টানা
ভারী বর্ষণ ও বন্যা পরিস্থিতিতে বান্দরবানের থানচি উপজেলার বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান
নেওয়া ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেছে উপজেলা প্রশাসন।
শনিবার
উপজেলার তিনটি আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নেওয়া মোট ৮৬টি পরিবারের মধ্যে চাল ১০ কেজি, ডাল
১ কেজি, ভোজ্যতেল ১ লিটার, লবণ ১ কেজি,চিনি ১ কেজি, এছাড়াও ২০০ গ্রাম করে মরিচ,হলুদ,ধন্যা
প্যাকেজ। নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়।
উপজেলা
প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, বলীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় আশ্রয়কেন্দ্রে ৪০টি পরিবার,
হেডম্যানপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় আশ্রয়কেন্দ্রে ৬টি পরিবার এবং থানচি সরকারি
উচ্চ বিদ্যালয় আশ্রয়কেন্দ্রে ৪০টি পরিবার গত ছয় দিন ধরে অবস্থান করছে।
বিতরনে
সময় প্রশাসনিক কর্মকর্তা ছাড়াও প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা: মো: শরীফুল ইসলাম, কৃষি
কর্মকর্তা মো: ওয়ালিদ হোসেন,সহ সরকারী কর্মকর্তা কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
উপজেলা
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা পরিবারগুলোর জন্য প্রয়োজনীয়
খাদ্যসহ অন্যান্য সহায়তা পর্যায়ক্রমে প্রদান করা হবে। পাশাপাশি বন্যা পরিস্থিতি স্বাভাবিক
না হওয়া পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছে প্রশাসন।
উপজেলা
নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবদুল্লাহ- আল- ফয়সাল বলেন, “টানা বর্ষণ ও বন্যার কারণে
ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে আশ্রয়কেন্দ্রগুলো চালু রাখা হয়েছে।
সেখানে অবস্থানরত প্রতিটি পরিবারের জন্য খাদ্যসহ প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করতে উপজেলা
প্রশাসন কাজ করছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে
এবং প্রয়োজন অনুযায়ী আরও সহায়তা দেওয়া হবে।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
বিষয় : প্রশাসন থানচি আশ্রয়কেন্দ্র ত্রাণ বিতরণ
.png)
শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ জুলাই ২০২৬
টানা
ভারী বর্ষণ ও বন্যা পরিস্থিতিতে বান্দরবানের থানচি উপজেলার বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান
নেওয়া ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেছে উপজেলা প্রশাসন।
শনিবার
উপজেলার তিনটি আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নেওয়া মোট ৮৬টি পরিবারের মধ্যে চাল ১০ কেজি, ডাল
১ কেজি, ভোজ্যতেল ১ লিটার, লবণ ১ কেজি,চিনি ১ কেজি, এছাড়াও ২০০ গ্রাম করে মরিচ,হলুদ,ধন্যা
প্যাকেজ। নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়।
উপজেলা
প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, বলীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় আশ্রয়কেন্দ্রে ৪০টি পরিবার,
হেডম্যানপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় আশ্রয়কেন্দ্রে ৬টি পরিবার এবং থানচি সরকারি
উচ্চ বিদ্যালয় আশ্রয়কেন্দ্রে ৪০টি পরিবার গত ছয় দিন ধরে অবস্থান করছে।
বিতরনে
সময় প্রশাসনিক কর্মকর্তা ছাড়াও প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা: মো: শরীফুল ইসলাম, কৃষি
কর্মকর্তা মো: ওয়ালিদ হোসেন,সহ সরকারী কর্মকর্তা কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
উপজেলা
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা পরিবারগুলোর জন্য প্রয়োজনীয়
খাদ্যসহ অন্যান্য সহায়তা পর্যায়ক্রমে প্রদান করা হবে। পাশাপাশি বন্যা পরিস্থিতি স্বাভাবিক
না হওয়া পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছে প্রশাসন।
উপজেলা
নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবদুল্লাহ- আল- ফয়সাল বলেন, “টানা বর্ষণ ও বন্যার কারণে
ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে আশ্রয়কেন্দ্রগুলো চালু রাখা হয়েছে।
সেখানে অবস্থানরত প্রতিটি পরিবারের জন্য খাদ্যসহ প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করতে উপজেলা
প্রশাসন কাজ করছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে
এবং প্রয়োজন অনুযায়ী আরও সহায়তা দেওয়া হবে।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
আপনার মতামত লিখুন