বাজারমূল্যের সর্বোচ্চ ১৫ শতাংশ পর্যন্ত বাড়িভাড়া নির্ধারণের নির্দেশ
বাজারমূল্যের ভিত্তিতে বাড়িভাড়া নির্ধারণে আগের নির্দেশিকায় সংশোধনী এনেছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)। সংস্থাটির প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ জানিয়েছেন, ঢাকা শহরে বাড়িভাড়া দর-কষাকষির মাধ্যমেই নির্ধারিত হবে। এ বিষয়ে বিভ্রান্তি এড়াতে পূর্বে প্রচারিত নির্দেশিকা সংশোধন করা হয়েছে।আজ বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) ডিএনসিসির জনসংযোগ কর্মকর্তা মো.
জোবায়ের হোসেনের মাধ্যমে এ তথ্য জানান প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ।তিনি বলেন,
“সিটি করপোরেশন কোনো নির্দিষ্ট বাড়িভাড়া নির্ধারণ করে দেয়নি। ভাড়া শতকরা কত হবে বা কত হবে না—এমন কোনো বাধ্যতামূলক নিয়ম ডিএনসিসি জারি করেনি।”রাজধানীতে
বাড়িভাড়ার
লাগামহীন
চাপ
কমাতে
গত
২০
জানুয়ারি
ভাড়া-সংক্রান্ত
একটি
নির্দেশিকা
প্রকাশ
করে
ডিএনসিসি।
ওই
নির্দেশিকার
১৬টি
বিষয়ের
মধ্যে
১১
নম্বরে
বলা
হয়েছিল—মানসম্মত
ভাড়া
নির্ধারণ
করতে
হবে
এবং
ভাড়ার
বার্ষিক
পরিমাণ
সংশ্লিষ্ট
বাড়ি
বা
ফ্ল্যাটের
বাজারমূল্যের
১৫
শতাংশের
বেশি
হতে
পারবে
না।
অর্থাৎ,
কোনো
বাড়ি
বা
ফ্ল্যাটের
বাজারমূল্য
বিবেচনায়
নিয়ে
সর্বোচ্চ
১৫
শতাংশ
পর্যন্ত
বার্ষিক
ভাড়া
নির্ধারণের
কথা
উল্লেখ
ছিল।
উদাহরণ
হিসেবে
বলা
হয়,
কোনো
ফ্ল্যাটের
বাজারমূল্য
যদি
এক
কোটি
টাকা
হয়,
তাহলে
বছরে
ওই
ফ্ল্যাটের
ভাড়া
সর্বোচ্চ
১৫
লাখ
টাকা
নির্ধারণ
করা
যেতে
পারে।
সে
হিসেবে
মাসিক
ভাড়া
দাঁড়ায়
প্রায়
এক
লাখ
২৫
হাজার
টাকা।
তবে
এ
বিষয়টি
নিয়ে
বিভিন্ন
মহলে
বিভ্রান্তি
সৃষ্টি
হলে
ডিএনসিসি
স্পষ্ট
করে
জানায়,
এটি
কোনো
বাধ্যতামূলক
নিয়ম
নয়।
বরং
বাজার
বাস্তবতা,
এলাকার
অবস্থা,
সুযোগ-সুবিধা
ও
মালিক-ভাড়াটিয়ার
পারস্পরিক
সমঝোতার
ভিত্তিতেই
বাড়িভাড়া
নির্ধারিত
হবে।
ডিএনসিসি
কর্তৃপক্ষ
জানিয়েছে,
নাগরিকদের
স্বার্থ
রক্ষা
ও
অযৌক্তিক
ভাড়া
বৃদ্ধি
রোধ
করতেই
এই
নির্দেশনামূলক
নীতিমালা
দেওয়া
হয়েছে।
ভবিষ্যতে
এ
বিষয়ে
আরও
বাস্তবসম্মত
ও
গ্রহণযোগ্য
উদ্যোগ
নেওয়া
হবে
বলেও
জানানো
হয়েছে।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ