ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

নির্বাচনী আসনের জোটের ফাঁদে পড়ে ত্যাগী নেতার আর্তনাদ



নির্বাচনী আসনের জোটের ফাঁদে পড়ে ত্যাগী নেতার আর্তনাদ
ছবি: সংগৃহীত

বাজিতপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল বলেছেন, ‘বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের মা, তিনি আমাদের মুরব্বি। আমাদের মাথার ওপর থেকে ছাতা চলে গেছে। এখন শুধু অন্ধকার। সামনের পথ অনেক কঠিন। সামনে অনেক ষড়যন্ত্র হবে। মা-বাবার ছায়া থাকলে সন্তাদের যেমন কোনো কষ্ট হয় না। আর যার মা নাই, বাবা নাই তারাই বোঝে কত কষ্ট। আজকে আমরা এতিম। আমরা দোয়া করি আমাদের মা যেন জান্নাতবাসী হন।

সম্প্রতি তার নির্বাচনী আসনের এক জনসভায় বক্তব্যকালে এসব কথা বলেন তিনি।

আর্তনাদ করে তিনি বলেন, ‘দীর্ঘ ২৫ বছর ধরে আপনাদের সুখে-দুঃখে আমি থাকার চেষ্টা করেছি। আন্দোলন-সংগ্রামে আপনাদের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। মাঠ থেকে শুরু করে থানা, হাজতখানা থেকে শুরু করে আদালত-জজ কোর্ট- হাইকোর্ট-সুপ্রিম কোর্টে আমি গিয়েছি। আমি আপনাদের পাশে থেকে দীর্ঘ ২৫ বছর জাতীয়তাবাদী শক্তিকে লালন করেছি। আমি জিয়ার সৈনিক, আমি খালেদা জিয়ার সৈনিক, আমি তারেক রহমানের সৈনিক। আমি জাতীয়তাবাদী পরিবারের সন্তান, জাতীয়তাবাদী দলের সন্তান সেই কারণে আমাকে বিএনপি থেকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু রাতের আঁধারে বিএনপিতে যোগদান করে আমার প্রতীক ধানের শীষ ছিনতাই হয়ে গেছে, লুট করে নেওয়া হয়েছে, আমি আপনাদের কাছে বিচার চাই।

তিনি আরও বলেন, ‘আমি যদি সুখে-দুঃখে আপনাদের পাশে থেকে থাকি, সুখে-দুঃখে আপনাদের পাশে সহকর্মী হিসেবে থেকে থাকি, সুখে-দুঃখে যদি মা-বোনদের পাশে থেকে থাকি তাহলে আপনাদের কাছে উদাত্ত আহ্বান, আমি মনোনয়ন দাখিল করেছি। মনোনয়ন প্রত্যাহারেরও সুযোগ আছে। আমি আপনাদের অনুমতি চাইতে এসেছি। আপনাদের ধানের শীষ মার্কা, ওপরে বসে ছিনতাই হয়ে গেছে। কিন্তু আপনাদের সিল, ভোট কিন্তু ছিনতাই হয় নাই। এই বিচার করার মালিক আপনারা।

মুজিবুর রহমান ইকবাল বলেন, ‘আমি দলের অনুগত, আমার বাড়ি হাজার হাজার নেতাকর্মী এসে মনোনয়ন দাখিল করেছেন। আমি দলের সিদ্ধান্তের বাইরে যাব না। কিন্তু আপনাদের চোখের পানি দেখতে পাচ্ছি, যা আমি সহ্য করতে পারছি না। আপনারা যদি অনুমতি দেন তাহলে আমি জীবন বাজি রেখে নিকলী-বাজিতপুরবাসীর ব্যালটের মাধ্যমে ভোটে জয় নিয়ে আসব।

উল্লেখ্য, কিশোরগঞ্জ- (নিকলী-বাজিতপুর) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বাজিতপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল। 

গত সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে বাজিতপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সহকারী রিটার্নিং অফিসার শহীদুল ইসলামের কাছে তিনি মনোনয়নপত্র জমা দেন।

 

এনএম/ধ্রুবকন্ঠ

বিষয় : বিএনপি আর্তনাদ নির্বাচনী আসন

আপনার মতামত লিখুন

ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

শনিবার, ০৯ মে ২০২৬


নির্বাচনী আসনের জোটের ফাঁদে পড়ে ত্যাগী নেতার আর্তনাদ

প্রকাশের তারিখ : ০১ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image

বাজিতপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল বলেছেন, ‘বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের মা, তিনি আমাদের মুরব্বি। আমাদের মাথার ওপর থেকে ছাতা চলে গেছে। এখন শুধু অন্ধকার। সামনের পথ অনেক কঠিন। সামনে অনেক ষড়যন্ত্র হবে। মা-বাবার ছায়া থাকলে সন্তাদের যেমন কোনো কষ্ট হয় না। আর যার মা নাই, বাবা নাই তারাই বোঝে কত কষ্ট। আজকে আমরা এতিম। আমরা দোয়া করি আমাদের মা যেন জান্নাতবাসী হন।

সম্প্রতি তার নির্বাচনী আসনের এক জনসভায় বক্তব্যকালে এসব কথা বলেন তিনি।

আর্তনাদ করে তিনি বলেন, ‘দীর্ঘ ২৫ বছর ধরে আপনাদের সুখে-দুঃখে আমি থাকার চেষ্টা করেছি। আন্দোলন-সংগ্রামে আপনাদের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। মাঠ থেকে শুরু করে থানা, হাজতখানা থেকে শুরু করে আদালত-জজ কোর্ট- হাইকোর্ট-সুপ্রিম কোর্টে আমি গিয়েছি। আমি আপনাদের পাশে থেকে দীর্ঘ ২৫ বছর জাতীয়তাবাদী শক্তিকে লালন করেছি। আমি জিয়ার সৈনিক, আমি খালেদা জিয়ার সৈনিক, আমি তারেক রহমানের সৈনিক। আমি জাতীয়তাবাদী পরিবারের সন্তান, জাতীয়তাবাদী দলের সন্তান সেই কারণে আমাকে বিএনপি থেকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু রাতের আঁধারে বিএনপিতে যোগদান করে আমার প্রতীক ধানের শীষ ছিনতাই হয়ে গেছে, লুট করে নেওয়া হয়েছে, আমি আপনাদের কাছে বিচার চাই।

তিনি আরও বলেন, ‘আমি যদি সুখে-দুঃখে আপনাদের পাশে থেকে থাকি, সুখে-দুঃখে আপনাদের পাশে সহকর্মী হিসেবে থেকে থাকি, সুখে-দুঃখে যদি মা-বোনদের পাশে থেকে থাকি তাহলে আপনাদের কাছে উদাত্ত আহ্বান, আমি মনোনয়ন দাখিল করেছি। মনোনয়ন প্রত্যাহারেরও সুযোগ আছে। আমি আপনাদের অনুমতি চাইতে এসেছি। আপনাদের ধানের শীষ মার্কা, ওপরে বসে ছিনতাই হয়ে গেছে। কিন্তু আপনাদের সিল, ভোট কিন্তু ছিনতাই হয় নাই। এই বিচার করার মালিক আপনারা।

মুজিবুর রহমান ইকবাল বলেন, ‘আমি দলের অনুগত, আমার বাড়ি হাজার হাজার নেতাকর্মী এসে মনোনয়ন দাখিল করেছেন। আমি দলের সিদ্ধান্তের বাইরে যাব না। কিন্তু আপনাদের চোখের পানি দেখতে পাচ্ছি, যা আমি সহ্য করতে পারছি না। আপনারা যদি অনুমতি দেন তাহলে আমি জীবন বাজি রেখে নিকলী-বাজিতপুরবাসীর ব্যালটের মাধ্যমে ভোটে জয় নিয়ে আসব।

উল্লেখ্য, কিশোরগঞ্জ- (নিকলী-বাজিতপুর) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বাজিতপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল। 

গত সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে বাজিতপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সহকারী রিটার্নিং অফিসার শহীদুল ইসলামের কাছে তিনি মনোনয়নপত্র জমা দেন।

 

এনএম/ধ্রুবকন্ঠ


ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

“তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম”

কপিরাইট © ২০২৬ ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত