থীর জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট তার একাডেমিক জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তথ্যভান্ডার নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। ভর্তি, ক্লাস রুটিন, পরীক্ষার সময়সূচি, ফলাফল, গবেষণা কার্যক্রম, শিক্ষক পরিচিতি থেকে শুরু করে বিভিন্ন প্রশাসনিক একাডেমিক তথ্য সহজে পাওয়ার প্রধান মাধ্যম একটি আধুনিক তথ্যবহুল বিশ্ববিদ্যালয় ওয়েবসাইট।

প্রতিষ্ঠার দুই দশক পেরিয়ে গেলেও এখনো আধুনিক স্বয়ংসম্পূর্ণ একটি ওয়েবসাইটের অভাব কাটিয়ে উঠতে পারেনি কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি) একই সময়ে প্রতিষ্ঠিত দেশের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট যেখানে আধুনিক কার্যকর, সেখানে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) ওয়েবসাইট এখনো তথ্য হালনাগাদের অভাব তথ্যের অপ্রতুলতাসহ নানা সীমাবদ্ধতায় পিছিয়ে রয়েছে। ফলে শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়-সংশ্লিষ্টরা পড়ছেন নানা বিড়ম্বনায়।

বিষয়ে সরেজমিনে ওয়েবসাইট ঘেঁটে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে ধ্রুবকন্ঠের  বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি শারাফাত হোসাইন নাবা। জানা যায়, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে তথ্যের অপ্রতুলতা নিয়মিত হালনাগাদের অভাব দীর্ঘদিনের সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। অধিকাংশ বিভাগে একাডেমিক কারিকুলাম, রুটিন, ফলাফল স্নাতকোত্তর কার্যক্রম সম্পর্কিত প্রয়োজনীয় তথ্য পাওয়া যায় না। গবেষণা প্রকাশনা সংক্রান্ত তথ্যও অধিকাংশ ক্ষেত্রে অনুপস্থিত। এছাড়া অনলাইন সনদ ফলাফল যাচাইয়ের কার্যকর ব্যবস্থা না থাকায় উচ্চশিক্ষা চাকরির ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।

ওয়েবসাইট ঘেঁটে দেখা যায়, ওয়েবসাইটটিতে কিছু কিছু বিভাগের একাডেমিক কারিকুলাম, রুটিন দেওয়া থাকলেও বেশির ভাগ বিভাগে শুধু লক্ষ্য উদ্দেশ্য সম্পর্কিত সংক্ষিপ্ত তথ্য লেখা রয়েছে। এছাড়া, প্রতিটি বিভাগের শিক্ষার্থীদের একাডেমিক ফলাফল প্রকাশের সুযোগ থাকলেও সংশ্লিষ্ট সেকশনগুলোতে কোনো তথ্য হালনাগাদ করা হয়নি। অনেক বিভাগে স্নাতকোত্তরের কোর্স চলমান থাকলেও সে সম্পর্কিত প্রয়োজনীয় তথ্যেরও কোনো উল্লেখ নেই  

জানা যায়, পূর্বে শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে সনদ যাচাই পদ্ধতি শিক্ষার্থীদের তথ্য অনলাইন ডাটাবেইজে সংরক্ষণ করার দাবি জানালেও আশানুরূপ কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তাদের দাবি, নামের মিল থাকায় নামসর্বস্ব একটি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের কারণে সনদ যাচাই করতে গিয়ে উচ্চশিক্ষাসহ বিভিন্ন চাকরির বোর্ডে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের।  

ওয়েবসাইটটিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তাদের পরিচয় বিস্তারিত দেওয়া হয়নি। শুধু নাম, ছবি, -মেইল, ফোন নম্বর পর্যন্ত পরিচয় সীমাবদ্ধ। কিছু বিভাগে শিক্ষকদের গবেষণার বিষয় সংযুক্ত থাকলেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সংক্রান্ত তথ্য অনুপস্থিত। ফলে শিক্ষার্থীরা কোন গবেষণার কাজে কোন শিক্ষকের কাছ থেকে সঠিক দিকনির্দেশনা পেতে পারেন, তা নিয়ে সংশয়ে থাকেন।

বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ্যাংকিং সংস্থা কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত গবেষণাপত্র বা একাডেমিক আর্টিকেলসংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্য না পাওয়ায় বিশ্ব ্যাংকিংয়েও পিছিয়ে পড়ছে। ওয়েবসাইট খুঁজে দেখা যায়, ওয়েবসাইটটিতে রিসার্চের জন্য পৃথক একটি সেকশন থাকলেও সেখানে কোনো তথ্যই হালনাগাদ করা হয়নি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ওয়েবসাইট নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করেন আইন বিভাগের শিক্ষার্থী বায়জিদ হোসেন। তিনি বলেন, “বর্তমানে কোনো তথ্যের প্রয়োজন হলেই মানুষ প্রথমে অনলাইনের দ্বারস্থ হয়। উন্নত বিশ্বের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ক্ষেত্রে অনেক এগিয়ে। আমাদের দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও ধীরে ধীরে তাদের প্রায় সব কার্যক্রম অনলাইনের মাধ্যমে পরিচালনা করছে। তাদের ওয়েবসাইটগুলো তথ্যসমৃদ্ধ, আধুনিক এবং শিক্ষার্থীবান্ধব। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখজনক হলেও সত্য, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে প্রয়োজনীয় তথ্যের বড়ই অভাব।ওয়েবসাইটটি দেখলে মনে হয় আমরা এখনো কয়েক যুগ পিছিয়ে আছি। একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের মান, কার্যক্রম আন্তর্জাতিক পরিচিতির বড় একটি অংশ প্রকাশ পায় তার ওয়েবসাইটের মাধ্যমে। কিন্তু আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট সেই মানদণ্ডে অত্যন্ত দুর্বল। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রতিবছর অনেক শিক্ষার্থী বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য যায়। কিন্তু সার্টিফিকেট একাডেমিক তথ্য যাচাইয়ের জন্য কোনো অনলাইন ব্যবস্থা না থাকায় তাদের নানা ধরনের বিড়ম্বনার শিকার হতে হয়। রেজিস্ট্রেশন নম্বর বা শিক্ষার্থীর তথ্য দিয়ে অনলাইনে ফলাফল বা সার্টিফিকেট যাচাই করা যায় না। ফলে বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করতে হয়, যা অত্যন্ত সময়সাপেক্ষ ঝামেলাপূর্ণ।

তিনি আরও বলেন, “অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে শিক্ষকদের গবেষণা, প্রকাশনা চলমান গবেষণা প্রকল্পের বিস্তারিত তথ্য সহজেই পাওয়া যায়। অথচ আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে অধিকাংশ ক্ষেত্রেইনো ডাটা ফাউন্ডলেখা দেখা যায়। গুটিকয়েক শিক্ষক ছাড়া কারও গবেষণা বা প্রকাশনার তথ্য সেখানে সংযুক্ত নেই। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয় এবং বাইরের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো আমাদের প্রতিষ্ঠানকে তৃতীয় শ্রেণির মনে করতে পারে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সম্পন্ন গবেষণা, চলমান গবেষণা প্রকল্প কিংবা একাডেমিক অর্জন সম্পর্কে কোনো সুনির্দিষ্ট হালনাগাদ তথ্য না থাকায় শিক্ষার্থীরাও নানা সমস্যার সম্মুখীন হয়। এই অচলাবস্থা শুধু প্রযুক্তিগত দুর্বলতাই নয়, বরং বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রিক অগ্রগতির পথেও বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।তাই, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে বিনীত আন্তরিক আবেদন থাকবে-আপনারা একটু সময় গুরুত্ব দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটকে আধুনিক, তথ্যসমৃদ্ধ এবং শিক্ষার্থীবান্ধব করে তুলুন।

গণযোগাযোগ সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী মো: এনামুল হক বলেন, “একটি বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে জানা কিংবা ধারণা নেয়ার সর্বোত্তম উপায় হচ্ছে সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট। দুঃখের বিষয় আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটের যে নাজুক অবস্থা যে কেউ অনুমান করবে, এখানে দীর্ঘদিন যাবত সকল ধরনের কার্যক্রম বন্ধ আছে। নিয়মিত হালনাগাদ না করায় শিক্ষার্থীদের প্রায়সই ভোগান্তিতে পড়তে হয়। শ্রেণী কার্যক্রম,গুরুত্বপূর্ণ নোটিশ, রেজাল্ট কিংবা অন গোয়িং রিসার্চ সম্পর্কিত কোন তথ্যই ওয়েবসাইটটিতে পাওয়া যায় না।

এমনকি দেশের বাইরে পড়তে যাওয়া একাধিক শিক্ষার্থীকে ওয়েবসাইট সংক্রান্ত বিভ্রান্তির কারনে দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। আমি কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থী হিসেবে চাই, ওয়েবসাইটটি যথাযথ ভাবে ডেভেলাপ এবং নিয়মিত হালনাগাদ করা হোক।

এই বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ সাংবাদিকতা বিভাগের প্রভাষক মশিউর রহমান বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট হচ্ছে আমাদের চেহারা। দূরের কোন মানুষ বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে জানতে চাইলে সবার আগে ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, গবেষণা, একাডেমিক কার্যক্রম সামগ্রিক পরিবেশ সম্পর্কে ধারণা নেয়। অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের তুলনায় আমাদের ভালো কার্যক্রম থাকা সত্ত্বেও বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটটিতে অনেক তথ্য পরিপূর্ণভাবে উপস্থাপন না হওয়ার কারণে কুবি আন্তর্জাতিক মূল্যায়নে সেকশন বি ক্যাটাগরিতে রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, “ওয়েবসাইটটি তৈরির সময় বড় বাজেটের একটি প্রকল্প ছিল বলে শুনেছি। এত বড় বাজেটের বিপরীতে যে মানসম্পন্ন আউটপুট প্রত্যাশিত ছিল, বাস্তবে সেই প্রতিফলন এখানে দেখা যাচ্ছে না।ওয়েবসাইটের ল্যান্ডিং পেজে বিশ্ববিদ্যালয়, শহীদ মিনার ইত্যাদি ছবির জায়গায় নিয়মিত সংবাদ, নোটিশ বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম যুক্ত করা প্রয়োজন। বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রশাসনিক পরিবর্তন, আন্তর্জাতিক সভা, গবেষণা কার্যক্রম কিংবা প্রতিদিনের উল্লেখযোগ্য ঘটনাগুলো ওয়েবসাইটে প্রকাশ হওয়া উচিত।

শিক্ষকদের প্রোফাইল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “শিক্ষকদের প্রোফাইলে বর্তমানে শুধুমাত্র মৌলিক কিছু তথ্য, লক্ষ্য কাজের বিবরণ থাকলেও অনেক ক্ষেত্রেই তা অসম্পূর্ণ রয়েছে। ব্যস্ততা কিংবা প্রয়োজনীয়তার অভাবে অনেক শিক্ষক নিজেদের প্রোফাইল হালনাগাদে গুরুত্ব দেন না বলেও মন্তব্য করেন তিনি। সম্প্রতি শিক্ষকরা কে কোন কোর্স পড়ান, সে সম্পর্কিত নতুন একটি অপশন যুক্ত হয়েছে এবং সেটি নিয়মিত তথ্য সংযোজনের মাধ্যমে কার্যকর করা সম্ভব। এতে প্রতিটি শিক্ষকের প্রোফাইল আরও সমৃদ্ধ হবে।

ওয়েবসাইটটিতে শিক্ষার্থীদের গবেষণা সংযুক্ত করা নিয়ে বলেন, “অনার্স মাস্টার্স পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের গবেষণা থিসিসপত্র সংরক্ষণে প্রিন্টেড কপির পাশাপাশি ডিজিটালভাবে সংরক্ষণের ব্যবস্থা গড়ে তোলা প্রয়োজন। ওয়েবসাইটের লাইব্রেরি সেকশনের মধ্যেস্টুডেন্টস ওয়ার্কনামে আলাদা অংশে বিভাগভিত্তিক এসব গবেষণা সংযুক্ত করা হলে শিক্ষার্থীদের গবেষণার আগ্রহ বাড়বে এবং কোন শিক্ষক কোন বিষয়ে গবেষণা পরিচালনা করছেন বা শিক্ষার্থীদের সাহায্য করছেন, সে সম্পর্কেও স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে।

তিনি আরও বলেন, “প্রতিটি বিভাগের নিজস্ব ড্যাশবোর্ড থাকা উচিত, যেখানে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বা সেকশন অফিসার পরীক্ষার রুটিন, ক্লাস রুটিন, নোটিশ ফলাফলসহ প্রয়োজনীয় তথ্য নিয়মিত আপলোড করবেন। এতে প্রচলিত বোর্ডনির্ভর তথ্য প্রকাশের পরিবর্তে শিক্ষার্থীরা সহজেই ওয়েবসাইট থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করতে পারবে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের জন্য আলাদা লগইন সিস্টেম চালু করার মাধ্যমে ফলাফল, ট্রান্সক্রিপ্ট, সনদ যাচাই বিভিন্ন আবেদন প্রক্রিয়া অনলাইনে সম্পন্ন করা সম্ভব হবে।

ওয়েবসাইটে গবেষণার তথ্য উপস্থাপনায়ও বড় ঘাটতির কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষক প্রতিবছর ইউজিসি থেকে বিভিন্ন গবেষণা অনুদান পেলেও চলমান সম্পন্ন হওয়া গবেষণার তথ্য ওয়েবসাইটে যথাযথভাবে প্রকাশ করা হয় না। কোন শিক্ষক কোন বিষয়ে কাজ করছেন, কী পরিমাণ অনুদান পেয়েছেন কিংবা গবেষণার অগ্রগতি কী-এসব তথ্য ওয়েবসাইটে নিয়মিত হালনাগাদ হওয়া উচিত। ওয়েবসাইটের বর্তমান অবস্থা পরিবর্তনের জন্য বড় ধরনের একটা ঝাঁকি দরকার। সেটি করা গেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক ভাবমূর্তি, র‍্যাংকিং ও শিক্ষার্থীদের সেবাপ্রাপ্তি-সবক্ষেত্রেই ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।

ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য . এম এম শরীফুল করীম বলেন, “আমি আইসিটি সেল এবং সংশ্লিষ্ট সকলের সঙ্গে এই বিষয়ে কথা বলবো। পূর্বে সকল সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নিব।

 

 

এনএম/ধ্রুবকন্ঠ


ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

“তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম”

কপিরাইট © ২০২৬ ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত