কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) তিন শিক্ষকের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ পুনর্বিবেচনার লক্ষ্যে ড. মোহাম্মদ সৈয়দুর রহমানকে আহ্বায়ক করে তিন সদস্যের রিভিউ (পুনর্বিবেচনা) কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে সদস্যসচিব হিসেবে রয়েছেন ডেপুটি রেজিস্ট্রার বিপ্লব মজুমদার এবং সদস্য হিসেবে রয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন উপদেষ্টা ড. মোহাম্মদ সাজ্জাদ হুসাইন।
সোমবার (২৯ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১০তম সিন্ডিকেট সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ও সিন্ডিকেট সদস্য-সচিব মোহাম্মদ নূরুল করিম চৌধুরী।
জানা যায়, ২০২০ সালে সান্ধ্য কোর্সের এক শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়ন এবং বিভাগের শিক্ষকদের নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করার অভিযোগ ওঠে ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আলী রেজওয়ান তালুকদারের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় তাকে বিভাগীয় প্রধানের পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয় এবং সহযোগী অধ্যাপক থেকে সহকারী অধ্যাপক পদে পদাবনতি দেওয়া হয়।
এছাড়া ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের প্রভাষক জসিম উদ্দিনের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় ত্যাগের পরও তিন শিক্ষার্থীকে নম্বর প্রদান এবং যৌন নিপীড়নের অভিযোগ ওঠে। পরবর্তীতে ১ অক্টোবর তদন্ত প্রতিবেদন প্রস্তুতের জন্য তাকে বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠানো হয় এবং সহকারী অধ্যাপক থেকে প্রভাষক পদে পদাবনতি দেওয়া হয়।
অন্যদিকে, ২০২৫ সালে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থীকে উত্তরপত্রসহ প্রশ্ন সরবরাহের অভিযোগে বিভাগের সহকারী অধ্যাপক কাজী এম আনিছুল ইসলামকে বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠানো হয়। একই সঙ্গে তাকে একাডেমিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মোহাম্মদ নূরুল করিম চৌধুরী বলেন, "শাস্তিপ্রাপ্ত তিনজন শিক্ষক উচ্চ আদালতে রিট পিটিশন দায়ের করেছেন এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে তদন্তের রিভিউ চেয়ে আবেদন করেছেন। এ বিষয়ে ড. মোহাম্মদ সৈয়দুর রহমানকে আহ্বায়ক করে তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি রিভিউ কমিটি গঠন করা হয়েছে। তবে আগের তদন্ত কমিটির কার্যক্রমও চলমান থাকবে।"
কমিটির আহ্বায়ক ড. মোহাম্মদ সৈয়দুর রহমান বলেন, "এ বিষয়ে আমি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো চিঠি পাইনি। তাই এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে পারছি না।"
.png)
সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুন ২০২৬
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) তিন শিক্ষকের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ পুনর্বিবেচনার লক্ষ্যে ড. মোহাম্মদ সৈয়দুর রহমানকে আহ্বায়ক করে তিন সদস্যের রিভিউ (পুনর্বিবেচনা) কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে সদস্যসচিব হিসেবে রয়েছেন ডেপুটি রেজিস্ট্রার বিপ্লব মজুমদার এবং সদস্য হিসেবে রয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন উপদেষ্টা ড. মোহাম্মদ সাজ্জাদ হুসাইন।
সোমবার (২৯ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১০তম সিন্ডিকেট সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ও সিন্ডিকেট সদস্য-সচিব মোহাম্মদ নূরুল করিম চৌধুরী।
জানা যায়, ২০২০ সালে সান্ধ্য কোর্সের এক শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়ন এবং বিভাগের শিক্ষকদের নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করার অভিযোগ ওঠে ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আলী রেজওয়ান তালুকদারের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় তাকে বিভাগীয় প্রধানের পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয় এবং সহযোগী অধ্যাপক থেকে সহকারী অধ্যাপক পদে পদাবনতি দেওয়া হয়।
এছাড়া ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের প্রভাষক জসিম উদ্দিনের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় ত্যাগের পরও তিন শিক্ষার্থীকে নম্বর প্রদান এবং যৌন নিপীড়নের অভিযোগ ওঠে। পরবর্তীতে ১ অক্টোবর তদন্ত প্রতিবেদন প্রস্তুতের জন্য তাকে বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠানো হয় এবং সহকারী অধ্যাপক থেকে প্রভাষক পদে পদাবনতি দেওয়া হয়।
অন্যদিকে, ২০২৫ সালে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থীকে উত্তরপত্রসহ প্রশ্ন সরবরাহের অভিযোগে বিভাগের সহকারী অধ্যাপক কাজী এম আনিছুল ইসলামকে বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠানো হয়। একই সঙ্গে তাকে একাডেমিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মোহাম্মদ নূরুল করিম চৌধুরী বলেন, "শাস্তিপ্রাপ্ত তিনজন শিক্ষক উচ্চ আদালতে রিট পিটিশন দায়ের করেছেন এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে তদন্তের রিভিউ চেয়ে আবেদন করেছেন। এ বিষয়ে ড. মোহাম্মদ সৈয়দুর রহমানকে আহ্বায়ক করে তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি রিভিউ কমিটি গঠন করা হয়েছে। তবে আগের তদন্ত কমিটির কার্যক্রমও চলমান থাকবে।"
কমিটির আহ্বায়ক ড. মোহাম্মদ সৈয়দুর রহমান বলেন, "এ বিষয়ে আমি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো চিঠি পাইনি। তাই এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে পারছি না।"
.png)
আপনার মতামত লিখুন