ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

শিবির নেতা আম্মারসহ জড়িতদের বিচারের দাবিতে রাবিতে মানবদ্ধন



শিবির নেতা আম্মারসহ জড়িতদের বিচারের দাবিতে রাবিতে মানবদ্ধন
ছবি: সংগৃহীত

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে তিন শিক্ষার্থীকে রাকসু জিএস সালাউদ্দিন আম্মারসহ ছাত্রশিবির নেতাদের মারধরের প্রতিবাদ ও বিচারের দাবিতে ‘রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীবৃন্দ’ ব্যানারে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ বুধবার (২৯ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

মানববন্ধন কর্মসূচি থেকে তারা ৫ দফা দাবি জানিয়েছেন। তবে এই কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া অধিকাংশই ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মী। মানববন্ধনে শাখা ছাত্রদলের সভাপতিসহ শীর্ষ নেতারাও উপস্থিত ছিলেন। ছাত্রদলের নেতাদের দাবি, সাধারণ শিক্ষার্থীদের আয়োজিত এই কর্মসূচিতে তারা সমর্থন পোষণ করে অংশ নিয়েছেন।

মানববন্ধন থেকে জানানো দাবিগুলো হলো আগামী ১০ দিনের মধ্যে হামলাকারীদের ছাত্রত্ব বাতিল এবং গ্রেপ্তার করে আইন অনুযায়ী বিচারের আওতায় আনতে হবে; যে সকল রাকসু প্রতিনিধিরা এই সন্ত্রাসী হামলার সাথে জড়িত তাদেরকে সংশ্লিষ্ট পদ থেকে অপসারণ ও বহিষ্কার করতে হবে; বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর অফিসে রাকসুর সদস্যদের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীকে মারধরের যে অভিযোগ উঠেছে, তার সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে; নারী শিক্ষার্থীকে কেন্দ্র করে যে ঘটনার অভিযোগ সামনে এসেছে, তার নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য তদন্ত নিশ্চিত করতে হবে এবং তদন্তে দোষী প্রমাণিত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে; ভবিষ্যতে ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং বিশ্ববিদ্যালয়কে সকল ধরনের সহিংসতা ও ভয়ভীতি থেকে মুক্ত রাখতে প্রশাসনকে দৃশ্যমান পদক্ষেপ নিতে হবে।

মানববন্ধনে পপুলেশন সায়েন্স এন্ড হিউম্যান রিসোর্স ডেভেলপমেন্ট বিভাগের শিক্ষার্থী শিবলী আহমেদ বলেন, ‘রাষ্ট্র ও ছাত্র প্রতিনিধিগণ সাধারণ শিক্ষার্থীদের কথা না বলে ক্যাম্পাসে নিজেদের স্বার্থের রাজনীতি করছেন। জুলাই আন্দোলনের অঙ্গীকার ছিল সুস্থ রাজনীতি চর্চা করা এবং ছাত্রলীগের সেই পুরোনো ফ্যাসিবাদের স্টাইল বর্জন করা। কিন্তু শিবির ও কিছু ছাত্র প্রতিনিধি পুনরায় ট্যাগিংয়ের মাধ্যমে ক্যাম্পাসের পরিবেশ নষ্ট করার চেষ্টা করছে।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থী ও ছাত্রদল এই চক্রান্ত ও অপচেষ্টা কখনো মেনে নেবে না এবং প্রয়োজনে কঠোরভাবে তা প্রতিরোধ করবে।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলিত গণিত বিভাগের শিক্ষার্থী ও বিজয়-২৪ হল ছাত্রদলের সভাপতি গাজী ফেরদৌস হাসান বলেন, ‘রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর নেক্কারজনকভাবে হামলা হয়েছে। শিবিরের এই সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ৫ আগস্ট জুলাই গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বাম সংগঠনের ওপর হামলার মাধ্যমে তাদের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড সম্পর্কে জানান দিয়েছে। আমরা আশি-নব্বইয়ের দশকে দেখতে পেয়েছিলাম তারা বাংলাদেশের বিভিন্ন ক্যাম্পাসে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়েছে। তারা এখন পূর্ব অবস্থায় ফিরে আসতেছে।’

মানববন্ধনে অংশগ্রহণ নিয়ে শাখা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মাহমুদুল হাসান মিঠু বলেন, ‘যার হাতে কলম তুলে নেওয়ার কথা ছিল, সাধারণ শিক্ষার্থীরা একটু আশা রেখে যাকে ভোট দিয়ে জিএস নির্বাচিত করেছিল, তাকে দেখা গেছে পরিচ্ছন্নতাকর্মী যে বেলচা বা সরঞ্জাম দিয়ে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে সেই বেলচা হাতে, অস্ত্র হাতে আরেকজন শিক্ষার্থীকে আহত ও লাঞ্ছিত করার উদ্দেশে লাইব্রেরির মতো পড়াশোনার পরিবেশে সেটি প্রয়োগ করেছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘যে সংগঠনটি ১৯৭১ সালে এ দেশের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিল এবং বাংলাদেশ থেকে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে মুছে দিতে চেয়েছিল, তাদের তৎপরতা চলছে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরিতে মুক্তিযুদ্ধের অনেক ঐতিহাসিক নথি সংরক্ষিত রয়েছে। আমরা আশঙ্কা করছি, এই হামলার পেছনে এক বিশাল ষড়যন্ত্র থাকতে পারে। ওই পাকিস্তানি ক্যান্টনমেন্টের ভাবধারায় যারা চক্রান্ত করছে, ‘তোমরা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় দখলে নাও, লাইব্রেরি দখলে নাও, সেখানে যত মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি আছে সেগুলোকে মুছে দাও’ তারই অংশ হিসেবে তারা লাইব্রেরিতে হামলা করেছে। আর ছাত্রলীগ ধরার কথা বলাটা একটি বাহানা মাত্র।’

শাখা ছাত্রদল সভাপতি সুলতান আহমেদ রাহী বলেন, ‘আম্মার এবং ছাত্রশিবিরের নেতা-কর্মীরা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর জঙ্গি স্টাইলে নেক্কারজনক হামলা চালিয়েছে। তাদের উদ্দেশ্য ছিল হত্যা করে বিশ্ববিদ্যালয়ে অরাজকতা সৃষ্টির মাধ্যমে পড়াশোনার পরিবেশ নষ্ট করা।’

রাকসু ভিপির বিরুদ্ধে সাংবাদিকদের হুমকি দেওয়ার ঘটনায় নিন্দা জানিয়ে তিনি আরো বলেন, ‘গতকাল দেখলাম রাকসু ভিপি সাংবাদিকদের সংবাদ প্রকাশ করার জন্য হুমকি প্রদান করেছে। আমরা বলব স্বাধীনতার পরাজিত শক্তি ছাত্রশিবিরকে আপনারা ভয় পাবেন না। আমরা আপনাদের পাশে আছি। শিক্ষার্থীদের সব যৌক্তিক আন্দোলনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল সমর্থন দিয়ে পাশে ছিল। ভবিষ্যতেও পাশে থাকবে।’

 

 

এনএম/ধ্রুবকন্ঠ

বিষয় : শিবির মানববন্ধন রাবি আম্মার

আপনার মতামত লিখুন

ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬


শিবির নেতা আম্মারসহ জড়িতদের বিচারের দাবিতে রাবিতে মানবদ্ধন

প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুলাই ২০২৬

featured Image

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে তিন শিক্ষার্থীকে রাকসু জিএস সালাউদ্দিন আম্মারসহ ছাত্রশিবির নেতাদের মারধরের প্রতিবাদ ও বিচারের দাবিতে ‘রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীবৃন্দ’ ব্যানারে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ বুধবার (২৯ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

মানববন্ধন কর্মসূচি থেকে তারা ৫ দফা দাবি জানিয়েছেন। তবে এই কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া অধিকাংশই ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মী। মানববন্ধনে শাখা ছাত্রদলের সভাপতিসহ শীর্ষ নেতারাও উপস্থিত ছিলেন। ছাত্রদলের নেতাদের দাবি, সাধারণ শিক্ষার্থীদের আয়োজিত এই কর্মসূচিতে তারা সমর্থন পোষণ করে অংশ নিয়েছেন।

মানববন্ধন থেকে জানানো দাবিগুলো হলো আগামী ১০ দিনের মধ্যে হামলাকারীদের ছাত্রত্ব বাতিল এবং গ্রেপ্তার করে আইন অনুযায়ী বিচারের আওতায় আনতে হবে; যে সকল রাকসু প্রতিনিধিরা এই সন্ত্রাসী হামলার সাথে জড়িত তাদেরকে সংশ্লিষ্ট পদ থেকে অপসারণ ও বহিষ্কার করতে হবে; বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর অফিসে রাকসুর সদস্যদের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীকে মারধরের যে অভিযোগ উঠেছে, তার সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে; নারী শিক্ষার্থীকে কেন্দ্র করে যে ঘটনার অভিযোগ সামনে এসেছে, তার নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য তদন্ত নিশ্চিত করতে হবে এবং তদন্তে দোষী প্রমাণিত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে; ভবিষ্যতে ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং বিশ্ববিদ্যালয়কে সকল ধরনের সহিংসতা ও ভয়ভীতি থেকে মুক্ত রাখতে প্রশাসনকে দৃশ্যমান পদক্ষেপ নিতে হবে।

মানববন্ধনে পপুলেশন সায়েন্স এন্ড হিউম্যান রিসোর্স ডেভেলপমেন্ট বিভাগের শিক্ষার্থী শিবলী আহমেদ বলেন, ‘রাষ্ট্র ও ছাত্র প্রতিনিধিগণ সাধারণ শিক্ষার্থীদের কথা না বলে ক্যাম্পাসে নিজেদের স্বার্থের রাজনীতি করছেন। জুলাই আন্দোলনের অঙ্গীকার ছিল সুস্থ রাজনীতি চর্চা করা এবং ছাত্রলীগের সেই পুরোনো ফ্যাসিবাদের স্টাইল বর্জন করা। কিন্তু শিবির ও কিছু ছাত্র প্রতিনিধি পুনরায় ট্যাগিংয়ের মাধ্যমে ক্যাম্পাসের পরিবেশ নষ্ট করার চেষ্টা করছে।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থী ও ছাত্রদল এই চক্রান্ত ও অপচেষ্টা কখনো মেনে নেবে না এবং প্রয়োজনে কঠোরভাবে তা প্রতিরোধ করবে।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলিত গণিত বিভাগের শিক্ষার্থী ও বিজয়-২৪ হল ছাত্রদলের সভাপতি গাজী ফেরদৌস হাসান বলেন, ‘রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর নেক্কারজনকভাবে হামলা হয়েছে। শিবিরের এই সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ৫ আগস্ট জুলাই গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বাম সংগঠনের ওপর হামলার মাধ্যমে তাদের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড সম্পর্কে জানান দিয়েছে। আমরা আশি-নব্বইয়ের দশকে দেখতে পেয়েছিলাম তারা বাংলাদেশের বিভিন্ন ক্যাম্পাসে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়েছে। তারা এখন পূর্ব অবস্থায় ফিরে আসতেছে।’

মানববন্ধনে অংশগ্রহণ নিয়ে শাখা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মাহমুদুল হাসান মিঠু বলেন, ‘যার হাতে কলম তুলে নেওয়ার কথা ছিল, সাধারণ শিক্ষার্থীরা একটু আশা রেখে যাকে ভোট দিয়ে জিএস নির্বাচিত করেছিল, তাকে দেখা গেছে পরিচ্ছন্নতাকর্মী যে বেলচা বা সরঞ্জাম দিয়ে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে সেই বেলচা হাতে, অস্ত্র হাতে আরেকজন শিক্ষার্থীকে আহত ও লাঞ্ছিত করার উদ্দেশে লাইব্রেরির মতো পড়াশোনার পরিবেশে সেটি প্রয়োগ করেছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘যে সংগঠনটি ১৯৭১ সালে এ দেশের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিল এবং বাংলাদেশ থেকে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে মুছে দিতে চেয়েছিল, তাদের তৎপরতা চলছে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরিতে মুক্তিযুদ্ধের অনেক ঐতিহাসিক নথি সংরক্ষিত রয়েছে। আমরা আশঙ্কা করছি, এই হামলার পেছনে এক বিশাল ষড়যন্ত্র থাকতে পারে। ওই পাকিস্তানি ক্যান্টনমেন্টের ভাবধারায় যারা চক্রান্ত করছে, ‘তোমরা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় দখলে নাও, লাইব্রেরি দখলে নাও, সেখানে যত মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি আছে সেগুলোকে মুছে দাও’ তারই অংশ হিসেবে তারা লাইব্রেরিতে হামলা করেছে। আর ছাত্রলীগ ধরার কথা বলাটা একটি বাহানা মাত্র।’

শাখা ছাত্রদল সভাপতি সুলতান আহমেদ রাহী বলেন, ‘আম্মার এবং ছাত্রশিবিরের নেতা-কর্মীরা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর জঙ্গি স্টাইলে নেক্কারজনক হামলা চালিয়েছে। তাদের উদ্দেশ্য ছিল হত্যা করে বিশ্ববিদ্যালয়ে অরাজকতা সৃষ্টির মাধ্যমে পড়াশোনার পরিবেশ নষ্ট করা।’

রাকসু ভিপির বিরুদ্ধে সাংবাদিকদের হুমকি দেওয়ার ঘটনায় নিন্দা জানিয়ে তিনি আরো বলেন, ‘গতকাল দেখলাম রাকসু ভিপি সাংবাদিকদের সংবাদ প্রকাশ করার জন্য হুমকি প্রদান করেছে। আমরা বলব স্বাধীনতার পরাজিত শক্তি ছাত্রশিবিরকে আপনারা ভয় পাবেন না। আমরা আপনাদের পাশে আছি। শিক্ষার্থীদের সব যৌক্তিক আন্দোলনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল সমর্থন দিয়ে পাশে ছিল। ভবিষ্যতেও পাশে থাকবে।’

 

 

এনএম/ধ্রুবকন্ঠ


ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

“তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম”

কপিরাইট © ২০২৬ ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত