এতে জোর দিয়ে বলা হয়, ইরানের
হামলার
লক্ষ্যবস্তু
ছিল
‘সম্পূর্ণ
বেসামরিক
প্রকৃতির’,
যা
আন্তর্জাতিক
আইনের
লঙ্ঘন।
যদিও
ইরান
বরাবরই
বলে
এসেছে,
তারা
শুধু
উপসাগরীয়
দেশগুলোতে
মার্কিন
ঘাঁটি
ও
স্বার্থসংশ্লিষ্ট
স্থাপনাগুলোকেই
লক্ষ্যবস্তু
বানিয়েছে।
বৈশ্বিক
জ্বালানি
খাতের
জন্য
অন্যতম
গুরুত্বপূর্ণ
দেশ
কাতার
যুদ্ধের
কারণে
উৎপাদন
ও
সরবরাহে
বিঘ্নের
সম্মুখীন
হয়েছে।
গত
মাসে
রয়টার্সকে
কাতারএনার্জির
প্রধান
নির্বাহী
কর্মকর্তা
জানান,
ইরানের
হামলায়
কাতারের
তরলীকৃত
প্রাকৃতিক
গ্যাস
(এলএনজি)
রপ্তানি
সক্ষমতার
প্রায়
১৭
শতাংশ
ক্ষতিগ্রস্ত
হয়েছে,
যার
ফলে
বছরে
আনুমানিক
২০
বিলিয়ন
ডলারের
রাজস্ব
ক্ষতি
হবে।
এদিকে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি
বিনা
উসকানিতে
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের
যৌথ
হামলার
মুখে
পড়া
ইরানও
ক্ষতিপূরণ
দাবি
করেছে।
মার্কিন-ইসরায়েলি
আগ্রাসনে
দেশটিতে
প্রায়
লাখখানেক
স্থাপনা
ক্ষতিগ্রস্ত
হয়েছে,
প্রাণ
হারিয়েছেন
২
হাজারের
বেশি
মানুষ।
সূত্র: সিএনএন
আপনার মতামত লিখুন