তিনি জানান, সার্বিক
নিরাপত্তা
নিশ্চিত
করা
হয়েছে।
প্রতিটি
কক্ষে
সার্বক্ষণিক
পুলিশি
নিরাপত্তা
থাকবে।
১২
তারিখ
বিকেল
সাড়ে
৪টার
মধ্যে
যেসব
ব্যালট
আসবে
তা
বাক্সে
রাখা
হবে;
এরপর
এলে
বাক্সে
রাখা
হবে
না।
আলাদাভাবে
থাকবে।
ইসির বিশেষ পরিপত্রে
জানানো
হয়,
প্রবাসের
পোস্টাল
ব্যালট
পেপারে
(ওসিভি)
দলীয়
ও
স্বতন্ত্র
প্রার্থীদের
প্রতীক
থাকবে,
তবে
নাম
থাকবে
না।
আর
দেশে
অবস্থানরত
ভোটারদের
(আইসিপিভি)
পোস্টাল
ব্যালট
পেপারে
আসনভিত্তিক
প্রতিদ্বন্দ্বী
প্রার্থীর
নাম
ও
প্রতীক
থাকবে।
পরিপত্রে
জানানো
হয়,
পোস্টাল
ব্যালটে
ভোট
দেওয়ার
জন্য
তৈরি
সফটওয়্যারে
রিটার্নিং
অফিসার
লগইন
করার
পর
সংশ্লিষ্ট
সংসদীয়
আসনের
পোস্টাল
ব্যালটের
মাধ্যমে
ভোট
প্রদানের
জন্য
নিবন্ধনকৃত
ভোটার
সংখ্যা
ও
প্রদত্ত
ভোটের
সামগ্রিক
চিত্র
দেখতে
ও
জানতে
পারবেন।
পোস্টাল
ব্যালট
পেপার
গ্রহণ
ও
সংরক্ষণ
: ডাক
বিভাগ
থেকে
প্রাপ্ত
পোস্টাল
ব্যালট
গ্রহণ
ও
সংরক্ষণের
জন্য
রিটার্নিং
অফিসার
একজন
কর্মকর্তাকে
দায়িত্ব
দেবেন।
এ
ছাড়া
ডাক
বিভাগ
থেকে
প্রাপ্ত
পোস্টাল
ব্যালট
স্ক্যানিংসহ
অন্যান্য
কাজে
দায়িত্বপ্রাপ্ত
কর্মকর্তাকে
সহযোগিতা
করার
জন্য
প্রয়োজনীয়
সংখ্যক
সাপোর্টিং
স্টাফ
নিয়োগ
দেবেন।
দায়িত্বপ্রাপ্ত
কর্মকর্তা
ডাকযোগে
পোস্টাল
ব্যালটের
খামগুলো
প্রাপ্তির
পর
খামের
ওপর
প্রদত্ত
কিউআর
কোড
স্ক্যান
করবেন।
এরপর
আসনভিত্তিক
নির্ধারিত
ব্যালট
বাক্সে
খামগুলো
নিরাপত্তার
সঙ্গে
সংরক্ষণ
করবেন।
কিউআর
কোড
স্ক্যান
করার
মাধ্যমে
ফরম-১২ আকারে পোস্টাল
ব্যালট
বিতরণ
ও
প্রাপ্তির
আসন
ভিত্তিক
তালিকা
সফটওয়্যার
থেকে
জেনারেট
হবে।
দায়িত্বপ্রাপ্ত
কর্মকর্তা
প্রতিদিন
সফটওয়্যার
থেকে
জেনারেটকৃত
ফরমটিতে
স্বাক্ষর
করে
তা
সংরক্ষণ
করবেন।
এ
ছাড়া
কিউআর
কোড
স্ক্যান
করার
সময়
সফটওয়্যারে
কিউআর
কোড
ডুপ্লিকেট
হিসেবে
প্রদর্শিত
হলে
রিটার্নিং
অফিসার
ব্যালটটি
বাতিল
করবেন।
এ
ক্ষেত্রে
খামটি
না
খুলেই
অন্যত্র
সংরক্ষণ
করবেন।
কিউআর
কোড
স্ক্যানের
জন্য
প্রয়োজনীয়
স্ক্যানিং
সরঞ্জামাদি
নির্বাচন
কমিশন
থেকে
সরবরাহ
করা
হবে।
আপনার মতামত লিখুন