বান্দরবানে
থানচি ও রুমা দুই উপজেলা সীমান্তে স্বশস্ত্র বাহিনীর কুকিচিং তান্ডবের দেশ ছেড়ে যাওয়া পরে সেনা বাহিনী
তত্ত্বাবধাননের প্রত্যাবর্তনকৃত বম পরিবারদের জীবন মান উন্নয়নের লক্ষ্যে ১২ গ্রামে
৩০০ শতাধিক বম ম্রো ত্রিপুরা সদস্যকে অর্থনৈতিক উন্নয়নের সহায়তা দিয়েছে বান্দরবান রিজিয়ানের
রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম।
মঙ্গলবার ২৮
জুলাই সকালে কুংহ্লা-কাইথন পাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়
মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সদর দপ্তর বান্দরবান রিজিয়নের পৃষ্ঠপোষকতায় এবং ১৬ ইস্ট বেঙ্গলের
ব্যবস্থাপনায় বাকলাইপাড়া আর্মি ক্যাম্পের আওতাধীন ১২টি পাহাড়ি গ্রামের প্রতিনিধিদের
হাতে ২টি চাঁন্দের গাড়ির চাবি তুলে দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান
অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান রিজিয়নের রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল
মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম। তিনি প্রাতা বম পাড়া প্রাঙ্গনের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন এবং স্থানীয়দের
জন্য সেনাবাহিনীর আয়োজিত বিনামূল্যে ঔষধ ও চিকিৎসা সেবা কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।
সেনাবাহিনী
জানায়, ২০২০ সালে কুকি-চিন সন্ত্রাসী তৎপরতার সময় ভারতে মিজোরামে আশ্রয় নেওয়ার পর দেশে
ফিরে আসা ছয়টি বমপাড়া, একটি ত্রিপুরাপাড়া ও পাঁচটি ম্রোপাড়াসহ মোট ১২টি গ্রামের মানুষের
দীর্ঘদিনের যোগাযোগ ও পরিবহন সংকট নিরসনে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত
ছিলেন ১৬ ইস্ট বেঙ্গলের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সৈয়দ আতিকুল করিম (পিএসসি), বলীপাড়া
৩৮ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ইয়াসির আরাফাত হোসেন, বান্দরবান
রিজিয়নের জি-৩ ক্যাপ্টেন সামিউল ইসলাম, থানচি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবদুল্লাহ
আল-ফয়সাল, মেজর আসিফ জুবায়ের, পার্বত্য বম কাউন্সিল সোসাইটির সভাপতি ও জেলা পরিষদের
সদস্য লালজার বমসহ সেনাবাহিনীর বিভিন্ন পর্যায়ের
কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, হেডম্যান, কারবারি ও স্থানীয় বাসিন্দারা স্বতস্ফুর্ত অংশ গ্রহণ
করেন।
স্থানীয়রা জানান,
নতুন দুটি যানবাহন রোগী পরিবহন, শিক্ষার্থীদের যাতায়াত, কৃষিপণ্য ও ফলমূল বাজারজাতকরণ
এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য পরিবহনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে স্থানীয় তরুণদের
কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং দুর্গম এ অঞ্চলের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নতুন গতি
আসবে।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জুলাই ২০২৬
বান্দরবানে
থানচি ও রুমা দুই উপজেলা সীমান্তে স্বশস্ত্র বাহিনীর কুকিচিং তান্ডবের দেশ ছেড়ে যাওয়া পরে সেনা বাহিনী
তত্ত্বাবধাননের প্রত্যাবর্তনকৃত বম পরিবারদের জীবন মান উন্নয়নের লক্ষ্যে ১২ গ্রামে
৩০০ শতাধিক বম ম্রো ত্রিপুরা সদস্যকে অর্থনৈতিক উন্নয়নের সহায়তা দিয়েছে বান্দরবান রিজিয়ানের
রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম।
মঙ্গলবার ২৮
জুলাই সকালে কুংহ্লা-কাইথন পাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়
মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সদর দপ্তর বান্দরবান রিজিয়নের পৃষ্ঠপোষকতায় এবং ১৬ ইস্ট বেঙ্গলের
ব্যবস্থাপনায় বাকলাইপাড়া আর্মি ক্যাম্পের আওতাধীন ১২টি পাহাড়ি গ্রামের প্রতিনিধিদের
হাতে ২টি চাঁন্দের গাড়ির চাবি তুলে দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান
অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান রিজিয়নের রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল
মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম। তিনি প্রাতা বম পাড়া প্রাঙ্গনের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন এবং স্থানীয়দের
জন্য সেনাবাহিনীর আয়োজিত বিনামূল্যে ঔষধ ও চিকিৎসা সেবা কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।
সেনাবাহিনী
জানায়, ২০২০ সালে কুকি-চিন সন্ত্রাসী তৎপরতার সময় ভারতে মিজোরামে আশ্রয় নেওয়ার পর দেশে
ফিরে আসা ছয়টি বমপাড়া, একটি ত্রিপুরাপাড়া ও পাঁচটি ম্রোপাড়াসহ মোট ১২টি গ্রামের মানুষের
দীর্ঘদিনের যোগাযোগ ও পরিবহন সংকট নিরসনে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত
ছিলেন ১৬ ইস্ট বেঙ্গলের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সৈয়দ আতিকুল করিম (পিএসসি), বলীপাড়া
৩৮ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ইয়াসির আরাফাত হোসেন, বান্দরবান
রিজিয়নের জি-৩ ক্যাপ্টেন সামিউল ইসলাম, থানচি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবদুল্লাহ
আল-ফয়সাল, মেজর আসিফ জুবায়ের, পার্বত্য বম কাউন্সিল সোসাইটির সভাপতি ও জেলা পরিষদের
সদস্য লালজার বমসহ সেনাবাহিনীর বিভিন্ন পর্যায়ের
কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, হেডম্যান, কারবারি ও স্থানীয় বাসিন্দারা স্বতস্ফুর্ত অংশ গ্রহণ
করেন।
স্থানীয়রা জানান,
নতুন দুটি যানবাহন রোগী পরিবহন, শিক্ষার্থীদের যাতায়াত, কৃষিপণ্য ও ফলমূল বাজারজাতকরণ
এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য পরিবহনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে স্থানীয় তরুণদের
কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং দুর্গম এ অঞ্চলের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নতুন গতি
আসবে।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
আপনার মতামত লিখুন