ভোলা
সদর উপজেলায় বসতঘরে ঢুকে নাছিমা বেগম (৩৫) নামে এক প্রবাসীর স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা
করেছে দুর্বৃত্তরা। এ হত্যাকাণ্ড ঘটনা দেখে ফেলায় নিহতের ৮ বছর বয়সী শিশু সন্তান
আবিরকেও কুপিয়ে আহত করা হয়। নাছিমা বেগম উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের
ওমানপ্রবাসী আল আমিনের স্ত্রী।
গতকাল
শুক্রবার (১৮ এপ্রিল) দিবাগত রাতে তার নিজ বাড়িতে এ ঘটনাটি ঘটে।
আজ
শনিবার (১৮ এপ্রিল) সকালে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য জিহাদ নামের এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।
আহত শিশুকে ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
পুলিশ
ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতে দুর্বৃত্তরা ঘরে ঢুকে নাছিমা বেগমকে কুপিয়ে হত্যা
করেন। এ সময় তার ছেলে আবির ঘটনাটি দেখে ফেলায় তাকেও কুপিয়ে আহত করা হয়।
ফজরের
সময় রক্তাক্ত অবস্থায় আবির ঘর থেকে বের হয়ে প্রতিবেশীদের বিষয়টি জানায়। পরে প্রতিবেশীরা
ঘরে গিয়ে খাটের ওপর নাছিমা বেগমের মরদেহ দেখতে পান।
ভোলা
সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ মনিরুল ইসলাম বলেন, ঘটনাস্থল থেকে
মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে
এটি হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে।
একজনকে
জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তবে কে বা কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে তা
নিশ্চিত হওয়া যায়নি, বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ এপ্রিল ২০২৬
ভোলা
সদর উপজেলায় বসতঘরে ঢুকে নাছিমা বেগম (৩৫) নামে এক প্রবাসীর স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা
করেছে দুর্বৃত্তরা। এ হত্যাকাণ্ড ঘটনা দেখে ফেলায় নিহতের ৮ বছর বয়সী শিশু সন্তান
আবিরকেও কুপিয়ে আহত করা হয়। নাছিমা বেগম উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের
ওমানপ্রবাসী আল আমিনের স্ত্রী।
গতকাল
শুক্রবার (১৮ এপ্রিল) দিবাগত রাতে তার নিজ বাড়িতে এ ঘটনাটি ঘটে।
আজ
শনিবার (১৮ এপ্রিল) সকালে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য জিহাদ নামের এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।
আহত শিশুকে ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
পুলিশ
ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতে দুর্বৃত্তরা ঘরে ঢুকে নাছিমা বেগমকে কুপিয়ে হত্যা
করেন। এ সময় তার ছেলে আবির ঘটনাটি দেখে ফেলায় তাকেও কুপিয়ে আহত করা হয়।
ফজরের
সময় রক্তাক্ত অবস্থায় আবির ঘর থেকে বের হয়ে প্রতিবেশীদের বিষয়টি জানায়। পরে প্রতিবেশীরা
ঘরে গিয়ে খাটের ওপর নাছিমা বেগমের মরদেহ দেখতে পান।
ভোলা
সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ মনিরুল ইসলাম বলেন, ঘটনাস্থল থেকে
মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে
এটি হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে।
একজনকে
জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তবে কে বা কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে তা
নিশ্চিত হওয়া যায়নি, বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
আপনার মতামত লিখুন