কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) ‘প্রতিরোধ দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় নারী শিক্ষার্থীদের জন্য ‘অরুণিমা’ নামে একটি ফিমেল কর্নার স্থাপনের ঘোষণা দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম।
রোববার (১১ জুলাই) বিকেল ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চে অনুষ্ঠিত ‘প্রতিরোধ দিবস’ উপলক্ষে আলোচনা সভায় এ ঘোষণা দেন তিনি।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম। মুখ্য আলোচক ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) সদস্য ড. চৌধুরী সায়মা ফেরদৌস। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাসুদা কামাল এবং ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ‘প্রতিরোধ দিবস’ উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকার।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম বলেন, “কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদের জন্য একটি কর্নার করা হবে। এর নাম হিসেবে আমরা ‘অরুণিমা কর্নার’ প্রস্তাব করেছি। এটি নারী শিক্ষার্থীদের বিশ্রামের জন্য একটি নির্দিষ্ট স্থান হবে। সেখানে স্বাস্থ্যসম্মত ওয়াশরুম, নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা এবং ক্লাসের ফাঁকে বিশ্রাম নেওয়ার সুযোগ থাকবে। প্রয়োজনে সেখানে একটি পৃথক ব্রেস্টফিডিং কর্নারও রাখা হবে।”
.png)
সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ জুলাই ২০২৬
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) ‘প্রতিরোধ দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় নারী শিক্ষার্থীদের জন্য ‘অরুণিমা’ নামে একটি ফিমেল কর্নার স্থাপনের ঘোষণা দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম।
রোববার (১১ জুলাই) বিকেল ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চে অনুষ্ঠিত ‘প্রতিরোধ দিবস’ উপলক্ষে আলোচনা সভায় এ ঘোষণা দেন তিনি।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম। মুখ্য আলোচক ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) সদস্য ড. চৌধুরী সায়মা ফেরদৌস। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাসুদা কামাল এবং ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ‘প্রতিরোধ দিবস’ উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকার।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম বলেন, “কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদের জন্য একটি কর্নার করা হবে। এর নাম হিসেবে আমরা ‘অরুণিমা কর্নার’ প্রস্তাব করেছি। এটি নারী শিক্ষার্থীদের বিশ্রামের জন্য একটি নির্দিষ্ট স্থান হবে। সেখানে স্বাস্থ্যসম্মত ওয়াশরুম, নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা এবং ক্লাসের ফাঁকে বিশ্রাম নেওয়ার সুযোগ থাকবে। প্রয়োজনে সেখানে একটি পৃথক ব্রেস্টফিডিং কর্নারও রাখা হবে।”
.png)
আপনার মতামত লিখুন