পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার নিজামপুর এলাকায় কোস্টগার্ডের এক গোয়েন্দা সদস্যের বিরুদ্ধে দুই চাচাতো ভাইকে আটক ও নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে এক যুবক বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
অভিযোগ
সূত্রে জানা যায়, আহত
মো. শামীম (২৮), পিতা গনি
ফকির, বাড়ি আক্কেলপুর, থানা
কলাপাড়া, জেলা পটুয়াখালী। তার
সঙ্গে থাকা চাচাতো ভাই
আবির (১৫), পিতা রুহুল
ফকির, বাড়ি হাজিপুর, কলাপাড়া।
স্থানীয়দের
ভাষ্য অনুযায়ী, হাজিপুর শেখ জামাল সেতু
এলাকায় বিদ্যুৎ না থাকায় তারা
প্রাকৃতিক পরিবেশ উপভোগ করতে গেলে কোস্টগার্ডের
গোয়েন্দা বিভাগের এক সদস্য তাদের
সন্দেহভাজন হিসেবে চিহ্নিত করেন। পরে শামীমকে আটক
করে নিয়ে যাওয়া হয়
এবং আবিরকে ভয়ভীতি দেখিয়ে তার মোবাইল ফোন
রেখে ছেড়ে দেওয়া হয়।
অভিযোগে
বলা হয়, আটক শামীমকে
বিভিন্নভাবে নির্যাতন করা হয়। তার
শরীরে বৈদ্যুতিক শক দেওয়া, পায়ের
পাতায় মারধরসহ শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয় এবং
বিভিন্ন অপরাধের স্বীকারোক্তি দিতে চাপ প্রয়োগ
করা হয়। এ সময়
তার কাছে থাকা প্রায়
১০ হাজার ৭০০ টাকা ছিনিয়ে
নেওয়া হয় বলেও অভিযোগ
ওঠে। এছাড়া শামীমের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনের দুটি সিম কার্ড
কোস্টগার্ডের ওই গোয়েন্দা সদস্য
রেখে দিয়েছেন বলেও অভিযোগ করা
হয়েছে।
এদিকে,
ঘটনাটি জানাজানি হলে এক গণমাধ্যমকর্মী
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করলে প্রথমে তিনি
বিষয়টি অস্বীকার করেন। তবে পরে তিনি
গণমাধ্যমকর্মীদের ঘটনাস্থলের নিকটে ডেকে এনে শামীমকে
তাদের সামনে হাজির করেন। অভিযোগ রয়েছে, এর আগে শামীমকে
ভয়ভীতি দেখিয়ে কোনো অভিযোগ না
করার নির্দেশ দেওয়া হয়। ফলে গণমাধ্যমের
সামনে শামীম নির্যাতনের বিষয়টি অস্বীকার করেন।
পরবর্তীতে
হাজিপুর বাজার এলাকায় আনার পর শামীম
হঠাৎ অসুস্থ হয়ে জ্ঞান হারিয়ে
ফেলেন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে
কলাপাড়া উপজেলা ৫০ শয্যা বিশিষ্ট
হাসপাতালে ভর্তি করেন।
এ বিষয়ে মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)-কে অবহিত
করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
ঘটনার
বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কোস্টগার্ড সদস্যের বক্তব্য জানতে চেষ্টা করা হলে তিনি
অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। তারা ঘটনার সুষ্ঠু
তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে
প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
এএমএন/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ এপ্রিল ২০২৬
পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার নিজামপুর এলাকায় কোস্টগার্ডের এক গোয়েন্দা সদস্যের বিরুদ্ধে দুই চাচাতো ভাইকে আটক ও নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে এক যুবক বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
অভিযোগ
সূত্রে জানা যায়, আহত
মো. শামীম (২৮), পিতা গনি
ফকির, বাড়ি আক্কেলপুর, থানা
কলাপাড়া, জেলা পটুয়াখালী। তার
সঙ্গে থাকা চাচাতো ভাই
আবির (১৫), পিতা রুহুল
ফকির, বাড়ি হাজিপুর, কলাপাড়া।
স্থানীয়দের
ভাষ্য অনুযায়ী, হাজিপুর শেখ জামাল সেতু
এলাকায় বিদ্যুৎ না থাকায় তারা
প্রাকৃতিক পরিবেশ উপভোগ করতে গেলে কোস্টগার্ডের
গোয়েন্দা বিভাগের এক সদস্য তাদের
সন্দেহভাজন হিসেবে চিহ্নিত করেন। পরে শামীমকে আটক
করে নিয়ে যাওয়া হয়
এবং আবিরকে ভয়ভীতি দেখিয়ে তার মোবাইল ফোন
রেখে ছেড়ে দেওয়া হয়।
অভিযোগে
বলা হয়, আটক শামীমকে
বিভিন্নভাবে নির্যাতন করা হয়। তার
শরীরে বৈদ্যুতিক শক দেওয়া, পায়ের
পাতায় মারধরসহ শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয় এবং
বিভিন্ন অপরাধের স্বীকারোক্তি দিতে চাপ প্রয়োগ
করা হয়। এ সময়
তার কাছে থাকা প্রায়
১০ হাজার ৭০০ টাকা ছিনিয়ে
নেওয়া হয় বলেও অভিযোগ
ওঠে। এছাড়া শামীমের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনের দুটি সিম কার্ড
কোস্টগার্ডের ওই গোয়েন্দা সদস্য
রেখে দিয়েছেন বলেও অভিযোগ করা
হয়েছে।
এদিকে,
ঘটনাটি জানাজানি হলে এক গণমাধ্যমকর্মী
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করলে প্রথমে তিনি
বিষয়টি অস্বীকার করেন। তবে পরে তিনি
গণমাধ্যমকর্মীদের ঘটনাস্থলের নিকটে ডেকে এনে শামীমকে
তাদের সামনে হাজির করেন। অভিযোগ রয়েছে, এর আগে শামীমকে
ভয়ভীতি দেখিয়ে কোনো অভিযোগ না
করার নির্দেশ দেওয়া হয়। ফলে গণমাধ্যমের
সামনে শামীম নির্যাতনের বিষয়টি অস্বীকার করেন।
পরবর্তীতে
হাজিপুর বাজার এলাকায় আনার পর শামীম
হঠাৎ অসুস্থ হয়ে জ্ঞান হারিয়ে
ফেলেন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে
কলাপাড়া উপজেলা ৫০ শয্যা বিশিষ্ট
হাসপাতালে ভর্তি করেন।
এ বিষয়ে মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)-কে অবহিত
করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
ঘটনার
বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কোস্টগার্ড সদস্যের বক্তব্য জানতে চেষ্টা করা হলে তিনি
অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। তারা ঘটনার সুষ্ঠু
তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে
প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
এএমএন/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
আপনার মতামত লিখুন