ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ অভিযান, অস্ত্র-গুলাবারুদ ও ১৩৬ ককটেলসহ গ্রেপ্তার ৩



নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ অভিযান, অস্ত্র-গুলাবারুদ ও ১৩৬ ককটেলসহ গ্রেপ্তার ৩
ধ্রুবকন্ঠ



নরসিংদীর রায়পুরার চরাঞ্চলে দিনভর যৌথ অভিযান চালিয়ে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ও র‍্যাব। এ সময় একটি একনলা বন্দুক, ৯ রাউন্ড শর্টগানের কার্তুজ, চারটি বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট, আটটি দেশীয় তৈরি বল্লম, একটি স্টিলের ঢাল ও ১৩৬টি ককটেলসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকাল ৬টার থেকে বিকাল পর্যন্ত উপজেলার চরাঞ্চলের চাঁনপুর ইউনিয়নের সওদাগরকান্দি গ্রামের লঞ্চঘাটসংলগ্ন মেঘনা নদীতে এ অভিযান চালানো হয়।


পরে রায়পুরা থানায় এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করে এসব তথ্য জানান নরসিংদীর পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল ফারুক।



অভিযানে গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন—সওদাগরকান্দি গ্রামের হাসেন আলীর ছেলে মনির হোসেন (৩৫), মৃত তালেব আলীর ছেলে আলকাছ (৬০) এবং ফারুক মিয়ার ছেলে সাইম ইসলাম (১৪)।


পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সওদাগরকান্দি এলাকায় স্থানীয় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ফরিদ গ্রুপ ও মোমেন চেয়ারম্যান গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। এ বিরোধের জেরে বিভিন্ন সময় সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটেছে। এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী ও দাঙ্গাবাজদের গ্রেপ্তার এবং অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের লক্ষ্যে মঙ্গলবার এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সওদাগরকান্দি লঞ্চঘাট সংলগ্ন মেঘনা নদীতে অস্ত্রধারী কয়েকজন অবস্থান করছে জানতে পেরে অভিযান চালানো হয়। এ সময় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।


তাদের কাছ থেকে একটি একনলা বন্দুক, শর্টগানের ৯ রাউন্ড লাল রঙের কার্তুজ, একটি হলুদ রঙের হেলমেট, চারটি বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট, দুটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন, একটি স্টিলের ঢাল, আটটি দেশীয় তৈরি বল্লম, ১৪টি লাল বালতিতে রাখা মোট ১৩৬টি ককটেল, এক বালতি পাথর ও একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।


পুলিশ জানায়, বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। পাশাপাশি এলাকায় পুলিশের নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।



সংবাদ সম্মেলনে জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো: কলিমুল্লাহ, রায়পুরা সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার বায়েজিদ বিন মনসুর, রায়পুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মজিবুর রহমানসহ জেলা পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


 

উল্লেখ্য, গত ২ আগস্ট দুই পক্ষের মধ্যে আধিপত্যের জেরে এক পক্ষের হামলায় গুলিতে চাঁনপুর ইউনিয়নের সদাগরকান্দি গ্রামের মৃত ধন মিয়ার ছেলে কৃষক মোমেন মিয়া (৬০) নিহত হয়। এরপর হতে এলাকায় উত্তপ্ত পরিস্থিতি বিরাজ করছিল।



আপনার মতামত লিখুন

ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬


নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ অভিযান, অস্ত্র-গুলাবারুদ ও ১৩৬ ককটেলসহ গ্রেপ্তার ৩

প্রকাশের তারিখ : ১২ আগস্ট ২০২৬

featured Image



নরসিংদীর রায়পুরার চরাঞ্চলে দিনভর যৌথ অভিযান চালিয়ে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ও র‍্যাব। এ সময় একটি একনলা বন্দুক, ৯ রাউন্ড শর্টগানের কার্তুজ, চারটি বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট, আটটি দেশীয় তৈরি বল্লম, একটি স্টিলের ঢাল ও ১৩৬টি ককটেলসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকাল ৬টার থেকে বিকাল পর্যন্ত উপজেলার চরাঞ্চলের চাঁনপুর ইউনিয়নের সওদাগরকান্দি গ্রামের লঞ্চঘাটসংলগ্ন মেঘনা নদীতে এ অভিযান চালানো হয়।


পরে রায়পুরা থানায় এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করে এসব তথ্য জানান নরসিংদীর পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল ফারুক।



অভিযানে গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন—সওদাগরকান্দি গ্রামের হাসেন আলীর ছেলে মনির হোসেন (৩৫), মৃত তালেব আলীর ছেলে আলকাছ (৬০) এবং ফারুক মিয়ার ছেলে সাইম ইসলাম (১৪)।


পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সওদাগরকান্দি এলাকায় স্থানীয় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ফরিদ গ্রুপ ও মোমেন চেয়ারম্যান গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। এ বিরোধের জেরে বিভিন্ন সময় সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটেছে। এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী ও দাঙ্গাবাজদের গ্রেপ্তার এবং অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের লক্ষ্যে মঙ্গলবার এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সওদাগরকান্দি লঞ্চঘাট সংলগ্ন মেঘনা নদীতে অস্ত্রধারী কয়েকজন অবস্থান করছে জানতে পেরে অভিযান চালানো হয়। এ সময় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।


তাদের কাছ থেকে একটি একনলা বন্দুক, শর্টগানের ৯ রাউন্ড লাল রঙের কার্তুজ, একটি হলুদ রঙের হেলমেট, চারটি বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট, দুটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন, একটি স্টিলের ঢাল, আটটি দেশীয় তৈরি বল্লম, ১৪টি লাল বালতিতে রাখা মোট ১৩৬টি ককটেল, এক বালতি পাথর ও একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।


পুলিশ জানায়, বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। পাশাপাশি এলাকায় পুলিশের নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।



সংবাদ সম্মেলনে জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো: কলিমুল্লাহ, রায়পুরা সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার বায়েজিদ বিন মনসুর, রায়পুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মজিবুর রহমানসহ জেলা পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


 

উল্লেখ্য, গত ২ আগস্ট দুই পক্ষের মধ্যে আধিপত্যের জেরে এক পক্ষের হামলায় গুলিতে চাঁনপুর ইউনিয়নের সদাগরকান্দি গ্রামের মৃত ধন মিয়ার ছেলে কৃষক মোমেন মিয়া (৬০) নিহত হয়। এরপর হতে এলাকায় উত্তপ্ত পরিস্থিতি বিরাজ করছিল।




ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

“তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম”

কপিরাইট © ২০২৬ ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত