ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

মোহাম্মদপুরে হামলা-ভাঙচুরের ঘটনায় মামলা দায়ের, তদন্ত শুরু



মোহাম্মদপুরে হামলা-ভাঙচুরের ঘটনায় মামলা দায়ের, তদন্ত শুরু
ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকায় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে আসছে না। একের পর এক অভিযান চললেও হামলা, ভাঙচুর, হত্যা, মাদক কারবার ও ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটছে।

সর্বশেষ গত দুই দিনে বিএনপি অফিস ভাঙচুরের পাশাপাশি থানা এলাকায় সংঘর্ষের ঘটনায় চারজন আহত হয়। এ দুটি ঘটনায় মোহাম্মদপুর থানায় মামলা ও লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। তবে ঘটনায় জড়িতরা গ্রেপ্তার হয়নি।

মোহাম্মদপুর থানার ওসি মেজবাহ উদ্দিন বলেন, ‘এলাকায় অপরাধ নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত অভিযানের পাশাপাশি সন্দেহভাজনদের আটক করে আইনের আওতায় নেওয়া হয়। ঘটনায় জড়িতদের খোঁজ চলছে।‘

এর মধ্যে মো. আজমগত অভিযোগ করেছেন ২৮ জুলাই রাতে মোহাম্মদপুর থানাধীন জেনেভা ক্যাম্পের বি ব্লকের ১১৭ নম্বর ভবনের নিচতলায় স্থানীয় বিএনপি অফিসে মাদক কারবারিরা ভাঙচুর চালায়।

এ ঘটনায় মোহাম্মদপুর থানায় দেওয়া অভিযোগে তিনি বলেছেন, ৬ থেকে ৭ জন তার অফিসের দেয়ালে থাকা বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের ছবি ভাঙচুর করে। ওই সময় তিনি ডাক-চিৎকার দিলে বশির নামে একজন ঘটনাস্থল এসে তাকে রক্ষা করেন।

এ সময় একজন বশিরের কপালে সজোরে আঘাত করে। তারা অফিস সরিয়ে না নিলে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেয়।

স্থানীয়রা বলছেন, মোহাম্মদপুর বিহারী ক্যাম্প বিএনপি অফিসে হামলা চালিয়ে ভাঙচুরের ঘটনায় স্থানীয় মাদক সন্ত্রাসী উল্টা সালাম, ইমতিয়াজ, ন্যাটা সালাম, ইরফান, সামিরসহ ১০/১২ জন জড়িত। দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় মামলা

গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে মোহাম্মদপুর থানার লালমাটিয়া ব্লক-এ পানির ট্যাংকের সামনে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় মামলা হয়েছে। শুক্রবার মোহাম্মদপুর থানায় দায়ের করা মামলায় একপক্ষের বাদী ফারজানা কবির শান্ত।

তিনি বাদী হয়ে মোহাম্মদপুর থানায় ফারহান ফুচকার দোকানি মুন্নাসহ আটজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরো ১২ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে মোহাম্মদপুর থানার ওসি মেজবাহ উদ্দিন বলেন, একটি ফুচকার দোকানের ভ্যানের ধাক্কা দেওয়াকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে মারামারি হয়। এতে উভয় পক্ষের দুজন করে মোট চারজন আহত হয়েছেন। এক পক্ষ মামলা করেছে। তবে এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র বলছে, সংঘর্ষে দেশীয় অস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে দুজনের অবস্থা গুরুতর। তারা শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ও স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

 

 

এনএম/ধ্রুবকন্ঠ

বিষয় : মামলা হামলা মোহাম্মদপুর ভাঙচুর তদন্ত

আপনার মতামত লিখুন

ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬


মোহাম্মদপুরে হামলা-ভাঙচুরের ঘটনায় মামলা দায়ের, তদন্ত শুরু

প্রকাশের তারিখ : ০১ আগস্ট ২০২৬

featured Image

রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকায় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে আসছে না। একের পর এক অভিযান চললেও হামলা, ভাঙচুর, হত্যা, মাদক কারবার ও ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটছে।

সর্বশেষ গত দুই দিনে বিএনপি অফিস ভাঙচুরের পাশাপাশি থানা এলাকায় সংঘর্ষের ঘটনায় চারজন আহত হয়। এ দুটি ঘটনায় মোহাম্মদপুর থানায় মামলা ও লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। তবে ঘটনায় জড়িতরা গ্রেপ্তার হয়নি।

মোহাম্মদপুর থানার ওসি মেজবাহ উদ্দিন বলেন, ‘এলাকায় অপরাধ নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত অভিযানের পাশাপাশি সন্দেহভাজনদের আটক করে আইনের আওতায় নেওয়া হয়। ঘটনায় জড়িতদের খোঁজ চলছে।‘

এর মধ্যে মো. আজমগত অভিযোগ করেছেন ২৮ জুলাই রাতে মোহাম্মদপুর থানাধীন জেনেভা ক্যাম্পের বি ব্লকের ১১৭ নম্বর ভবনের নিচতলায় স্থানীয় বিএনপি অফিসে মাদক কারবারিরা ভাঙচুর চালায়।

এ ঘটনায় মোহাম্মদপুর থানায় দেওয়া অভিযোগে তিনি বলেছেন, ৬ থেকে ৭ জন তার অফিসের দেয়ালে থাকা বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের ছবি ভাঙচুর করে। ওই সময় তিনি ডাক-চিৎকার দিলে বশির নামে একজন ঘটনাস্থল এসে তাকে রক্ষা করেন।

এ সময় একজন বশিরের কপালে সজোরে আঘাত করে। তারা অফিস সরিয়ে না নিলে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেয়।

স্থানীয়রা বলছেন, মোহাম্মদপুর বিহারী ক্যাম্প বিএনপি অফিসে হামলা চালিয়ে ভাঙচুরের ঘটনায় স্থানীয় মাদক সন্ত্রাসী উল্টা সালাম, ইমতিয়াজ, ন্যাটা সালাম, ইরফান, সামিরসহ ১০/১২ জন জড়িত। দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় মামলা

গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে মোহাম্মদপুর থানার লালমাটিয়া ব্লক-এ পানির ট্যাংকের সামনে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় মামলা হয়েছে। শুক্রবার মোহাম্মদপুর থানায় দায়ের করা মামলায় একপক্ষের বাদী ফারজানা কবির শান্ত।

তিনি বাদী হয়ে মোহাম্মদপুর থানায় ফারহান ফুচকার দোকানি মুন্নাসহ আটজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরো ১২ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে মোহাম্মদপুর থানার ওসি মেজবাহ উদ্দিন বলেন, একটি ফুচকার দোকানের ভ্যানের ধাক্কা দেওয়াকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে মারামারি হয়। এতে উভয় পক্ষের দুজন করে মোট চারজন আহত হয়েছেন। এক পক্ষ মামলা করেছে। তবে এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র বলছে, সংঘর্ষে দেশীয় অস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে দুজনের অবস্থা গুরুতর। তারা শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ও স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

 

 

এনএম/ধ্রুবকন্ঠ


ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

“তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম”

কপিরাইট © ২০২৬ ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত