ইরানের কাছে ক্ষতিপূরণ দাবি করেছে কাতার
মধ্যপ্রাচ্যের
চলমান
সংঘাতের
মধ্যে
কাতার
ইরানের
কাছে
ক্ষতিপূরণ
দাবি
করেছে।
দেশটি
জানিয়েছে,
যুদ্ধ
চলাকালে
তেহরানের
হামলায়
সৃষ্ট
‘সমস্ত
ক্ষতি
ও
লোকসানের”
দায়
ইরানকেই
নিতে
হবে।এ বিষয়ে জাতিসংঘ
সাধারণ
পরিষদ
ও
নিরাপত্তা
পরিষদের
এর
কাছে
পাঠানো
এক
চিঠিতে
কাতার
তাদের
এ
অবস্থান
স্পষ্ট
করেছে।চিঠিতে
কাতার
বলেছে,
ইরানের
এসব
কর্মকাণ্ড
আন্তর্জাতিক
আইনের
আওতায়
দায়বদ্ধতার
মধ্যে
পড়ে
এবং
দেশটির
ক্ষয়ক্ষতির
পূর্ণ
ক্ষতিপূরণ
দিতে
হবে।
একই
সঙ্গে
হামলায়
সৃষ্ট
ক্ষয়ক্ষতি
সংশ্লিষ্ট
কর্তৃপক্ষের
মাধ্যমে
মূল্যায়ন
করা
হবে
বলেও
জানানো
হয়েছে।কাতার জাতিসংঘ
নিরাপত্তা
পরিষদকে
আন্তর্জাতিক
শান্তি
ও
নিরাপত্তা
রক্ষায়
কার্যকর
ভূমিকা
পালনের
আহ্বান
জানিয়েছে।
পাশাপাশি
আন্তর্জাতিক
আইনের
‘গুরুতর
লঙ্ঘন’
বন্ধ
ও
দায়ীদের
বিরুদ্ধে
প্রয়োজনীয়
ব্যবস্থা
নেওয়ার
অনুরোধ
করেছে।
এতে জোর দিয়ে বলা হয়, ইরানের
হামলার
লক্ষ্যবস্তু
ছিল
‘সম্পূর্ণ
বেসামরিক
প্রকৃতির’,
যা
আন্তর্জাতিক
আইনের
লঙ্ঘন।
যদিও
ইরান
বরাবরই
বলে
এসেছে,
তারা
শুধু
উপসাগরীয়
দেশগুলোতে
মার্কিন
ঘাঁটি
ও
স্বার্থসংশ্লিষ্ট
স্থাপনাগুলোকেই
লক্ষ্যবস্তু
বানিয়েছে।
বৈশ্বিক
জ্বালানি
খাতের
জন্য
অন্যতম
গুরুত্বপূর্ণ
দেশ
কাতার
যুদ্ধের
কারণে
উৎপাদন
ও
সরবরাহে
বিঘ্নের
সম্মুখীন
হয়েছে।
গত
মাসে
রয়টার্সকে
কাতারএনার্জির
প্রধান
নির্বাহী
কর্মকর্তা
জানান,
ইরানের
হামলায়
কাতারের
তরলীকৃত
প্রাকৃতিক
গ্যাস
(এলএনজি)
রপ্তানি
সক্ষমতার
প্রায়
১৭
শতাংশ
ক্ষতিগ্রস্ত
হয়েছে,
যার
ফলে
বছরে
আনুমানিক
২০
বিলিয়ন
ডলারের
রাজস্ব
ক্ষতি
হবে।
এদিকে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি
বিনা
উসকানিতে
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের
যৌথ
হামলার
মুখে
পড়া
ইরানও
ক্ষতিপূরণ
দাবি
করেছে।
মার্কিন-ইসরায়েলি
আগ্রাসনে
দেশটিতে
প্রায়
লাখখানেক
স্থাপনা
ক্ষতিগ্রস্ত
হয়েছে,
প্রাণ
হারিয়েছেন
২
হাজারের
বেশি
মানুষ।
সূত্র: সিএনএন
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ