রাজশাহীর এক কোণে, বড়গাছি মালপাড়া আশ্রয় কেন্দ্রের
পাশেই প্রতিদিন জীবনের সঙ্গে লড়াই করেন মেয়ে মানুষ টুলি বেগম। বয়সের ভার, সংসারের
কষ্ট আর আপনজনের অবহেলা-সবকিছুকে সঙ্গী করে তিনি চালিয়ে যাচ্ছিলেন অটোরিকশা। সন্তানরা
খোঁজ নেয় না, তবুও থেমে থাকেননি তিনি। নিজের ঘামেই বাঁচিয়ে রেখেছেন সংসারের চাকা।
এই
সংগ্রামী মায়ের গল্প যখন গণমাধ্যমে প্রকাশ পায়, তা পৌঁছে যায় দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনের
শীর্ষ পর্যায়েও। মানবিক সেই আবেদন স্পর্শ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে। আর সেখান
থেকেই শুরু হয় টুলি বেগমের জীবনে এক নতুন অধ্যায়।
প্রধানমন্ত্রীর
নির্দেশে ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর
একটি প্রতিনিধি দল ছুটে আসে তার দরজায়। ছোট্ট
সেই আশ্রয়কেন্দ্র এলাকায় যেন নেমে আসে এক ভিন্ন আবহাওয়া। প্রতিনিধি দল শুধু খোঁজখবরই
নেয়নি, সঙ্গে নিয়ে এসেছে সহমর্মিতা, ভালোবাসা আর নতুন করে বাঁচার আশ্বাস।
টুলি
বেগমের হাতে তুলে দেওয়া হয় একটি নতুন ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা এবং নগদ আর্থিক সহায়তা।
দীর্ঘদিনের কষ্ট আর অনিশ্চয়তার ভেতর এই উপহার যেন তার জীবনে এক নতুন আলোর রেখা।
আবেগে
আপ্লুত টুলি বেগম বলেন,“আমি
ভাষায় বোঝাতে পারবো না কতটা খুশি হয়েছি। এই রিকশাটা আমার জীবনে অনেক বড় সহায়তা। আমি
প্রধানমন্ত্রীর জন্য দোয়া করি, আল্লাহ যেন তাকে ভালো রাখেন।”
প্রতিনিধি
দলের সদস্যরা জানান, টুলি বেগমের মতো অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোই তাদের লক্ষ্য। তারা
শুধু একটি পরিবার নয়, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে নির্যাতিত ও অবহেলিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর
এই কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।
স্থানীয়
নেতৃবৃন্দও জানান, এমন উদ্যোগ সমাজে মানবিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করে। একজন অসহায় মায়ের
জীবনে এই সহায়তা শুধু আর্থিক নয়, এটি মানসিক শক্তিরও উৎস।
টুলি
বেগমের গল্প আমাদের মনে করিয়ে দেয়-অবহেলার অন্ধকার যতই গভীর হোক, সহমর্মিতার একটি হাতই
পারে সেই অন্ধকার ভেদ করে আলো পৌঁছে দিতে। আর সেই আলোয় নতুন করে স্বপ্ন দেখতে শুরু
করেন টুলি বেগমের মতো অসংখ্য মানুষ। প্রধান মন্ত্রী তারেক রহমানের এমন উদ্যোগ, সকল
মহলে ব্যাপক প্রশংসা করেছেন।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
বিষয় : রাজশাহী উপহার প্রধানমন্ত্রী
.png)
শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ এপ্রিল ২০২৬
রাজশাহীর এক কোণে, বড়গাছি মালপাড়া আশ্রয় কেন্দ্রের
পাশেই প্রতিদিন জীবনের সঙ্গে লড়াই করেন মেয়ে মানুষ টুলি বেগম। বয়সের ভার, সংসারের
কষ্ট আর আপনজনের অবহেলা-সবকিছুকে সঙ্গী করে তিনি চালিয়ে যাচ্ছিলেন অটোরিকশা। সন্তানরা
খোঁজ নেয় না, তবুও থেমে থাকেননি তিনি। নিজের ঘামেই বাঁচিয়ে রেখেছেন সংসারের চাকা।
এই
সংগ্রামী মায়ের গল্প যখন গণমাধ্যমে প্রকাশ পায়, তা পৌঁছে যায় দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনের
শীর্ষ পর্যায়েও। মানবিক সেই আবেদন স্পর্শ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে। আর সেখান
থেকেই শুরু হয় টুলি বেগমের জীবনে এক নতুন অধ্যায়।
প্রধানমন্ত্রীর
নির্দেশে ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর
একটি প্রতিনিধি দল ছুটে আসে তার দরজায়। ছোট্ট
সেই আশ্রয়কেন্দ্র এলাকায় যেন নেমে আসে এক ভিন্ন আবহাওয়া। প্রতিনিধি দল শুধু খোঁজখবরই
নেয়নি, সঙ্গে নিয়ে এসেছে সহমর্মিতা, ভালোবাসা আর নতুন করে বাঁচার আশ্বাস।
টুলি
বেগমের হাতে তুলে দেওয়া হয় একটি নতুন ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা এবং নগদ আর্থিক সহায়তা।
দীর্ঘদিনের কষ্ট আর অনিশ্চয়তার ভেতর এই উপহার যেন তার জীবনে এক নতুন আলোর রেখা।
আবেগে
আপ্লুত টুলি বেগম বলেন,“আমি
ভাষায় বোঝাতে পারবো না কতটা খুশি হয়েছি। এই রিকশাটা আমার জীবনে অনেক বড় সহায়তা। আমি
প্রধানমন্ত্রীর জন্য দোয়া করি, আল্লাহ যেন তাকে ভালো রাখেন।”
প্রতিনিধি
দলের সদস্যরা জানান, টুলি বেগমের মতো অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোই তাদের লক্ষ্য। তারা
শুধু একটি পরিবার নয়, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে নির্যাতিত ও অবহেলিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর
এই কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।
স্থানীয়
নেতৃবৃন্দও জানান, এমন উদ্যোগ সমাজে মানবিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করে। একজন অসহায় মায়ের
জীবনে এই সহায়তা শুধু আর্থিক নয়, এটি মানসিক শক্তিরও উৎস।
টুলি
বেগমের গল্প আমাদের মনে করিয়ে দেয়-অবহেলার অন্ধকার যতই গভীর হোক, সহমর্মিতার একটি হাতই
পারে সেই অন্ধকার ভেদ করে আলো পৌঁছে দিতে। আর সেই আলোয় নতুন করে স্বপ্ন দেখতে শুরু
করেন টুলি বেগমের মতো অসংখ্য মানুষ। প্রধান মন্ত্রী তারেক রহমানের এমন উদ্যোগ, সকল
মহলে ব্যাপক প্রশংসা করেছেন।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
আপনার মতামত লিখুন