ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

সরকারি জলমহাল ইজারায় প্রকৃত জেলেদের স্বার্থ সংরক্ষণ করা হবে : ভূমিমন্ত্রী



সরকারি জলমহাল ইজারায় প্রকৃত জেলেদের স্বার্থ সংরক্ষণ করা হবে : ভূমিমন্ত্রী
ছবি: সংগৃহীত

দেশের সরকারি জলমহালগুলো ইজারা প্রদানের ক্ষেত্রে প্রকৃত জেলেদের স্বার্থ সংরক্ষণ করা হবে বলে জানিয়েছেন ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু। তিনি বলেন, ‘‘জাল যার জলা তারএই লক্ষ্যকে সামনে রেখে আগামীতে দেশের প্রকৃত জেলেদের স্বার্থ মাথায় রেখে জলমহাল ইজারা দেওয়া হবে। প্রবহমান নদী কখনো ইজারার আওতায় আসবে না।’ 

আজ শনিবার ( এপ্রিল) সুনামগঞ্জ শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে সরকারি জলমহাল আইন-২০২৬-এর খসড়া চূড়ান্তকরণ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে কথা বলেন তিনি।

ভূমিমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণার পর দেশের মানুষ মহান মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া তিন-তিন বার দেশের প্রধানমন্ত্রী থেকে জনগণের কল্যাণে কাজ করে গেছেন। এবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের মানুষের ভালোবাসা নিয়ে, জনরায় নিয়ে সরকার গঠন করেছেন। জনগণের স্বার্থ রক্ষা করাটাই সরকারের মূল লক্ষ্য।

তিনি আরও বলেন, ‘বর্তমান সময়ে বৈশ্বিক সমস্যার মধ্যেও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকার জনগণের দুর্ভোগের কথা চিন্তা করে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায়নি।’ 

ভূমিমন্ত্রী বলেন, বিএনপি জনগণের সরকার। জনগণের জন্যই সব সময় কাজ করে যাবে। তাই অন্যসব বিষয়ের সঙ্গে সঙ্গে সরকার প্রকৃত জেলদের স্বার্থ সুরক্ষায় সব সময় সচেষ্ট আছে। মধ্যস্বত্বভোগী কেউ যেন রাজধানী বা দেশের বাইরে বসে প্রকৃত মৎস্যজীবীদের হক নষ্ট করতে না পারে সে জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।

তিনি বলেন, কেউ যেন উগ্রবাদিতা ছড়াতে না পারে বিষয়ে সবাইকে সচেষ্ট থাকতে হবে। এই মাটি, এই দেশ আমরা সবাই মিলে গড়ে তুলেছি, সবার মধ্যে ধর্মীয় বন্ধন অত্যন্ত সুদৃঢ়। সততা, নিষ্ঠা এবং দেশপ্রেমে বলীয়ান হয়ে আমাদের সবাই মিলে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেন, ‘এই আইনের আওতায় প্রকৃত মৎস্যজীবীদের অগ্রাধিকার নিশ্চিত করা এবং প্রকৃত উপকারীভোগীদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করতে তালিকা পুনর্বিবেচনা সর্বোপরি তারা যেন অধিকতর সুবিধা পায় তা নিশ্চিত করতে হবে।’ 

ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এস এম সালেহ আহমেদের সভাপতিত্বে কর্মশালায় স্থানীয় সংসদ সদস্যবৃন্দ, প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বেলা, টিআইবি প্রতিনিধি বক্তৃব্য দেন। ছাড়া মৎসজীবী, এনজিও এবং মিডিয়া প্রতিনিধিরা কর্মশালায় তাদের মতামত তুলে ধরেন।

পরে ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু সার্কিট হাউজে বিএনপি এবং এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। 

সময় স্থানীয় সংসদ সদস্য কলিমউদ্দিন আহমেদ, কয়সর আহমেদ এবং কামরুজ্জামান কামরুল উপস্থিত ছিলেন বলে নিশ্চিত করেছেন ভূমি মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা।

 

এনএম/ধ্রুবকন্ঠ

বিষয় : সরকারি ভূমিমন্ত্রী ইজারা

আপনার মতামত লিখুন

ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

বুধবার, ১৩ মে ২০২৬


সরকারি জলমহাল ইজারায় প্রকৃত জেলেদের স্বার্থ সংরক্ষণ করা হবে : ভূমিমন্ত্রী

প্রকাশের তারিখ : ০৪ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

দেশের সরকারি জলমহালগুলো ইজারা প্রদানের ক্ষেত্রে প্রকৃত জেলেদের স্বার্থ সংরক্ষণ করা হবে বলে জানিয়েছেন ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু। তিনি বলেন, ‘‘জাল যার জলা তারএই লক্ষ্যকে সামনে রেখে আগামীতে দেশের প্রকৃত জেলেদের স্বার্থ মাথায় রেখে জলমহাল ইজারা দেওয়া হবে। প্রবহমান নদী কখনো ইজারার আওতায় আসবে না।’ 

আজ শনিবার ( এপ্রিল) সুনামগঞ্জ শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে সরকারি জলমহাল আইন-২০২৬-এর খসড়া চূড়ান্তকরণ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে কথা বলেন তিনি।

ভূমিমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণার পর দেশের মানুষ মহান মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া তিন-তিন বার দেশের প্রধানমন্ত্রী থেকে জনগণের কল্যাণে কাজ করে গেছেন। এবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের মানুষের ভালোবাসা নিয়ে, জনরায় নিয়ে সরকার গঠন করেছেন। জনগণের স্বার্থ রক্ষা করাটাই সরকারের মূল লক্ষ্য।

তিনি আরও বলেন, ‘বর্তমান সময়ে বৈশ্বিক সমস্যার মধ্যেও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকার জনগণের দুর্ভোগের কথা চিন্তা করে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায়নি।’ 

ভূমিমন্ত্রী বলেন, বিএনপি জনগণের সরকার। জনগণের জন্যই সব সময় কাজ করে যাবে। তাই অন্যসব বিষয়ের সঙ্গে সঙ্গে সরকার প্রকৃত জেলদের স্বার্থ সুরক্ষায় সব সময় সচেষ্ট আছে। মধ্যস্বত্বভোগী কেউ যেন রাজধানী বা দেশের বাইরে বসে প্রকৃত মৎস্যজীবীদের হক নষ্ট করতে না পারে সে জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।

তিনি বলেন, কেউ যেন উগ্রবাদিতা ছড়াতে না পারে বিষয়ে সবাইকে সচেষ্ট থাকতে হবে। এই মাটি, এই দেশ আমরা সবাই মিলে গড়ে তুলেছি, সবার মধ্যে ধর্মীয় বন্ধন অত্যন্ত সুদৃঢ়। সততা, নিষ্ঠা এবং দেশপ্রেমে বলীয়ান হয়ে আমাদের সবাই মিলে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেন, ‘এই আইনের আওতায় প্রকৃত মৎস্যজীবীদের অগ্রাধিকার নিশ্চিত করা এবং প্রকৃত উপকারীভোগীদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করতে তালিকা পুনর্বিবেচনা সর্বোপরি তারা যেন অধিকতর সুবিধা পায় তা নিশ্চিত করতে হবে।’ 

ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এস এম সালেহ আহমেদের সভাপতিত্বে কর্মশালায় স্থানীয় সংসদ সদস্যবৃন্দ, প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বেলা, টিআইবি প্রতিনিধি বক্তৃব্য দেন। ছাড়া মৎসজীবী, এনজিও এবং মিডিয়া প্রতিনিধিরা কর্মশালায় তাদের মতামত তুলে ধরেন।

পরে ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু সার্কিট হাউজে বিএনপি এবং এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। 

সময় স্থানীয় সংসদ সদস্য কলিমউদ্দিন আহমেদ, কয়সর আহমেদ এবং কামরুজ্জামান কামরুল উপস্থিত ছিলেন বলে নিশ্চিত করেছেন ভূমি মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা।

 

এনএম/ধ্রুবকন্ঠ


ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

“তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম”

কপিরাইট © ২০২৬ ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত