বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটি মুখপাত্র ও দলের চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন বলেছেন, ‘আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির অবশ্যম্ভাবী বিজয়ী হচ্ছে দেখে একটি নির্দিষ্ট দল নানা অপপ্রচার চালাচ্ছে। একই সঙ্গে ভোটকেন্দ্রে সন্দেহজনক ভোটারের ক্ষেত্রে হজ, ওমরাহ বা পাসপোর্টের ছবি তোলার মতো করে মুখমণ্ডলের যে অংশটুকু অনাবৃত রেখে ছবি তুলতে হয় সেভাবে পরিচয় নিশ্চিত করতে হবে’।
আজ
সোমবার (০৯ ফেব্রুয়ারি) বিকালে
রাজধানীর ঢাকার গুলশানে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন
তিনি।
সংবাদ
সম্মেলনে জামায়াতে ইসলামীকে ইঙ্গিত করে মাহদী আমিন বলেন, ইতিপূর্বে ওই দলটির নেতাকর্মীরা বাসায়-বাসায় গিয়ে ভোটারদের বিকাশ নম্বর ও ভোটার আইডি নিয়েছে।
বিকাশ, রকেট
বা নগদের মাধ্যমে এভাবে অবৈধ অর্থ প্রেরণ বা জান্নাতের টিকিটের প্রলোভনকে ধর্মপ্রাণ দেশবাসী প্রত্যাখ্যান করছেন। দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে প্রচুর বোরখা ও নিকাব বানানোর বিষয়ে আমরা জানতে পেরেছি’।
তিনি
আরও বলেন, ইসলামী
মূল্যবোধের
ধারক দল
হিসেবে বিএনপি
সবসময় বিশ্বাস
করে, বাংলাদেশের
প্রতিটি নাগরিকের
কাছে বোরকা
ও নিকাব
ধর্মীয় সংস্কৃতির
একটি অত্যন্ত
গুরুত্বপূর্ণ
বিষয়। আমরা
অবশ্যই নারীদের
আব্রু ও
পর্দার ব্যাপারে
সর্বোচ্চ শ্রদ্ধাশীল।
কিন্তু ইসলামী
সেই পোশাককে
অপব্যবহার করে
কেউ যদি
মিথ্যা পরিচয়ে
জাল ভোট
দেওয়ার চেষ্টা
করে, তাহলে
সেটি হবে
দুঃখজনক।
তিনি
বলেন, সন্দেহজনক
ভোটারের পরিচয়
নিশ্চিত করতে,
এনআইডি কার্ড,
হজ, ওমরাহ,
পাসপোর্ট বা
ভিসার ছবি
তোলার মতো
করেই, মুখমণ্ডলের
যে অংশটুকু
অনাবৃত রেখে
ছবি তুলতে
হয়, ভোটার
তালিকা অনুযায়ী
নারী প্রিসাইডিং
বা সহকারী
প্রিসাইডিং
অফিসার ও
নারী এজেন্টের
উপস্থিতিতে
ভোট দেওয়ার
আগে ভোটারের
পরিচয় নিশ্চিত
করতে হবে।
প্রশাসন নিয়ে অপপ্রচার থেকে বিরত থাকার আহ্বান
মাহদী
আমিন বলেন,
আমরা দেখতে
পাচ্ছি প্রশাসনের
ও নির্বাচন
পরিচালনার সাথে
যুক্ত একটি
অংশের সাথে
একটি নির্দিষ্ট
রাজনৈতিক দলের
সাথে সম্পর্ক
রয়েছে বলে
একটি মহল
অপপ্রচার চালাচ্ছে।
এটি অনাকাঙ্ক্ষিত
ও দূরত্ব
সৃষ্টির অপচেষ্টা।
রাষ্ট্রের প্রতিটি
সংস্থা, নির্বাচন
কমিশন এবং
অন্তর্বর্তী
সরকারের নির্বাচন
সংশ্লিষ্ট সকল
কর্মকর্তা ও
কর্মচারীবৃন্দের
নিরপেক্ষতা
ও পেশাদারিত্বের
ওপর জনগণের
মতো আমরা
আস্থা রাখতে
চাই। সুতরাং
এই বিভ্রান্তি
ছড়ানো নিন্দাজনক।
যারা এটি
করছে তাদের
প্রতি আমরা
আহ্বান জানাব,
অপপ্রচার থেকে
বিরত থাকুন।
একটি
দল নারীর
অধিকার-স্বাধীনতাকে
সংকুচিত
করতে
চাচ্ছে
বিএনপির
নির্বাচন পরিচালনা
কমিটির এই
মুখপাত্র বলেন,
শুধু নারীদের
জন্য আলাদা
মন্ত্রণালয়
প্রতিষ্ঠাই
না, গার্মেন্টস
শিল্পের মাধ্যমে
নারীদেরকে কর্মক্ষম
করে তোলা,
সরকারি এবং
বেসরকারি ক্ষেত্রে
নারীদের কর্মসংস্থানের
ক্ষেত্র তৈরি
করা, মেয়েদের
জন্য বৃত্তি
এবং অবৈতনিক
শিক্ষা নিশ্চিত
করা, প্রতিটি
ক্ষেত্রে নারীর
ক্ষমতায়নে
বিএনপি অনন্য।
অন্যদিকে বিএনপির
প্রতিদ্বন্দ্বী
যে রাজনৈতিক
দল, তারা
নারীদের বিষয়ে
প্রতিনিয়ত অশালীন
বক্তব্য দিচ্ছে,
নারীর অধিকার
এবং স্বাধীনতাকে
সংকুচিত করতে
চাচ্ছে।
কর্মঘণ্টাকে
কমিয়ে আনতে
চাচ্ছে। যেখানে
সবচেয়ে বেশি
নারী সংসদ
সদস্য প্রার্থীকে
মনোনয়ন দিয়েছে
বিএনপি, তার
বিপরীতে দাঁড়িয়ে
তারা একজন
নারী প্রার্থীকেও
মনোনয়ন দেয়নি।
স্বাভাবিকভাবেই
দেশের বিপুল
জনগোষ্ঠী নারীরা
সেই রাজনৈতিক
দলটির নারী
বিদ্বেষী আচরণে
মর্মাহত, সংক্ষুব্ধ।
বিশেষ
রাজনৈতিক
দলের
সঙ্গে
সংশ্লিষ্ট
৭টি
নির্বাচনী
পর্যবেক্ষক
সংস্থা
মাহদী
আমিন বলেন,
গত ২৬
জানুয়ারি নির্বাচন
কমিশন মোট
৮১টি সংস্থার
৫৫ হাজার
৪৫৪ জন
স্থানীয় পর্যবেক্ষক
অনুমোদনের কথা
জানায়। এর
মধ্যে অপেক্ষাকৃত
কম পরিচিত
এবং পর্যবেক্ষণ
কাজে অভিজ্ঞতাহীন
১৬টি সংস্থা
থেকে ৩১
হাজার ৮০১
জন পর্যবেক্ষককে
অনুমতি প্রদান
করা হয়,
যা মোট
পর্যবেক্ষকের
৬৮.৮৯
শতাংশ। এর
মধ্যে বেশ
কয়েকটি সংগঠনের
সাথে বিশেষ
রাজনৈতিক দলের
সংশ্লিষ্টতার
খবর সংবাদ
মাধ্যমে এসেছে।
সংস্থাগুলো
হচ্ছে: রিসডা
বাংলাদেশ ১৬৪৫
জন, বাকেরগঞ্জ
ফোরাম ১০৫০
জন, এসোসিয়েশন
অব মুসলিম
ওয়েলফেয়ার
এজেন্সিজ ইন
বাংলাদেশ ৬৪৩
জন, একটিভ
এইড ওয়েলফেয়ার
অর্গানাইজেশন
১০৩৫ জন,
ইমপ্যাক্ট ইনিশিয়েটিভ
১৫৩৫ জন,
দীপ্ত মহিলা
উন্নয়ন – ৩৯৮
জন ও
কমিউনিটি এসিস্ট্যান্স
ফর রুরাল
ডেভেলপমেন্ট
৩৮৬১ জন।
ইতোমধ্যে বিএনপি'র
পক্ষ থেকে
নির্বাচন কমিশনে
এ ব্যাপারে
প্রয়োজনীয়
ব্যবস্থা নিতে
অনুরোধ জানিয়ে
পত্র দেওয়া
হয়েছে।
ভোটকেন্দ্রের
আশেপাশে
মোবাইল
ফোন
ব্যবহার
না করার
প্রজ্ঞাপনে
উদ্বিগ্ন
মাহদী
আমির বলেন,
আরো একটি
বিষয় আমাদের
নজরে এসেছে,
ভোটকেন্দ্রের
আশেপাশে ৪০০
গজের মধ্যে
মোবাইল ফোন
ব্যবহার না
করার ব্যাপারে
একটি প্রজ্ঞাপন
জারি হয়েছে।
আমরা এই
বিষয়ে উদ্বিগ্ন।
আমরা মনে
করি, উৎসবমুখর
নির্বাচনি পরিবেশে
এটি বিরূপ
প্রভাব ফেলবে,
অনেককে ভোটপ্রদানে
নিরুৎসাহিত
করবে, উৎসবের
আমেজকে ম্লান
করবে। আমরা
এই সিদ্ধান্ত
থেকে অতি
দ্রুত সরে
আসার জন্য
নির্বাচন কমিশনের
কাছে জোরালো
দাবি জানাচ্ছি।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
বিষয় : মাহদী আমিন সন্দেহজনক ভোটার পরিচয়
.png)
শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটি মুখপাত্র ও দলের চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন বলেছেন, ‘আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির অবশ্যম্ভাবী বিজয়ী হচ্ছে দেখে একটি নির্দিষ্ট দল নানা অপপ্রচার চালাচ্ছে। একই সঙ্গে ভোটকেন্দ্রে সন্দেহজনক ভোটারের ক্ষেত্রে হজ, ওমরাহ বা পাসপোর্টের ছবি তোলার মতো করে মুখমণ্ডলের যে অংশটুকু অনাবৃত রেখে ছবি তুলতে হয় সেভাবে পরিচয় নিশ্চিত করতে হবে’।
আজ
সোমবার (০৯ ফেব্রুয়ারি) বিকালে
রাজধানীর ঢাকার গুলশানে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন
তিনি।
সংবাদ
সম্মেলনে জামায়াতে ইসলামীকে ইঙ্গিত করে মাহদী আমিন বলেন, ইতিপূর্বে ওই দলটির নেতাকর্মীরা বাসায়-বাসায় গিয়ে ভোটারদের বিকাশ নম্বর ও ভোটার আইডি নিয়েছে।
বিকাশ, রকেট
বা নগদের মাধ্যমে এভাবে অবৈধ অর্থ প্রেরণ বা জান্নাতের টিকিটের প্রলোভনকে ধর্মপ্রাণ দেশবাসী প্রত্যাখ্যান করছেন। দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে প্রচুর বোরখা ও নিকাব বানানোর বিষয়ে আমরা জানতে পেরেছি’।
তিনি
আরও বলেন, ইসলামী
মূল্যবোধের
ধারক দল
হিসেবে বিএনপি
সবসময় বিশ্বাস
করে, বাংলাদেশের
প্রতিটি নাগরিকের
কাছে বোরকা
ও নিকাব
ধর্মীয় সংস্কৃতির
একটি অত্যন্ত
গুরুত্বপূর্ণ
বিষয়। আমরা
অবশ্যই নারীদের
আব্রু ও
পর্দার ব্যাপারে
সর্বোচ্চ শ্রদ্ধাশীল।
কিন্তু ইসলামী
সেই পোশাককে
অপব্যবহার করে
কেউ যদি
মিথ্যা পরিচয়ে
জাল ভোট
দেওয়ার চেষ্টা
করে, তাহলে
সেটি হবে
দুঃখজনক।
তিনি
বলেন, সন্দেহজনক
ভোটারের পরিচয়
নিশ্চিত করতে,
এনআইডি কার্ড,
হজ, ওমরাহ,
পাসপোর্ট বা
ভিসার ছবি
তোলার মতো
করেই, মুখমণ্ডলের
যে অংশটুকু
অনাবৃত রেখে
ছবি তুলতে
হয়, ভোটার
তালিকা অনুযায়ী
নারী প্রিসাইডিং
বা সহকারী
প্রিসাইডিং
অফিসার ও
নারী এজেন্টের
উপস্থিতিতে
ভোট দেওয়ার
আগে ভোটারের
পরিচয় নিশ্চিত
করতে হবে।
প্রশাসন নিয়ে অপপ্রচার থেকে বিরত থাকার আহ্বান
মাহদী
আমিন বলেন,
আমরা দেখতে
পাচ্ছি প্রশাসনের
ও নির্বাচন
পরিচালনার সাথে
যুক্ত একটি
অংশের সাথে
একটি নির্দিষ্ট
রাজনৈতিক দলের
সাথে সম্পর্ক
রয়েছে বলে
একটি মহল
অপপ্রচার চালাচ্ছে।
এটি অনাকাঙ্ক্ষিত
ও দূরত্ব
সৃষ্টির অপচেষ্টা।
রাষ্ট্রের প্রতিটি
সংস্থা, নির্বাচন
কমিশন এবং
অন্তর্বর্তী
সরকারের নির্বাচন
সংশ্লিষ্ট সকল
কর্মকর্তা ও
কর্মচারীবৃন্দের
নিরপেক্ষতা
ও পেশাদারিত্বের
ওপর জনগণের
মতো আমরা
আস্থা রাখতে
চাই। সুতরাং
এই বিভ্রান্তি
ছড়ানো নিন্দাজনক।
যারা এটি
করছে তাদের
প্রতি আমরা
আহ্বান জানাব,
অপপ্রচার থেকে
বিরত থাকুন।
একটি
দল নারীর
অধিকার-স্বাধীনতাকে
সংকুচিত
করতে
চাচ্ছে
বিএনপির
নির্বাচন পরিচালনা
কমিটির এই
মুখপাত্র বলেন,
শুধু নারীদের
জন্য আলাদা
মন্ত্রণালয়
প্রতিষ্ঠাই
না, গার্মেন্টস
শিল্পের মাধ্যমে
নারীদেরকে কর্মক্ষম
করে তোলা,
সরকারি এবং
বেসরকারি ক্ষেত্রে
নারীদের কর্মসংস্থানের
ক্ষেত্র তৈরি
করা, মেয়েদের
জন্য বৃত্তি
এবং অবৈতনিক
শিক্ষা নিশ্চিত
করা, প্রতিটি
ক্ষেত্রে নারীর
ক্ষমতায়নে
বিএনপি অনন্য।
অন্যদিকে বিএনপির
প্রতিদ্বন্দ্বী
যে রাজনৈতিক
দল, তারা
নারীদের বিষয়ে
প্রতিনিয়ত অশালীন
বক্তব্য দিচ্ছে,
নারীর অধিকার
এবং স্বাধীনতাকে
সংকুচিত করতে
চাচ্ছে।
কর্মঘণ্টাকে
কমিয়ে আনতে
চাচ্ছে। যেখানে
সবচেয়ে বেশি
নারী সংসদ
সদস্য প্রার্থীকে
মনোনয়ন দিয়েছে
বিএনপি, তার
বিপরীতে দাঁড়িয়ে
তারা একজন
নারী প্রার্থীকেও
মনোনয়ন দেয়নি।
স্বাভাবিকভাবেই
দেশের বিপুল
জনগোষ্ঠী নারীরা
সেই রাজনৈতিক
দলটির নারী
বিদ্বেষী আচরণে
মর্মাহত, সংক্ষুব্ধ।
বিশেষ
রাজনৈতিক
দলের
সঙ্গে
সংশ্লিষ্ট
৭টি
নির্বাচনী
পর্যবেক্ষক
সংস্থা
মাহদী
আমিন বলেন,
গত ২৬
জানুয়ারি নির্বাচন
কমিশন মোট
৮১টি সংস্থার
৫৫ হাজার
৪৫৪ জন
স্থানীয় পর্যবেক্ষক
অনুমোদনের কথা
জানায়। এর
মধ্যে অপেক্ষাকৃত
কম পরিচিত
এবং পর্যবেক্ষণ
কাজে অভিজ্ঞতাহীন
১৬টি সংস্থা
থেকে ৩১
হাজার ৮০১
জন পর্যবেক্ষককে
অনুমতি প্রদান
করা হয়,
যা মোট
পর্যবেক্ষকের
৬৮.৮৯
শতাংশ। এর
মধ্যে বেশ
কয়েকটি সংগঠনের
সাথে বিশেষ
রাজনৈতিক দলের
সংশ্লিষ্টতার
খবর সংবাদ
মাধ্যমে এসেছে।
সংস্থাগুলো
হচ্ছে: রিসডা
বাংলাদেশ ১৬৪৫
জন, বাকেরগঞ্জ
ফোরাম ১০৫০
জন, এসোসিয়েশন
অব মুসলিম
ওয়েলফেয়ার
এজেন্সিজ ইন
বাংলাদেশ ৬৪৩
জন, একটিভ
এইড ওয়েলফেয়ার
অর্গানাইজেশন
১০৩৫ জন,
ইমপ্যাক্ট ইনিশিয়েটিভ
১৫৩৫ জন,
দীপ্ত মহিলা
উন্নয়ন – ৩৯৮
জন ও
কমিউনিটি এসিস্ট্যান্স
ফর রুরাল
ডেভেলপমেন্ট
৩৮৬১ জন।
ইতোমধ্যে বিএনপি'র
পক্ষ থেকে
নির্বাচন কমিশনে
এ ব্যাপারে
প্রয়োজনীয়
ব্যবস্থা নিতে
অনুরোধ জানিয়ে
পত্র দেওয়া
হয়েছে।
ভোটকেন্দ্রের
আশেপাশে
মোবাইল
ফোন
ব্যবহার
না করার
প্রজ্ঞাপনে
উদ্বিগ্ন
মাহদী
আমির বলেন,
আরো একটি
বিষয় আমাদের
নজরে এসেছে,
ভোটকেন্দ্রের
আশেপাশে ৪০০
গজের মধ্যে
মোবাইল ফোন
ব্যবহার না
করার ব্যাপারে
একটি প্রজ্ঞাপন
জারি হয়েছে।
আমরা এই
বিষয়ে উদ্বিগ্ন।
আমরা মনে
করি, উৎসবমুখর
নির্বাচনি পরিবেশে
এটি বিরূপ
প্রভাব ফেলবে,
অনেককে ভোটপ্রদানে
নিরুৎসাহিত
করবে, উৎসবের
আমেজকে ম্লান
করবে। আমরা
এই সিদ্ধান্ত
থেকে অতি
দ্রুত সরে
আসার জন্য
নির্বাচন কমিশনের
কাছে জোরালো
দাবি জানাচ্ছি।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
আপনার মতামত লিখুন