নারী ও শিশুদের বিষয়েও সরকার সর্বোচ্চ
গুরুত্ব দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল
ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, ‘২০ কোটি মানুষের দেশে সবকিছু সরকারের ওপর ছেড়ে দিলে সম্ভব
হবে না।
প্রত্যেক মানুষকে সচেতন হতে হবে,
নিজেকে দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। সরকার আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ
করছে।’
আজ সোমবার (২৭ জুলাই) বিকেলে
ঠাকুরগাঁও ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা কমিটির সঙ্গে মতবিনিময় সভা
শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘মাদক
নিয়ন্ত্রণে স্থানীয় পর্যায়ে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। জাতীয় পর্যায়েও কঠোর আইন
প্রণয়ন করা হয়েছে। সমাজ থেকে মাদক নির্মূলে সরকার ও জনগণকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ঠাকুরগাঁও ২৫০
শয্যার জেনারেল হাসপাতালকে ৬০০ শয্যায় উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে
সরকারের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে চিঠি দেওয়া হয়েছে। শিগগিরই প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ ও
চিকিৎসা সরঞ্জাম সরবরাহের উদ্যোগ নেওয়া হবে।’
মন্ত্রী বলেন, ‘হাসপাতালে রোগীর
চাপ অনেক বেশি। সবাই ইতিবাচক মনোভাব নিয়ে সহযোগিতা করলে স্বাস্থ্যসেবার মান আরো
উন্নত করা সম্ভব হবে।’
এ সময় উপস্থিত ছিলেন হাসপাতালের
তত্ত্বাবধায়ক ডা. ফিরোজ জামান জুয়েল, জেলা প্রশাসক রফিকুল হক, পুলিশ সুপার বেলাল
হোসেনসহ হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যরা।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
বিষয় : নারী মির্জা ফখরুল শিশু
.png)
সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুলাই ২০২৬
নারী ও শিশুদের বিষয়েও সরকার সর্বোচ্চ
গুরুত্ব দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল
ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, ‘২০ কোটি মানুষের দেশে সবকিছু সরকারের ওপর ছেড়ে দিলে সম্ভব
হবে না।
প্রত্যেক মানুষকে সচেতন হতে হবে,
নিজেকে দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। সরকার আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ
করছে।’
আজ সোমবার (২৭ জুলাই) বিকেলে
ঠাকুরগাঁও ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা কমিটির সঙ্গে মতবিনিময় সভা
শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘মাদক
নিয়ন্ত্রণে স্থানীয় পর্যায়ে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। জাতীয় পর্যায়েও কঠোর আইন
প্রণয়ন করা হয়েছে। সমাজ থেকে মাদক নির্মূলে সরকার ও জনগণকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ঠাকুরগাঁও ২৫০
শয্যার জেনারেল হাসপাতালকে ৬০০ শয্যায় উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে
সরকারের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে চিঠি দেওয়া হয়েছে। শিগগিরই প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ ও
চিকিৎসা সরঞ্জাম সরবরাহের উদ্যোগ নেওয়া হবে।’
মন্ত্রী বলেন, ‘হাসপাতালে রোগীর
চাপ অনেক বেশি। সবাই ইতিবাচক মনোভাব নিয়ে সহযোগিতা করলে স্বাস্থ্যসেবার মান আরো
উন্নত করা সম্ভব হবে।’
এ সময় উপস্থিত ছিলেন হাসপাতালের
তত্ত্বাবধায়ক ডা. ফিরোজ জামান জুয়েল, জেলা প্রশাসক রফিকুল হক, পুলিশ সুপার বেলাল
হোসেনসহ হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যরা।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
আপনার মতামত লিখুন