যশোর
শহরের প্রাণকেন্দ্র থেকে শুরু করে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক—সবখানেই এখন একই দৃশ্য দেখা যাচ্ছে।
পথচারীদের হাঁটার জন্য তৈরি করা ফুটপাত দখল করে গড়ে উঠেছে অসংখ্য অস্থায়ী চায়ের দোকান।
বেঞ্চ পেতে, কিংবা টুল দিয়ে গড়ে উঠেছে এসব দোকান। এসব দোকানের ভিড়ে ফুটপাত দিয়ে হাঁটার
কোনো উপায় নেই। ফলে বাধ্য হয়েই ফুটপাত রেখে মেইন সড়কে হাটতে হচ্ছে সাধারণ পথচারীদের।
এতে যেমন বাড়ছে যানজট, তেমনি ছোট-বড় দুর্ঘটনার সাথে বাড়ছে নিত্যদিনের ভোগান্তি।
শহরের
দড়াটানা, পালবাড়ি, নিউমার্কেট, সিভিল কোর্ট মোড় এলাকা ঘুরে দেখা যায়, ফুটপাতের অধিকাংশ
জায়গা দখল করে রেখেছেন এসব চা-বিক্রেতারা।কেটলি, স্টোভ এবং প্লাস্টিকের চেয়ার-বেঞ্চ
বসিয়ে স্টলে রূপ দেওয়া হয়েছে এসব দোকানকে। কোথাও কোথাও ফুটপাতের পাশেই বসানো হয়েছে
ভ্রাম্যমান ভ্যান।
যশোর
সরকারি এম এম কলেজের শিক্ষার্থী সাকিব হোসেন বলেন, ফুটপাত দিয়ে হাঁটা অনেকটা অসম্ভব
হয়ে দাঁড়িয়েছে। চায়ের দোকানের ভিড় ঠেলে যাওয়া যায় না, বাধ্য হয়ে রাস্তা দিয়ে হাঁটতে
হয়।
সম্প্রতি
শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ন সড়কের ফুটপাতে একটি দৃশ্য দেখা গেছে। ফুটপাতের ওপর বসানো
হয়েছে চায়ের দোকান। দোকানটি ঢেকে রাখার জন্য ত্রিপল-কাপড় সামিয়ানা টাঙ্গিয়ে বেঞ্চ বসিয়ে
চলছে চায়ের আড্ডা। দোকানের বিভিন্ন সরঞ্জাম এবং বসার ব্যবস্থা ফুটপাতের প্রায় পুরো
জায়গা জুড়ে থাকায় পথচারীদের জন্য চলাচলের জায়গা প্রায় নেই বললেই চলে। যার কারণে অনেক
পথচারী ফুটপাত ব্যবহার করতে না পেরে বাধ্য হয়ে সড়কের ওপর দিয়ে হাঁটছেন। বিশেষ করে শিশু,
বয়স্ক ও নারীদের জন্য এই পরিস্থিতি আরও বিপদজনক হয়ে উঠেছে।
চৌরাস্তা
দিয়ে নিয়মিত যাতায়াত করা একজন নাগরিক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, পৌরসভা ফুটপাত করেছে সাধারন
মানুষের কথা চিন্তা করে, কিন্তু এখন সেগুলো চা-আড্ডাস্থলে পরিণত হয়েছে। নারী ও শিশুদের
নিয়ে এই পথ দিয়ে চলাটা অনেকটা অসম্ভব হয়ে পরেছে।
নিয়মিত
তদারকি ও কার্যকর ব্যবস্থা না থাকায় অনেকেই নির্বিঘ্নে দিনের পর দিন ফুটপাত দখল করে
ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। যার ফলে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বাড়লেও বিষয়টি অনেক সময় নজরের
বাইরে থেকে যাচ্ছে। যশোর পৌরসভা ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের নিয়মিত অভিযান ও কঠোর নজরদারির
মাধ্যমে ফুটপাত হয়ে উঠতে পারে সাধারন নাগরিকদের নিরাপদ যাতায়াত স্থল। তা না হলে এই
শহর তার সৌন্দর্য হারাবে।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
বিষয় : পথচারী ফুটপাত চায়ের দোকান
.png)
শনিবার, ০৯ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ মার্চ ২০২৬
যশোর
শহরের প্রাণকেন্দ্র থেকে শুরু করে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক—সবখানেই এখন একই দৃশ্য দেখা যাচ্ছে।
পথচারীদের হাঁটার জন্য তৈরি করা ফুটপাত দখল করে গড়ে উঠেছে অসংখ্য অস্থায়ী চায়ের দোকান।
বেঞ্চ পেতে, কিংবা টুল দিয়ে গড়ে উঠেছে এসব দোকান। এসব দোকানের ভিড়ে ফুটপাত দিয়ে হাঁটার
কোনো উপায় নেই। ফলে বাধ্য হয়েই ফুটপাত রেখে মেইন সড়কে হাটতে হচ্ছে সাধারণ পথচারীদের।
এতে যেমন বাড়ছে যানজট, তেমনি ছোট-বড় দুর্ঘটনার সাথে বাড়ছে নিত্যদিনের ভোগান্তি।
শহরের
দড়াটানা, পালবাড়ি, নিউমার্কেট, সিভিল কোর্ট মোড় এলাকা ঘুরে দেখা যায়, ফুটপাতের অধিকাংশ
জায়গা দখল করে রেখেছেন এসব চা-বিক্রেতারা।কেটলি, স্টোভ এবং প্লাস্টিকের চেয়ার-বেঞ্চ
বসিয়ে স্টলে রূপ দেওয়া হয়েছে এসব দোকানকে। কোথাও কোথাও ফুটপাতের পাশেই বসানো হয়েছে
ভ্রাম্যমান ভ্যান।
যশোর
সরকারি এম এম কলেজের শিক্ষার্থী সাকিব হোসেন বলেন, ফুটপাত দিয়ে হাঁটা অনেকটা অসম্ভব
হয়ে দাঁড়িয়েছে। চায়ের দোকানের ভিড় ঠেলে যাওয়া যায় না, বাধ্য হয়ে রাস্তা দিয়ে হাঁটতে
হয়।
সম্প্রতি
শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ন সড়কের ফুটপাতে একটি দৃশ্য দেখা গেছে। ফুটপাতের ওপর বসানো
হয়েছে চায়ের দোকান। দোকানটি ঢেকে রাখার জন্য ত্রিপল-কাপড় সামিয়ানা টাঙ্গিয়ে বেঞ্চ বসিয়ে
চলছে চায়ের আড্ডা। দোকানের বিভিন্ন সরঞ্জাম এবং বসার ব্যবস্থা ফুটপাতের প্রায় পুরো
জায়গা জুড়ে থাকায় পথচারীদের জন্য চলাচলের জায়গা প্রায় নেই বললেই চলে। যার কারণে অনেক
পথচারী ফুটপাত ব্যবহার করতে না পেরে বাধ্য হয়ে সড়কের ওপর দিয়ে হাঁটছেন। বিশেষ করে শিশু,
বয়স্ক ও নারীদের জন্য এই পরিস্থিতি আরও বিপদজনক হয়ে উঠেছে।
চৌরাস্তা
দিয়ে নিয়মিত যাতায়াত করা একজন নাগরিক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, পৌরসভা ফুটপাত করেছে সাধারন
মানুষের কথা চিন্তা করে, কিন্তু এখন সেগুলো চা-আড্ডাস্থলে পরিণত হয়েছে। নারী ও শিশুদের
নিয়ে এই পথ দিয়ে চলাটা অনেকটা অসম্ভব হয়ে পরেছে।
নিয়মিত
তদারকি ও কার্যকর ব্যবস্থা না থাকায় অনেকেই নির্বিঘ্নে দিনের পর দিন ফুটপাত দখল করে
ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। যার ফলে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বাড়লেও বিষয়টি অনেক সময় নজরের
বাইরে থেকে যাচ্ছে। যশোর পৌরসভা ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের নিয়মিত অভিযান ও কঠোর নজরদারির
মাধ্যমে ফুটপাত হয়ে উঠতে পারে সাধারন নাগরিকদের নিরাপদ যাতায়াত স্থল। তা না হলে এই
শহর তার সৌন্দর্য হারাবে।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
আপনার মতামত লিখুন