ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

মহিপুরে মামলার ভয় দেখিয়ে টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ বন বিভাগ কর্মচারীর বিরুদ্ধে



মহিপুরে মামলার ভয় দেখিয়ে টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ বন বিভাগ কর্মচারীর বিরুদ্ধে

মহিপুর ইউনিয়নের নজিবপুর গ্রামের পাকার মাথা নামক স্থান থেকে গত ১০ এপ্রিল সেলিনা বেগমের কাছে থেকে  মামলার ভয় দেখিয়ে টাকা হাতিয়ে নিয়েছে বন বিভাগ মহিপুর রেঞ্জ অফিসের কর্মচারী বোটম্যান রাসেল নার্সারি পরিচর্যা কারী হারুন।  

ভুক্তভোগী সেলিনা বলেন অনেকদিন পুূর্বে আমি গোমা গাছের কচা(খুটা)ক্রয় করে বড়ির চারপাশে বেড়ার কাজে ব্যবহার করি। হঠাত ওই দিন বিকেলে তারা এসে বলে তুমি এই কচা চুড়ি করেছো তাই তোমাকে এখন গ্রেফতার করে মামলা দিয়ে হাজতে পাঠাবো। এর পর হারুনও রাসেল তার কাছে টাকা দাবি করেন। সেলিনা  মামলা হাজত থেকে রক্ষা পাওয়া জন্য তাদ দাবী কৃত টাকা দিয়ে থাকেন। 

এবিষয়ে ভুক্তভোগী নারী সঠিক তদন্ত করে সঠিক বিচারের দাবি জানিয়েছেন। 

এবিষয়ে বন বিভাগ কর্মচারী হারুন বলেন,ওখানে আমরা গিয়েছিলাম তবে বোটম্যান রাসেল কিছু খারাপ আচরন করেছে। পরবর্তীতে আবার মাফও চেয়েছে কিন্তু টাকার বিষয় আমি কিছু জানিনা।

এবিষয়ে বোটম্যান রাসেল বলেন,বিষয়টা আমাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র। তারপরেও মিটমাট করেছি আমাদের কাছে তার রেকর্ড আছে।

উক্ত বিষয়ে মহিপুর রেঞ্জ কর্মকর্তা মোঃ মনির খান  বলেন,আপনাদের মাধ্যেমে বিষয়টা আমি জানতে পারলাম, তবে অভিযোগ পেলে আইনত ব্যাবস্থা নিবো।

এএমএন/ধ্রুবকন্ঠ

বিষয় : মামলা ভুক্তভোগী

আপনার মতামত লিখুন

ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬


মহিপুরে মামলার ভয় দেখিয়ে টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ বন বিভাগ কর্মচারীর বিরুদ্ধে

প্রকাশের তারিখ : ২০ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

মহিপুর ইউনিয়নের নজিবপুর গ্রামের পাকার মাথা নামক স্থান থেকে গত ১০ এপ্রিল সেলিনা বেগমের কাছে থেকে  মামলার ভয় দেখিয়ে টাকা হাতিয়ে নিয়েছে বন বিভাগ মহিপুর রেঞ্জ অফিসের কর্মচারী বোটম্যান রাসেল নার্সারি পরিচর্যা কারী হারুন।  

ভুক্তভোগী সেলিনা বলেন অনেকদিন পুূর্বে আমি গোমা গাছের কচা(খুটা)ক্রয় করে বড়ির চারপাশে বেড়ার কাজে ব্যবহার করি। হঠাত ওই দিন বিকেলে তারা এসে বলে তুমি এই কচা চুড়ি করেছো তাই তোমাকে এখন গ্রেফতার করে মামলা দিয়ে হাজতে পাঠাবো। এর পর হারুনও রাসেল তার কাছে টাকা দাবি করেন। সেলিনা  মামলা হাজত থেকে রক্ষা পাওয়া জন্য তাদ দাবী কৃত টাকা দিয়ে থাকেন। 

এবিষয়ে ভুক্তভোগী নারী সঠিক তদন্ত করে সঠিক বিচারের দাবি জানিয়েছেন। 

এবিষয়ে বন বিভাগ কর্মচারী হারুন বলেন,ওখানে আমরা গিয়েছিলাম তবে বোটম্যান রাসেল কিছু খারাপ আচরন করেছে। পরবর্তীতে আবার মাফও চেয়েছে কিন্তু টাকার বিষয় আমি কিছু জানিনা।

এবিষয়ে বোটম্যান রাসেল বলেন,বিষয়টা আমাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র। তারপরেও মিটমাট করেছি আমাদের কাছে তার রেকর্ড আছে।

উক্ত বিষয়ে মহিপুর রেঞ্জ কর্মকর্তা মোঃ মনির খান  বলেন,আপনাদের মাধ্যেমে বিষয়টা আমি জানতে পারলাম, তবে অভিযোগ পেলে আইনত ব্যাবস্থা নিবো।

এএমএন/ধ্রুবকন্ঠ


ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

“তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম”

কপিরাইট © ২০২৬ ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত