ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

টাঙ্গাইলের ৬ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাস করেনি কোনো শিক্ষার্থী



টাঙ্গাইলের ৬ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাস করেনি কোনো শিক্ষার্থী
ছবি: সংগৃহীত

এবারের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে টাঙ্গাইলে ছয়টি স্কুল-মাদরাসায় শতভাগ ফেল করেছে। এরমধ্যে দুটি এমপিওভুক্ত ও চারটি ননএমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে।

আজ মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার রেবেকা সুলতানা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 

শিক্ষাবিদদের ভাষ্য, শিক্ষকদের অবহেলা, শিক্ষার্থী-অভিভাবকদের গাফিলতি এবং নিয়মিত ক্লাস না হওয়ার ফলে তাদের এ ধরনের ফলাফল হয়েছে।

শতভাগ পরীক্ষার্থী অকৃতকার্য হওয়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো হলো-ভূঞাপুর উপজেলার গোবিন্দপুর উচ্চ বিদ্যালয় (১০ জন), বিএম দাখিল মাদরাসা (১ জন), নাগরপুর উপজেলার সলিমাবাদ আনোয়ার খান মডেল উচ্চ বিদ্যালয় (৮ জন), আগদিঘুলিয়া ইসলামিয়া দাখিল মাদরাসা (১ জন), মির্জাপুর উপজেলার তরফপুর বহুমুখী দাখিল মাদরাসা (৫ জন) ও ঘাটাইল উপজেলার মনতলা ইসলামিয়া দাখিল মাদরাসা (২০ জন)।

জেলা শিক্ষা অফিস জানা যায়, এই জেলায় এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হার ৫৯.০৬ শতাংশ।

জিপিএ ৫ পেয়েছে ২ হাজার ১৭৩ জন। ৪৬ হাজার ৪৫১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ২৭ হাজার ৪৭৬ জন শিক্ষার্থী পাস করেছেন। এরমধ্যে এসএসসিতে ৬১.৩৮ শতাংশ, দাখিলে পাসের হার ৫২.৮৩ শতাংশ, এসএসসি ভোকেশনালে ৫১.৮২ শতাংশ এবং দাখিল ভোকেশনালে ২৮.৫৭ শতাংশ।

এদিকে ধনবাড়ীর কছিম উদ্দিস উচ্চ বিদ্যালয়, মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজ, ঘাটাইলের গালা গণ উচ্চ বিদ্যালয় ও ক্যান্টনমেন্ট ইংলিশ স্কুল, গোপালপুরের খন্দকার আসাদুজ্জমান বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, কালিহাতী ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা ও মধুপুরের জলছত্র দাখিল মাদরাসা শতভাগ পাস করেছে।

শতভাগ ফেল করা নাগরপুর উপজেলার সলিমাবাদ আনোয়ার খান মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা দিলরুবা আক্তার বলেন, আমাদের স্কুলটি নদীভাঙনকবলিত এলাকায়। শিক্ষার্থীরা স্কুলে আসতে চায় না। এখানে আমাদের ও ছাত্রছাত্রীদের গাফিলতি রয়েছে। ভবিষ্যতে ফলাফল ভালো করার পদক্ষেপ নেব।

টাঙ্গাইল জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার রেবেকা সুলতানা বলেন, শতভাগ অকৃতকার্য হওয়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষকে কারণ দর্শানো নোটিশ দেওয়া হবে। প্রচলিত বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

টাঙ্গাইলের সরকারি মওলানা মোহাম্মদ আলী কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ শহীদুজ্জামান মিয়া বলেন, কোনো প্রতিষ্ঠানে শতভাগ ফেল করার ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। শিক্ষার্থীরা শিক্ষা কার্যক্রম থেকে সরে গেছে। শিক্ষক, অভিভাবক ও ছাত্রছাত্রীরা সবাই এর জন্য দায়ী। শিক্ষকদের বিশেষ মনিটরিং এবং অভিভাবক শিক্ষার্থীদের সচেতন হতে হবে।

 

 

এনএম/ধ্রুবকন্ঠ

বিষয় : শিক্ষার্থী টাঙ্গাইল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পাস

আপনার মতামত লিখুন

ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬


টাঙ্গাইলের ৬ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাস করেনি কোনো শিক্ষার্থী

প্রকাশের তারিখ : ১১ আগস্ট ২০২৬

featured Image

এবারের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে টাঙ্গাইলে ছয়টি স্কুল-মাদরাসায় শতভাগ ফেল করেছে। এরমধ্যে দুটি এমপিওভুক্ত ও চারটি ননএমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে।

আজ মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার রেবেকা সুলতানা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 

শিক্ষাবিদদের ভাষ্য, শিক্ষকদের অবহেলা, শিক্ষার্থী-অভিভাবকদের গাফিলতি এবং নিয়মিত ক্লাস না হওয়ার ফলে তাদের এ ধরনের ফলাফল হয়েছে।

শতভাগ পরীক্ষার্থী অকৃতকার্য হওয়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো হলো-ভূঞাপুর উপজেলার গোবিন্দপুর উচ্চ বিদ্যালয় (১০ জন), বিএম দাখিল মাদরাসা (১ জন), নাগরপুর উপজেলার সলিমাবাদ আনোয়ার খান মডেল উচ্চ বিদ্যালয় (৮ জন), আগদিঘুলিয়া ইসলামিয়া দাখিল মাদরাসা (১ জন), মির্জাপুর উপজেলার তরফপুর বহুমুখী দাখিল মাদরাসা (৫ জন) ও ঘাটাইল উপজেলার মনতলা ইসলামিয়া দাখিল মাদরাসা (২০ জন)।

জেলা শিক্ষা অফিস জানা যায়, এই জেলায় এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হার ৫৯.০৬ শতাংশ।

জিপিএ ৫ পেয়েছে ২ হাজার ১৭৩ জন। ৪৬ হাজার ৪৫১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ২৭ হাজার ৪৭৬ জন শিক্ষার্থী পাস করেছেন। এরমধ্যে এসএসসিতে ৬১.৩৮ শতাংশ, দাখিলে পাসের হার ৫২.৮৩ শতাংশ, এসএসসি ভোকেশনালে ৫১.৮২ শতাংশ এবং দাখিল ভোকেশনালে ২৮.৫৭ শতাংশ।

এদিকে ধনবাড়ীর কছিম উদ্দিস উচ্চ বিদ্যালয়, মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজ, ঘাটাইলের গালা গণ উচ্চ বিদ্যালয় ও ক্যান্টনমেন্ট ইংলিশ স্কুল, গোপালপুরের খন্দকার আসাদুজ্জমান বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, কালিহাতী ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা ও মধুপুরের জলছত্র দাখিল মাদরাসা শতভাগ পাস করেছে।

শতভাগ ফেল করা নাগরপুর উপজেলার সলিমাবাদ আনোয়ার খান মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা দিলরুবা আক্তার বলেন, আমাদের স্কুলটি নদীভাঙনকবলিত এলাকায়। শিক্ষার্থীরা স্কুলে আসতে চায় না। এখানে আমাদের ও ছাত্রছাত্রীদের গাফিলতি রয়েছে। ভবিষ্যতে ফলাফল ভালো করার পদক্ষেপ নেব।

টাঙ্গাইল জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার রেবেকা সুলতানা বলেন, শতভাগ অকৃতকার্য হওয়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষকে কারণ দর্শানো নোটিশ দেওয়া হবে। প্রচলিত বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

টাঙ্গাইলের সরকারি মওলানা মোহাম্মদ আলী কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ শহীদুজ্জামান মিয়া বলেন, কোনো প্রতিষ্ঠানে শতভাগ ফেল করার ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। শিক্ষার্থীরা শিক্ষা কার্যক্রম থেকে সরে গেছে। শিক্ষক, অভিভাবক ও ছাত্রছাত্রীরা সবাই এর জন্য দায়ী। শিক্ষকদের বিশেষ মনিটরিং এবং অভিভাবক শিক্ষার্থীদের সচেতন হতে হবে।

 

 

এনএম/ধ্রুবকন্ঠ


ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

“তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম”

কপিরাইট © ২০২৬ ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত