ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

মাহতাব টাওয়ার থেকে পাবিপ্রবির দুই শিক্ষার্থীর মোবাইল ফোন চুরি



মাহতাব টাওয়ার থেকে পাবিপ্রবির দুই শিক্ষার্থীর মোবাইল ফোন চুরি

পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (পাবিপ্রবি) সংলগ্ন মাহতাব টাওয়ার ছাত্রাবাস থেকে দুই শিক্ষার্থীর মোবাইল ফোন চুরির ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (১২ আগস্ট) রাতে এ ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা হলেন ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষের চয়ন ত্রিপুরা এবং সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের একই শিক্ষাবর্ষের অরলিন চাকমা।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মাহতাব টাওয়ারের দ্বিতীয় তলার ২২৫ নম্বর কক্ষে চয়ন ত্রিপুরা, অরলিন চাকমা ও বিজয় দে একসঙ্গে থাকেন। রাত ১টার দিকে তারা ঘুমানোর সময় একজন ফোন চার্জে এবং অন্যজন বালিশের পাশে ফোন রেখে শুয়ে পড়েন। সকালে রুমমেট বিজয় ঘুম থেকে উঠে ফ্রেশ হতে যাওয়ার সময় দেখতে পান, কক্ষের দরজা বাইরে থেকে আটকে রাখা হয়েছে। পরে পাশের কক্ষের একজনকে ফোন করে দরজা খুলে দেওয়ার কথা বলেন। এ সময় চয়ন ও অরলিনের মোবাইল ফোন পাওয়া যাচ্ছে না বলে তারা বুঝতে পারেন, রাতে কেউ ফোন দুটি চুরি করেছেন।

চয়ন ত্রিপুরা বলেন, ‘রাত ১টার দিকে ফোন চার্জে দিয়ে ঘুমিয়েছিলাম। সকালে উঠে দেখি, বাইরে থেকে দরজা আটকানো এবং আমার ও অরলিনের ফোন নেই। পরে বুঝতে পারি, ফোন দুটি চুরি হয়েছে।’

রুমমেট বিজয় দে বলেন, ‘আমি রাতে তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে গিয়েছিলাম। আমার রুমমেটরা একটু দেরি করে ঘুমিয়েছে। তারা হয়তো দরজা ভালোভাবে লাগায়নি। সকালে উঠে দেখি, দরজা বাইরে থেকে আটকে রাখা। আর ওদের ফোন নেই। আমার ফোনটি বালিশের নিচে ছিল। তাই হয়তো চোর সেটি নিতে পারেনি।’

মাহতাব টাওয়ারের ম্যানেজার জাকির হোসেন বলেন, ‘এখানে অনেক শিক্ষার্থী থাকেন। সারা রাত শিক্ষার্থীরা বের হন এবং প্রবেশ করেন। অভিযোগ পাওয়ার পর নিচতলার সিসিটিভি ফুটেজ দেখি। রাত ১টার পর থেকে সকাল পর্যন্ত অনেক শিক্ষার্থীই বের হয়েছেন ও প্রবেশ করেছেন। তবে প্রতিটি ফ্লোরে সিসিটিভি ক্যামেরা নেই। বিষয়টি মাহতাব বিশ্বাসকেও জানিয়েছি।’

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর অধ্যাপক ড. কামরুজ্জামান খান বলেন, ‘আমি ঘটনাটি শুনেছি। শিক্ষার্থীদের থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে বলেছি। বিষয়টি নিয়ে পুলিশের সঙ্গে কথা বলব, যাতে তাঁরা ফোন দুটি উদ্ধারে সহায়তা করেন।’

আপনার মতামত লিখুন

ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

সোমবার, ১৭ আগস্ট ২০২৬


মাহতাব টাওয়ার থেকে পাবিপ্রবির দুই শিক্ষার্থীর মোবাইল ফোন চুরি

প্রকাশের তারিখ : ১৭ আগস্ট ২০২৬

featured Image

পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (পাবিপ্রবি) সংলগ্ন মাহতাব টাওয়ার ছাত্রাবাস থেকে দুই শিক্ষার্থীর মোবাইল ফোন চুরির ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (১২ আগস্ট) রাতে এ ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা হলেন ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষের চয়ন ত্রিপুরা এবং সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের একই শিক্ষাবর্ষের অরলিন চাকমা।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মাহতাব টাওয়ারের দ্বিতীয় তলার ২২৫ নম্বর কক্ষে চয়ন ত্রিপুরা, অরলিন চাকমা ও বিজয় দে একসঙ্গে থাকেন। রাত ১টার দিকে তারা ঘুমানোর সময় একজন ফোন চার্জে এবং অন্যজন বালিশের পাশে ফোন রেখে শুয়ে পড়েন। সকালে রুমমেট বিজয় ঘুম থেকে উঠে ফ্রেশ হতে যাওয়ার সময় দেখতে পান, কক্ষের দরজা বাইরে থেকে আটকে রাখা হয়েছে। পরে পাশের কক্ষের একজনকে ফোন করে দরজা খুলে দেওয়ার কথা বলেন। এ সময় চয়ন ও অরলিনের মোবাইল ফোন পাওয়া যাচ্ছে না বলে তারা বুঝতে পারেন, রাতে কেউ ফোন দুটি চুরি করেছেন।

চয়ন ত্রিপুরা বলেন, ‘রাত ১টার দিকে ফোন চার্জে দিয়ে ঘুমিয়েছিলাম। সকালে উঠে দেখি, বাইরে থেকে দরজা আটকানো এবং আমার ও অরলিনের ফোন নেই। পরে বুঝতে পারি, ফোন দুটি চুরি হয়েছে।’

রুমমেট বিজয় দে বলেন, ‘আমি রাতে তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে গিয়েছিলাম। আমার রুমমেটরা একটু দেরি করে ঘুমিয়েছে। তারা হয়তো দরজা ভালোভাবে লাগায়নি। সকালে উঠে দেখি, দরজা বাইরে থেকে আটকে রাখা। আর ওদের ফোন নেই। আমার ফোনটি বালিশের নিচে ছিল। তাই হয়তো চোর সেটি নিতে পারেনি।’

মাহতাব টাওয়ারের ম্যানেজার জাকির হোসেন বলেন, ‘এখানে অনেক শিক্ষার্থী থাকেন। সারা রাত শিক্ষার্থীরা বের হন এবং প্রবেশ করেন। অভিযোগ পাওয়ার পর নিচতলার সিসিটিভি ফুটেজ দেখি। রাত ১টার পর থেকে সকাল পর্যন্ত অনেক শিক্ষার্থীই বের হয়েছেন ও প্রবেশ করেছেন। তবে প্রতিটি ফ্লোরে সিসিটিভি ক্যামেরা নেই। বিষয়টি মাহতাব বিশ্বাসকেও জানিয়েছি।’

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর অধ্যাপক ড. কামরুজ্জামান খান বলেন, ‘আমি ঘটনাটি শুনেছি। শিক্ষার্থীদের থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে বলেছি। বিষয়টি নিয়ে পুলিশের সঙ্গে কথা বলব, যাতে তাঁরা ফোন দুটি উদ্ধারে সহায়তা করেন।’


ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

“তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম”

কপিরাইট © ২০২৬ ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত