ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

কুবিতে ফলাফলভিত্তিক শিক্ষা মডেল বাস্তবায়নে প্রশিক্ষণ কর্মসূচি



কুবিতে ফলাফলভিত্তিক শিক্ষা মডেল বাস্তবায়নে প্রশিক্ষণ কর্মসূচি
কুবিতে ফলাফলভিত্তিক শিক্ষা মডেল বাস্তবায়নে প্রশিক্ষণ কর্মসূচি



কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) ফলাফলভিত্তিক শিক্ষা (ওবিই) মডেল বাস্তবায়নে মূল্যায়ন কার্য নির্ধারণ, প্রশ্ন প্রণয়ন এবং কোর্স লার্নিং আউটকাম (সিএলও) অর্জন বিষয়ে প্রশিক্ষণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে বিজ্ঞান ও প্রকৌশল, কলা ও মানবিক এবং আইন অনুষদের প্রথম বর্ষ প্রথম সেমিস্টারে পাঠদানকারী শিক্ষকরা অংশগ্রহণ করেন। 




বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে ইন্সটিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেল (আইকিউএসি) এর উদ্যোগে এ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়।




কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম। রিসোর্স পারসন হিসেবে ছিলেন আইসিটি বিভাগের অধ্যাপক ড. দুলাল চক্রবর্তী। কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন আইকিউএসি-এর পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সৈয়দুর রহমান।




কর্মসূচিতে আইকিউএসি-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়, ওবিই বাস্তবায়নের গুরুত্বপূর্ণ তিনটি উপাদান হলো কারিকুলাম ডিজাইন, শিক্ষাবিজ্ঞান এবং মূল্যায়ন কার্য। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের ওবিই কারিকুলাম প্রণয়ন ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে সকল শিক্ষককে মূল্যায়ন এবং সিএলও অর্জন প্রক্রিয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ত করা হচ্ছে।




উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম বলেন, "আউটকম-বেইজড ইডুকেশন (ওবিই) কারিকুলামের মূল লক্ষ্য হলো শিক্ষার্থীরা একটি কোর্স ও প্রোগ্রাম সম্পন্ন করে কী জ্ঞান, দক্ষতা ও সক্ষমতা অর্জন করছে তা নিশ্চিত করা। এজন্য প্রচলিত মুখস্থনির্ভর শিক্ষার পরিবর্তে বিশ্লেষণধর্মী চিন্তা, জ্ঞান সৃষ্টি, গবেষণা ও উদ্ভাবনভিত্তিক শিক্ষা নিশ্চিত করতে হবে।"



তিনি আরও বলেন, প্রতিটি কোর্সের কোর্স লার্নিং আউটকাম (সিএলও) বিবেচনায় রেখে পাঠদান ও প্রশ্নপত্র প্রণয়ন করতে হবে। শিক্ষার্থীরা নির্ধারিত শিখনফল কতটুকু অর্জন করেছে তা পরিমাপের জন্য উপযুক্ত মূল্যায়ন মানদণ্ড ও কর্মনির্দেশক ক্রিয়া ব্যবহার এবং প্রতিটি কোর্সের শিক্ষণফল অর্জন প্রতিবেদন প্রস্তুত করা জরুরি। এর মাধ্যমে শিক্ষার গুণগত মান ও শিক্ষার্থীদের অর্জন আরও কার্যকরভাবে মূল্যায়ন করা সম্ভব হবে।



উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার মানোন্নয়ন, আন্তর্জাতিক র‍্যাংকিং বৃদ্ধি ও স্বীকৃতি অর্জনে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।


আপনার মতামত লিখুন

ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬


কুবিতে ফলাফলভিত্তিক শিক্ষা মডেল বাস্তবায়নে প্রশিক্ষণ কর্মসূচি

প্রকাশের তারিখ : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image



কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) ফলাফলভিত্তিক শিক্ষা (ওবিই) মডেল বাস্তবায়নে মূল্যায়ন কার্য নির্ধারণ, প্রশ্ন প্রণয়ন এবং কোর্স লার্নিং আউটকাম (সিএলও) অর্জন বিষয়ে প্রশিক্ষণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে বিজ্ঞান ও প্রকৌশল, কলা ও মানবিক এবং আইন অনুষদের প্রথম বর্ষ প্রথম সেমিস্টারে পাঠদানকারী শিক্ষকরা অংশগ্রহণ করেন। 




বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে ইন্সটিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেল (আইকিউএসি) এর উদ্যোগে এ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়।




কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম। রিসোর্স পারসন হিসেবে ছিলেন আইসিটি বিভাগের অধ্যাপক ড. দুলাল চক্রবর্তী। কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন আইকিউএসি-এর পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সৈয়দুর রহমান।




কর্মসূচিতে আইকিউএসি-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়, ওবিই বাস্তবায়নের গুরুত্বপূর্ণ তিনটি উপাদান হলো কারিকুলাম ডিজাইন, শিক্ষাবিজ্ঞান এবং মূল্যায়ন কার্য। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের ওবিই কারিকুলাম প্রণয়ন ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে সকল শিক্ষককে মূল্যায়ন এবং সিএলও অর্জন প্রক্রিয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ত করা হচ্ছে।




উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম বলেন, "আউটকম-বেইজড ইডুকেশন (ওবিই) কারিকুলামের মূল লক্ষ্য হলো শিক্ষার্থীরা একটি কোর্স ও প্রোগ্রাম সম্পন্ন করে কী জ্ঞান, দক্ষতা ও সক্ষমতা অর্জন করছে তা নিশ্চিত করা। এজন্য প্রচলিত মুখস্থনির্ভর শিক্ষার পরিবর্তে বিশ্লেষণধর্মী চিন্তা, জ্ঞান সৃষ্টি, গবেষণা ও উদ্ভাবনভিত্তিক শিক্ষা নিশ্চিত করতে হবে।"



তিনি আরও বলেন, প্রতিটি কোর্সের কোর্স লার্নিং আউটকাম (সিএলও) বিবেচনায় রেখে পাঠদান ও প্রশ্নপত্র প্রণয়ন করতে হবে। শিক্ষার্থীরা নির্ধারিত শিখনফল কতটুকু অর্জন করেছে তা পরিমাপের জন্য উপযুক্ত মূল্যায়ন মানদণ্ড ও কর্মনির্দেশক ক্রিয়া ব্যবহার এবং প্রতিটি কোর্সের শিক্ষণফল অর্জন প্রতিবেদন প্রস্তুত করা জরুরি। এর মাধ্যমে শিক্ষার গুণগত মান ও শিক্ষার্থীদের অর্জন আরও কার্যকরভাবে মূল্যায়ন করা সম্ভব হবে।



উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার মানোন্নয়ন, আন্তর্জাতিক র‍্যাংকিং বৃদ্ধি ও স্বীকৃতি অর্জনে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।



ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

“তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম”

কপিরাইট © ২০২৬ ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত