পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
বিশ্ববিদ্যালয়ে (পাবিপ্রবি) ইনকিলাব মঞ্চের আয়োজিত ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান বিষয়ক আলোচনাসভা
ও শহীদদের জন্য দোয়া’ কর্মসূচিতে অনুমতি না দেওয়াকে কেন্দ্র করে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন
সংগঠনটির নেতাকর্মীরা।
আজ
বুধবার (২৯ জুলাই) বিকেল ৪টার দিকে ক্যাম্পাসে এ বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়।
ইনকিলাব মঞ্চের নেতাদের অভিযোগ, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন প্রথমে মৌখিকভাবে
কর্মসূচির অনুমতি দিয়েছিল এবং পরে তারা লিখিত আবেদনও জমা দেন। তবে কর্মসূচি শুরুর আগে
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর তাদের জানান, কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক আবদুল্লাহ আল জাবেরের উপস্থিতি
নিয়ে ঊর্ধ্বতন মহলের আপত্তি থাকায় কর্মসূচির অনুমতি দেওয়া হবে না।
এতে অংশ নেন ইনকিলাব মঞ্চের কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক আবদুল্লাহ
আল জাবের, কেন্দ্রীয় সদস্য অভিনেতা আসাদুজ্জামান আসাদ, মাসুদুর রহমান আদনান, হাবিবুল্লাহ
মেজবাহ, আবু ওমায়ের, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পাবনা জেলার সাবেক আহ্বায়ক বরকতুল্লাহ
ফাহাদ, সাবেক মুখপাত্র সিরাজ্জুম মুনিরা, পাবিপ্রবি শাখার আহ্বায়ক মজনু আলম, সদস্যসচিব
ইব্রাহিম খলিলসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
পাবিপ্রবি শাখার আহ্বায়ক মজনু আলম বলেন, ‘প্রশাসন শুরুতে মৌখিক
সম্মতি দিয়েছিল এবং জানত যে আবদুল্লাহ আল জাবের অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন।‘
সময় ও স্থান চূড়ান্ত হওয়ার পর লিখিত অনুমতিপত্র নিতে গেলে সেটি
আর দেওয়া হয়নি বলে তিনি অভিযোগ করেন।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. কামরুজ্জামান
খান বলেন, ‘ইনকিলাব মঞ্চ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে কোনো লিখিত আবেদনই দেয়নি। তারা
জুলাইয়ে আহত শিক্ষার্থীসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিয়ে কর্মসূচি করতেই পারে।
কিন্তু বাইরের কোনো বিশ্ববিদ্যালয় বা সংগঠনের অতিথিকে বিশ্ববিদ্যালয়ে আনতে হলে এ বিষয়ে
অনুমতি নিতে হয়। তারা সে অনুমতি নেয়নি। তাই তাদের কর্মসূচি পালনের অনুমতি দেওয়া হয়নি।’
বিক্ষোভ মিছিলে ইনকিলাব মঞ্চের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক আবদুল্লাহ আল
জাবের বলেন, ‘কোথা থেকে ফোন আসে, কিভাবে প্রোগ্রাম বন্ধ হয়—এগুলো আমরা জানি। আমরা শুধু
একটা কথা স্মরণ করিয়ে দিতে চাই, একজন এক দেশে বসে স্বপ্ন দেখেছিল ২০৪১ সাল পর্যন্ত
সে কী কী করবে। কিন্তু ২০২৪ সালেই গরম ভাতের থালা রেখেই তাকে দিল্লিতে পালাতে হয়েছে।
আরেকজন নতুন করে ২০৩৪-এর বয়ান আমাদের শোনানোর চেষ্টা করছে। মনে রাখবেন, জুলাইয়ের সঙ্গে
যদি গাদ্দারি করা হয়, জুলাইয়ের শহীদদের যদি অবমাননা করা হয়, তাহলে ২৬ কিন্তু ২৭-এ গিয়ে
পৌঁছাবে না।’
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুলাই ২০২৬
পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
বিশ্ববিদ্যালয়ে (পাবিপ্রবি) ইনকিলাব মঞ্চের আয়োজিত ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান বিষয়ক আলোচনাসভা
ও শহীদদের জন্য দোয়া’ কর্মসূচিতে অনুমতি না দেওয়াকে কেন্দ্র করে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন
সংগঠনটির নেতাকর্মীরা।
আজ
বুধবার (২৯ জুলাই) বিকেল ৪টার দিকে ক্যাম্পাসে এ বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়।
ইনকিলাব মঞ্চের নেতাদের অভিযোগ, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন প্রথমে মৌখিকভাবে
কর্মসূচির অনুমতি দিয়েছিল এবং পরে তারা লিখিত আবেদনও জমা দেন। তবে কর্মসূচি শুরুর আগে
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর তাদের জানান, কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক আবদুল্লাহ আল জাবেরের উপস্থিতি
নিয়ে ঊর্ধ্বতন মহলের আপত্তি থাকায় কর্মসূচির অনুমতি দেওয়া হবে না।
এতে অংশ নেন ইনকিলাব মঞ্চের কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক আবদুল্লাহ
আল জাবের, কেন্দ্রীয় সদস্য অভিনেতা আসাদুজ্জামান আসাদ, মাসুদুর রহমান আদনান, হাবিবুল্লাহ
মেজবাহ, আবু ওমায়ের, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পাবনা জেলার সাবেক আহ্বায়ক বরকতুল্লাহ
ফাহাদ, সাবেক মুখপাত্র সিরাজ্জুম মুনিরা, পাবিপ্রবি শাখার আহ্বায়ক মজনু আলম, সদস্যসচিব
ইব্রাহিম খলিলসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
পাবিপ্রবি শাখার আহ্বায়ক মজনু আলম বলেন, ‘প্রশাসন শুরুতে মৌখিক
সম্মতি দিয়েছিল এবং জানত যে আবদুল্লাহ আল জাবের অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন।‘
সময় ও স্থান চূড়ান্ত হওয়ার পর লিখিত অনুমতিপত্র নিতে গেলে সেটি
আর দেওয়া হয়নি বলে তিনি অভিযোগ করেন।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. কামরুজ্জামান
খান বলেন, ‘ইনকিলাব মঞ্চ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে কোনো লিখিত আবেদনই দেয়নি। তারা
জুলাইয়ে আহত শিক্ষার্থীসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিয়ে কর্মসূচি করতেই পারে।
কিন্তু বাইরের কোনো বিশ্ববিদ্যালয় বা সংগঠনের অতিথিকে বিশ্ববিদ্যালয়ে আনতে হলে এ বিষয়ে
অনুমতি নিতে হয়। তারা সে অনুমতি নেয়নি। তাই তাদের কর্মসূচি পালনের অনুমতি দেওয়া হয়নি।’
বিক্ষোভ মিছিলে ইনকিলাব মঞ্চের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক আবদুল্লাহ আল
জাবের বলেন, ‘কোথা থেকে ফোন আসে, কিভাবে প্রোগ্রাম বন্ধ হয়—এগুলো আমরা জানি। আমরা শুধু
একটা কথা স্মরণ করিয়ে দিতে চাই, একজন এক দেশে বসে স্বপ্ন দেখেছিল ২০৪১ সাল পর্যন্ত
সে কী কী করবে। কিন্তু ২০২৪ সালেই গরম ভাতের থালা রেখেই তাকে দিল্লিতে পালাতে হয়েছে।
আরেকজন নতুন করে ২০৩৪-এর বয়ান আমাদের শোনানোর চেষ্টা করছে। মনে রাখবেন, জুলাইয়ের সঙ্গে
যদি গাদ্দারি করা হয়, জুলাইয়ের শহীদদের যদি অবমাননা করা হয়, তাহলে ২৬ কিন্তু ২৭-এ গিয়ে
পৌঁছাবে না।’
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
আপনার মতামত লিখুন