বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন,
‘কিছু লোক আছে যারা দুষ্টুমি করে,
কিন্তু দেশের মানুষ জেগে গিয়েছে,
এবার তারা ভোট দেবেই। এবারের নির্বাচন কেউ ষড়যন্ত্র করে বানচাল ও ঠেকাতে পারবে না। ভোটকেন্দ্রে কেউ যেন বিশৃঙ্খলা না করতে পারে এজন্য সকলকে পাহারা দিতে হবে।‘
আজ রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) সকালে ঠাকুরগাঁও ১ আসনের মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের কাজিপাড়া এলাকায় নির্বাচনী পথসভায় এসব কথা বলেন মির্জা ফখরুল। এ সময় এক নারী তার সঞ্চিত অর্থ মির্জা ফখরুলের হাতে তুলে দিলে আবেগে কেঁদে ফেলেন মির্জা ফখরুল।
নির্বাচনী
পথসভায় মির্জা ফখরুল
ইসলাম
আলমগীর
বলেন,
‘আমি
জোর
গলায়
বলতে
পারি
রাজনীতি
করে
কখনো
চুরি
করি
নাই।
সততার
সঙ্গে
রাজনীতি
করেছি
তাই
আপনাদের
কাছে
একটি
ভোট
আশা
করছি।
সামাজিক
যোগাযোগ
মাধ্যমে
আমাকে
নিয়ে
অনেক
বিভ্রান্তি
ছড়ানো
হয়েছে,
আমি
তা
বিশ্বাস
করি
না। আপনাদের কাছে এসেছি, আপনারা আমাকে বুঝতে পারবেন চিনতে পারবেন। এটি আমার শেষ নির্বাচন, জীবনে আর হয়তো কখনো ভোট করা হবে না। এজন্য আপনারা অন্তত আমাকে একটি ভোট দিবেন, কাজ করার সুযোগ করে দিবেন।’
ফখরুল ইসলাম আরও বলেন, ‘রাজনীতি করে কারো কাছে এক টাকাও খাইনি। বরং বাপ-দাদার সম্পত্তি বিক্রি করে সততার সঙ্গে রাজনীতি করছি। তাই বুকের সিনা টান করে আপনাদের সামনে এসেছি, কেউ বলতে পারবে না দুর্নীতি করেছি। দীর্ঘদিন জেল-জুলুম নির্যাতন সহ্য করেছি রাজনীতি করেছি এজন্য আপনাদের কাছে অন্তত একটি ভোট কামনা করছি।’
জামায়াতে
ইসলামীর
কথা
তুলে ধরে মির্জা
ফখরুল
বলেন,
‘তারা
মিথ্যা
কথা
বলে
মা-বোনদের
বিভ্রান্ত
করছে।
আর
কোরআন
শিক্ষার
নাম
করে
দাড়িপাল্লায়
ভোট
দিলে
বেহেশতে
যাওয়া
যাবে
এমন
কথা
বলছে। কোরআনে এমন কিছু লেখা নেই যে- কোনো মার্কাকে ভোট দিয়ে বেচতে যাওয়া যায়। মিথ্যা কথা না বলা, সৎ পথে চলা ও ভালো কাজের মাধ্যমেই বেহেশতে যাওয়া যায়, অন্য কোনো মাধ্যমে নয়।’
বিএনপির
এই মহাসচিব বলেন,
‘আমরা যা বলি তা কাজে করে দেখাই। বিগত সময়ে ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় এলাকার অনেক উন্নয়ন করেছি। দীর্ঘ সময় ধরে আপনাদের সঙ্গে রয়েছি,
নির্বাচন হেরেছি কিন্তু আপনাদের ছেড়ে কখনো চলে যাইনি। বিজয়ী হয়েছি,
আপনাদের সঙ্গে ছিলাম কাজ করেছি। তাই অন্য যে প্রার্থী রয়েছে তাদেরকে আপনারা ভোট দেবেন না কি আমাকে দেবেন সেটি আপনাদের বিবেচনায় রেখে দিলাম।’
মির্জা
ফখরুল
আরও
বলেন,
‘আমাদের
দলের
প্রতিষ্ঠাতা
শহীদ
প্রেসিডেন্ট
জিয়াউর
রহমান
বলেছেন
সৎ
থাকবেন
সততার
সঙ্গে
দেশের
কাজ
করবেন।
এক
সময়
দেশে
আওয়ামী
লীগের
শেখ
মুজিব
ছিলেন,
সে
সময়
দেশে
দুর্ভিক্ষ
হয়েছিল,
তাদের
ব্যর্থতার
জন্য
সেদিন
দেশ
ধ্বংস
হয়ে
গিয়েছিল।
কিন্তু
শহীদ
প্রেসিডেন্ট
জিয়াউর
রহমান
দেশটাকে
আবার
ওপরের
দিকে
তুলে
নিয়ে
এসেছেন।
বিএনপির
কোন
কর্মীর
ব্যবহারে
কেউ
যদি
কষ্ট
পান
তাহলে
আল্লাহর
ওয়াস্তে
তাদের
মাফ
করে
দিবেন।
আমি
নিশ্চিত
করে
বলে
দিচ্ছি
আমাদের
ছেলেরা
কোথাও
কোনো
খারাপ
কাজ
করবে
না।’
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
বিষয় : ভোট নির্বাচন মির্জা ফখরুল
.png)
বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন,
‘কিছু লোক আছে যারা দুষ্টুমি করে,
কিন্তু দেশের মানুষ জেগে গিয়েছে,
এবার তারা ভোট দেবেই। এবারের নির্বাচন কেউ ষড়যন্ত্র করে বানচাল ও ঠেকাতে পারবে না। ভোটকেন্দ্রে কেউ যেন বিশৃঙ্খলা না করতে পারে এজন্য সকলকে পাহারা দিতে হবে।‘
আজ রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) সকালে ঠাকুরগাঁও ১ আসনের মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের কাজিপাড়া এলাকায় নির্বাচনী পথসভায় এসব কথা বলেন মির্জা ফখরুল। এ সময় এক নারী তার সঞ্চিত অর্থ মির্জা ফখরুলের হাতে তুলে দিলে আবেগে কেঁদে ফেলেন মির্জা ফখরুল।
নির্বাচনী
পথসভায় মির্জা ফখরুল
ইসলাম
আলমগীর
বলেন,
‘আমি
জোর
গলায়
বলতে
পারি
রাজনীতি
করে
কখনো
চুরি
করি
নাই।
সততার
সঙ্গে
রাজনীতি
করেছি
তাই
আপনাদের
কাছে
একটি
ভোট
আশা
করছি।
সামাজিক
যোগাযোগ
মাধ্যমে
আমাকে
নিয়ে
অনেক
বিভ্রান্তি
ছড়ানো
হয়েছে,
আমি
তা
বিশ্বাস
করি
না। আপনাদের কাছে এসেছি, আপনারা আমাকে বুঝতে পারবেন চিনতে পারবেন। এটি আমার শেষ নির্বাচন, জীবনে আর হয়তো কখনো ভোট করা হবে না। এজন্য আপনারা অন্তত আমাকে একটি ভোট দিবেন, কাজ করার সুযোগ করে দিবেন।’
ফখরুল ইসলাম আরও বলেন, ‘রাজনীতি করে কারো কাছে এক টাকাও খাইনি। বরং বাপ-দাদার সম্পত্তি বিক্রি করে সততার সঙ্গে রাজনীতি করছি। তাই বুকের সিনা টান করে আপনাদের সামনে এসেছি, কেউ বলতে পারবে না দুর্নীতি করেছি। দীর্ঘদিন জেল-জুলুম নির্যাতন সহ্য করেছি রাজনীতি করেছি এজন্য আপনাদের কাছে অন্তত একটি ভোট কামনা করছি।’
জামায়াতে
ইসলামীর
কথা
তুলে ধরে মির্জা
ফখরুল
বলেন,
‘তারা
মিথ্যা
কথা
বলে
মা-বোনদের
বিভ্রান্ত
করছে।
আর
কোরআন
শিক্ষার
নাম
করে
দাড়িপাল্লায়
ভোট
দিলে
বেহেশতে
যাওয়া
যাবে
এমন
কথা
বলছে। কোরআনে এমন কিছু লেখা নেই যে- কোনো মার্কাকে ভোট দিয়ে বেচতে যাওয়া যায়। মিথ্যা কথা না বলা, সৎ পথে চলা ও ভালো কাজের মাধ্যমেই বেহেশতে যাওয়া যায়, অন্য কোনো মাধ্যমে নয়।’
বিএনপির
এই মহাসচিব বলেন,
‘আমরা যা বলি তা কাজে করে দেখাই। বিগত সময়ে ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় এলাকার অনেক উন্নয়ন করেছি। দীর্ঘ সময় ধরে আপনাদের সঙ্গে রয়েছি,
নির্বাচন হেরেছি কিন্তু আপনাদের ছেড়ে কখনো চলে যাইনি। বিজয়ী হয়েছি,
আপনাদের সঙ্গে ছিলাম কাজ করেছি। তাই অন্য যে প্রার্থী রয়েছে তাদেরকে আপনারা ভোট দেবেন না কি আমাকে দেবেন সেটি আপনাদের বিবেচনায় রেখে দিলাম।’
মির্জা
ফখরুল
আরও
বলেন,
‘আমাদের
দলের
প্রতিষ্ঠাতা
শহীদ
প্রেসিডেন্ট
জিয়াউর
রহমান
বলেছেন
সৎ
থাকবেন
সততার
সঙ্গে
দেশের
কাজ
করবেন।
এক
সময়
দেশে
আওয়ামী
লীগের
শেখ
মুজিব
ছিলেন,
সে
সময়
দেশে
দুর্ভিক্ষ
হয়েছিল,
তাদের
ব্যর্থতার
জন্য
সেদিন
দেশ
ধ্বংস
হয়ে
গিয়েছিল।
কিন্তু
শহীদ
প্রেসিডেন্ট
জিয়াউর
রহমান
দেশটাকে
আবার
ওপরের
দিকে
তুলে
নিয়ে
এসেছেন।
বিএনপির
কোন
কর্মীর
ব্যবহারে
কেউ
যদি
কষ্ট
পান
তাহলে
আল্লাহর
ওয়াস্তে
তাদের
মাফ
করে
দিবেন।
আমি
নিশ্চিত
করে
বলে
দিচ্ছি
আমাদের
ছেলেরা
কোথাও
কোনো
খারাপ
কাজ
করবে
না।’
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
আপনার মতামত লিখুন