হাওরের
জেলা সুনামগঞ্জে জগন্নাথপুর ও শান্তিগঞ্জ উপজেলা নিয়ে গঠিত সুনামগঞ্জ -৩ আসন। জেলার
অন্য নির্বাচনী আসনের মধ্যে এ এই উপজেলায় নির্বাচনের আমেজ বইছে সাধারণ ভোটার দের মধ্যে। এয়োদশ জাতীয়
সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা পর থেকে বিভিন্ন দলের প্রার্থীগণ মাঠে ছিলেন। দলীয় প্রতিক
বরাদ্দের পর পর অনেকেই আবার নির্বাচনী মাঠ থেকে সড়ে দাঁড়ান। এ আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তা
বাদী দলের মনোনীত প্রার্থী হলেন, কয়সর এম আহমদ, খেলাফত মজলিসের প্রার্থী সাবেক সাংসদ
আইনজীবী শাহীনূর পাশা চৌধুরী, সতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার আনোয়ার হোসেন, এবি পার্টির
প্রার্থী বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও শিক্ষাবিদ সৈয়দ তালহা আহমেদ। সাধারণ ভোটাদের মন জয় করতে,
ও ভোট প্রার্থনার জন্য প্রত্যেক প্রার্থীগণ নিজের অনুসারীদের নিয়ে নির্বাচনী মাঠে চষে
বেড়াচ্ছেন। বিএনপির প্রার্থী এম কয়সর আহমেদের দ্বৈত্ব নাগরিকত্ব নিয়ে অপর প্রার্থীর
অভিযোগ থাকলেও বিএনপি মনোনীত প্রার্থী তা আইনী ভাবে সমাধান করেন। পরোদমে প্রতিযোগিতা
মূলক ভাবে সম্প্রতি বজায় রেখে চলছে সুনামগঞ্জ -৩ আসনে সকল প্রার্থীদের নির্বাচনী জনসংযোগ
ও ভোট প্রার্থনা।
এবি
পার্টির প্রার্থী জগন্নাথপুর উপজেলার বাসিন্দা সৈয়দ তালহা আলম নিজ উপজেলার বিএনপি নেতাকর্মীদের
দায়ী করে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে তিনি
উল্লেখ করেন
আমি সুনামগঞ্জ ৩- আসনের আমার বাংলাদেশ এবি পার্টি মনোনীত
ও ১০ দলীয় ঐক্যের অন্যতম সমর্থীত একজন সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী। আমার দলের ঈগল পাখি সমর্থনে
উপজেলার সনাতন ধর্মাবলম্বী বেশ কিছু কর্মী/ভোটার নির্বাচনী প্রচারনায় রয়েছেন। দুঃখের
বিষয় কলকলিয়া ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি ও বর্তমান
আহ্বায়ক কমিটির সদস্য কামরুজ্জামান কমরু মেম্মার সহ অনন্য নেতৃবৃন্দ আমার প্রতিদ্বন্ধী দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বিএনপি
মনোনীত প্রার্থীর সমর্থকরা আমার কর্মীদের, আমার পক্ষে নির্বাচনীর প্রচার না করতে হুমকি
দিচ্ছেন। ফলে নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি
হয়েছে। এতে আমার হিন্দু ধর্মালম্বী ভাইদের মনে আতংক বিরাজ করছে। আমার দলীয় প্রচার প্রচারণা
করতে অনেকেই ভয়ভীতি বোধ করছেন।
এছাড়াও
তিনি তার ভেরিফাইড ফেইসবুক আইডিতে লিখেন, জগন্নাথপুরে বিএনপি নেতৃবৃন্দ হিন্দু মানুষদের হুমকি
দিচ্ছে যেন আমাদের সাথে কাজ না করে। কঠোর জবাব
হবে।!! সৈয়দ তালহা আলমের এই পোস্ট করার পর
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেইসবুকে আলোচনার ঝড় বইছে। অনেকেই এই পোষ্টটির কড়া মন্তব্য
করেছেন।
জগন্নাথপুর
উপজেলার কয়েকজন ভোটার জানান, হিন্দু মুসলিম মিলেই বাংলাদেশ,। আমাদের অঞ্চলে আমরা সব
সময় সম্প্রতির রাজনীতি করে আসছি। এ আসনে স্বাধীন বাংলার প্রথম পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুস
সামাদ আজাদ, অর্থমন্ত্রী এম এ মান্নান, সাবেক এমপি শাহীনুর পাশা সহ অনেক গুনীজনেরা
নির্বাচন করেছেন। কোন দিন হিন্দু মুসলমানের মধ্যে বিবাদ ও বৈষম্য তৈরী করেন নি। হুমকি দমকী তো দুরের কথা।
আমরা সবাই মানুষ। আমরা এই দেশকে ফের স্বাধীন করেছি। এখন যদি এসব নোংরামী আমাদের মধ্যে
বিরাজ করে তাহলে আমাদের ৫-ই আগষ্ট বিফল। আমরা জগন্নাথপুরের বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য
জেলা বিএনপি'র সিনিয়র নেতৃবৃন্দের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
এব্যাপারে
অভিযুক্ত বর্তমান আহ্বায়ক কমিটির সদস্য কামরুজ্জামানের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে
তিনি বলেন, সৈয়দ তালহা আলম আমার ছেলেদের সমতুল্য, এবং আমার ছেলে ভাতিজাদের সাথে সুসম্পর্ক।
আমি একজন বৃদ্ধ মানুষ, উনার কর্মী কে, বা কারা আমি দেখিই নাই। আমি এধরণের কোন হুমকি
দমকী দেই নি। এসব মিথ্যা বানোয়াট।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
হাওরের
জেলা সুনামগঞ্জে জগন্নাথপুর ও শান্তিগঞ্জ উপজেলা নিয়ে গঠিত সুনামগঞ্জ -৩ আসন। জেলার
অন্য নির্বাচনী আসনের মধ্যে এ এই উপজেলায় নির্বাচনের আমেজ বইছে সাধারণ ভোটার দের মধ্যে। এয়োদশ জাতীয়
সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা পর থেকে বিভিন্ন দলের প্রার্থীগণ মাঠে ছিলেন। দলীয় প্রতিক
বরাদ্দের পর পর অনেকেই আবার নির্বাচনী মাঠ থেকে সড়ে দাঁড়ান। এ আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তা
বাদী দলের মনোনীত প্রার্থী হলেন, কয়সর এম আহমদ, খেলাফত মজলিসের প্রার্থী সাবেক সাংসদ
আইনজীবী শাহীনূর পাশা চৌধুরী, সতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার আনোয়ার হোসেন, এবি পার্টির
প্রার্থী বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও শিক্ষাবিদ সৈয়দ তালহা আহমেদ। সাধারণ ভোটাদের মন জয় করতে,
ও ভোট প্রার্থনার জন্য প্রত্যেক প্রার্থীগণ নিজের অনুসারীদের নিয়ে নির্বাচনী মাঠে চষে
বেড়াচ্ছেন। বিএনপির প্রার্থী এম কয়সর আহমেদের দ্বৈত্ব নাগরিকত্ব নিয়ে অপর প্রার্থীর
অভিযোগ থাকলেও বিএনপি মনোনীত প্রার্থী তা আইনী ভাবে সমাধান করেন। পরোদমে প্রতিযোগিতা
মূলক ভাবে সম্প্রতি বজায় রেখে চলছে সুনামগঞ্জ -৩ আসনে সকল প্রার্থীদের নির্বাচনী জনসংযোগ
ও ভোট প্রার্থনা।
এবি
পার্টির প্রার্থী জগন্নাথপুর উপজেলার বাসিন্দা সৈয়দ তালহা আলম নিজ উপজেলার বিএনপি নেতাকর্মীদের
দায়ী করে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে তিনি
উল্লেখ করেন
আমি সুনামগঞ্জ ৩- আসনের আমার বাংলাদেশ এবি পার্টি মনোনীত
ও ১০ দলীয় ঐক্যের অন্যতম সমর্থীত একজন সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী। আমার দলের ঈগল পাখি সমর্থনে
উপজেলার সনাতন ধর্মাবলম্বী বেশ কিছু কর্মী/ভোটার নির্বাচনী প্রচারনায় রয়েছেন। দুঃখের
বিষয় কলকলিয়া ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি ও বর্তমান
আহ্বায়ক কমিটির সদস্য কামরুজ্জামান কমরু মেম্মার সহ অনন্য নেতৃবৃন্দ আমার প্রতিদ্বন্ধী দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বিএনপি
মনোনীত প্রার্থীর সমর্থকরা আমার কর্মীদের, আমার পক্ষে নির্বাচনীর প্রচার না করতে হুমকি
দিচ্ছেন। ফলে নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি
হয়েছে। এতে আমার হিন্দু ধর্মালম্বী ভাইদের মনে আতংক বিরাজ করছে। আমার দলীয় প্রচার প্রচারণা
করতে অনেকেই ভয়ভীতি বোধ করছেন।
এছাড়াও
তিনি তার ভেরিফাইড ফেইসবুক আইডিতে লিখেন, জগন্নাথপুরে বিএনপি নেতৃবৃন্দ হিন্দু মানুষদের হুমকি
দিচ্ছে যেন আমাদের সাথে কাজ না করে। কঠোর জবাব
হবে।!! সৈয়দ তালহা আলমের এই পোস্ট করার পর
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেইসবুকে আলোচনার ঝড় বইছে। অনেকেই এই পোষ্টটির কড়া মন্তব্য
করেছেন।
জগন্নাথপুর
উপজেলার কয়েকজন ভোটার জানান, হিন্দু মুসলিম মিলেই বাংলাদেশ,। আমাদের অঞ্চলে আমরা সব
সময় সম্প্রতির রাজনীতি করে আসছি। এ আসনে স্বাধীন বাংলার প্রথম পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুস
সামাদ আজাদ, অর্থমন্ত্রী এম এ মান্নান, সাবেক এমপি শাহীনুর পাশা সহ অনেক গুনীজনেরা
নির্বাচন করেছেন। কোন দিন হিন্দু মুসলমানের মধ্যে বিবাদ ও বৈষম্য তৈরী করেন নি। হুমকি দমকী তো দুরের কথা।
আমরা সবাই মানুষ। আমরা এই দেশকে ফের স্বাধীন করেছি। এখন যদি এসব নোংরামী আমাদের মধ্যে
বিরাজ করে তাহলে আমাদের ৫-ই আগষ্ট বিফল। আমরা জগন্নাথপুরের বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য
জেলা বিএনপি'র সিনিয়র নেতৃবৃন্দের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
এব্যাপারে
অভিযুক্ত বর্তমান আহ্বায়ক কমিটির সদস্য কামরুজ্জামানের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে
তিনি বলেন, সৈয়দ তালহা আলম আমার ছেলেদের সমতুল্য, এবং আমার ছেলে ভাতিজাদের সাথে সুসম্পর্ক।
আমি একজন বৃদ্ধ মানুষ, উনার কর্মী কে, বা কারা আমি দেখিই নাই। আমি এধরণের কোন হুমকি
দমকী দেই নি। এসব মিথ্যা বানোয়াট।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
আপনার মতামত লিখুন